সুযোগ বুঝে শ্লেষ্মাজড়ানো কন্ঠ জানিয়ে দেয় আত্নপরিচয় অপ্রতিম মাধুর্য যা অসহ্যে ঠেকে মাঝে সাঝে , সেরকম নয় নদীর স্বচ্ছল বহমান মাধুর্য যাকে শরীরে ও মনে ধারণ করা যায় আবছায়া নদীটির পাড়ে সেই নারীর সাথে দেখা হল দৈবক্রমে নারী ও নদী , প্রেমের দুই জ্বলন্ত মূর্তি আমার সামনে অধিষ্ঠিত এতকাল বিন্দুবিসর্গ করুণার আশায় লোকালয়ে ও জঙ্গলে ঘুরেছি অচ্ছুত নারীর হাতে সাবাড় করেছি খাবার , ঠোঁটে খুঁজেছি শান্তি অচেনা শহরে পর্যটক পায়ে হেঁটে হেঁটে মলিন ধূলা মেখেছি গায়ে বাঁধানো নদীর কিনারে দাঁড়িয়ে মনে হয়েছে সভ্যতার বাড়াবাড়ি রূপ জমকালো রমণীর সচেতন অহং আমায় করেছে অভিব্যক্তিহীন এতকাল নারী ও নদীর অন্বিষ্ট স্বরুপ খুঁজেছি নিরন্তর এষণায় আবছায়া নদীটির পাড়ে সেই নারীর সাথে দেখা হল দৈবক্রমে ।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।