আমার সূর্য্য,অস্তমিত গিয়েছে যে প্রভায়,
বিবর্ণ গেছে উষা ঢলেছে সন্ধ্যায়।
স্তম্ভিত প্রণয় অগ্নিগোলক বিকিরণ,
যেন নিরব ব্যাথার,আমি নিবিড় আপ্যায়ন।
আমি অতিথি এক,আমি ব্যস্থপথিক,
ভগ্নাতুর স্বপ্নচিত্র, যাহা শৈল্পিক।
করুনার পাত্র হতে-হতে দিক হারা দিক।

দিগন্ত থেকে দিগন্তে অবিনশ্বর,
সত্য প্রেম ধ্রুবশিখার,
এক টুকরো স্বপ্ন হাতে শহর থেকে শহর,
খুজে বেড়ানো অশেষ লাঞ্চনায়।

বিস্তৃত পৃথিবী বুকে সুখ হাতড়ে-হাতড়ে,
ক্লান্ত গেছি সেই কবে,
তবু থেমে যাইনি,থেমে যায়নি আমার এ মুমূর্ষু যাত্রা।
পৃথিবীর এ পৃষ্ট হতে ও পৃষ্ট,এপার হতে ওপার,
সন্তরণে-সন্তরণে কত নদ, হ্রদ হয়েছি পার।
এখনো আচড়ে পড়ি বার বার,
পৃথিবীর বিরান ভূমিতে হাটতে গিয়ে।
মৃত্যুর অভিমুখে দাড়িয়ে
আমি বলেছি,আমি বলেছি,
আমি এভাবে যাব বলে আসিনি।
এখনো ছায়া নামল না, আলো হাসলো না,
ঘোর অমানিশা কাটল না।
এখনো অসংখ্য অগণিত মানুষ গৃহহারা,
ক্ষুধার্তরা অন্নহীন।
ক্লেদাক্ত শিশুগুলো,এখনো আস্তাকুঁড়ে সারাদিন।
আমি এখনো কিছু করিনি,কিছু করিনি,
ক্ষুধার্তের মুখে অন্নযোগায়ে আমি হাসিনি।
খুলে দেইনি বন্ধ সব দীক্ষালয় কপাট।
সমাজের অজ্ঞান ব্যাধি শ্রুশষা দিয়ে ধূলিসাৎ।
এখনো প্রতিবাদে আমি মুষ্টিবদ্ধ করিনি হাত।