শবাদার্থ-কপিঞ্জল-চাতক/তিতির পাখি,অর্ণব-সাগর,কুন্ডুলি-বায়ু,লাদাখ-ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের একটি এলাকা।চিত্রা-একটি নদীর নাম।ঝিনাইদনের কালিগঞ্জের উপর দিয়ে বয়ে গেছে নদীটি।বন বিথিকা-প্রেমিকা/বন/প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।বাঁশমতি-সুগন্ধি ধান।যখন ধান কাটা হয় তখন সুগন্ধ ছড়াতে থাকে।ধান কাটার পর জমিতে লুকিয়ে থাকা প্রানী গুলো বেরিয়ে পড়ে সে সময়।যেমন পোকা মাকড়,ইদুর ইত্যাদি।আকাশি আয়না-নীল দর্পণ।এটি একটি বিখ্যাত নাটক।কর্দমাক্ত চাকা-জয়নুলের সেই বিখ্যাত ছবিটি।যেখানে কাদায় আটকে থাকা চাকা ঠেলছে কেউ।নকশী কাঁথার মাঠ-জসিমুদ্দিনের বিখ্যাত কাব্য গ্রন্থ।এখানে ফরিদপুরকে বুঝানো হয়েছে।লাল দিঘী-কলকাতার একটি খ্রিষ্টান চার্চের পার্শ্বের দিঘি।চার্চের দেয়ালের রঙ লাল ছিল,আর তার ছায়া পানিতে পড়তো লাল হয়ে,সেখান থেকেই লাল দিঘি নাম হয় এটির।এই চার্চেই মধুসূদন খ্রিষ্টান হন।শব শয্যাতে-মধুসূদনের করুন পরিনতির কথা বলা হয়েছে।তেতুল-মিঠে-খেজুর গুড়ে পাকা তেতুল ছেড়ে দিয়ে,নবান্নের সময় খেয়ে থাকে যশোহর অঞ্চলের মানুষেরা।এটি এ এলাকার জনপ্রিয় একটি খাবার। বাঘের বন-সুন্দর বন,কেওড়ার ওপার-সাতক্ষীরা,চলন বিল-নাটরে,নবগঙ্গা-নদীর নাম,ঝিনুকদহ-ঝিনাইদহ।পাঠকের বোঝার সার্থে শব্দার্থ ও কিছু কিছু ব্যখ্যা দিয়েছি মাত্র।আশা করি বিষয় সামঞ্জস্যতা স্পষ্ট হবে।ধন্যবাদ।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১২ অক্টোবর ১৯৯২
গল্প/কবিতা: ৩২টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - নবান্ন (অক্টোবর ২০১৯)

কপিঞ্জল পাখির ডানায়
নবান্ন

সংখ্যা

নাজমুল হুসাইন

comment ৪  favorite ০  import_contacts ৫২
কপিঞ্জল পাখির ডানায় চড়ে,তৃষিত অর্ণব কুন্ডুলি,
দূর সৈকত হতে লাদাখ নগরের পথ বেয়ে,
সাদা মেঘের বেয়াড়া দুপুর জুড়ে…
নূপুর বাজায় এসে চিত্রার মিঠে গায়।
বুনো সমীরন ছুয়ে দেয় তারে,অমানিশার বুনো ছলনায়,
শিক্ত প্রাণের আকুলতায়,দুলে ওঠে সোনালী আঁচল তার।
কোন একদিন-
পেকে ওঠা বাঁশমতীর গন্ধ ছড়াতে গিয়ে,
জীবন প্রদীপ পেয়েছিল খুজে…
বন বিথীকার জল রক্তের তাজা কবর খুড়ে।

আঁকাশি আয়নায় এঁকে ঠনঠনে মাটির আঁঠালো কাদা,
লেপ্টে থাকে যেথা জয়নুলের কর্দমাক্ত চাকা,
সন্ধ্যে ফুলের হাঁট-বাজারে,বসেছিল যেথা জোনাক পোকার মেলা,
কপিঞ্জল পাখির ডানায় চড়ে…
তৃষিত কুন্ডুলি বয়েছিল সেদিন,পুতুল নাচের আসর জুড়ে।
নোলক ঢাকা বাঁকা ঘোমটাতে,পিঠে-পুলির আপ্যায়ন বারান্দাতে,
বেজে ওঠে বাঁশি আজো রাখালের,
নকশী কাঁথার মাঠে,লাল দিঘিটির ঘাটে।
ভাঁপ লাগে গায়,শব শয্যাতে এঁটে দক্ষিন দোয়ার,
ভীষণ সে জ্বর……
খুজে ফেরে বন বিথীকা,তেতুল মিঠের ভাঁড়ে।

শিশির আলতা মাখায়ে নগ্ন পায়ে,
শিকারী বাঘের বন,কেওড়ার ওপার,
চলন বিলের বাঁকা পথ বেয়ে,
নবগঙ্গার ঝিনুকদহে।
প্রণয় গালিচা বিছায়ে দিলে,
কপিঞ্জল পাখির ডানায় চড়ে,তৃষিত অর্ণব কুন্ডুলি,
চিত্রার গায়।
নবান্নের অতিথি হয়ে,ফিরে আসে বারে বারে,
বুঁনো হাঁসের পানার ডোবায়,বন বিথীকার মায়ায়।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement