কপিঞ্জল পাখির ডানায় চড়ে,তৃষিত অর্ণব কুন্ডুলি,
দূর সৈকত হতে লাদাখ নগরের পথ বেয়ে,
সাদা মেঘের বেয়াড়া দুপুর জুড়ে…
নূপুর বাজায় এসে চিত্রার মিঠে গায়।
বুনো সমীরন ছুয়ে দেয় তারে,অমানিশার বুনো ছলনায়,
শিক্ত প্রাণের আকুলতায়,দুলে ওঠে সোনালী আঁচল তার।
কোন একদিন-
পেকে ওঠা বাঁশমতীর গন্ধ ছড়াতে গিয়ে,
জীবন প্রদীপ পেয়েছিল খুজে…
বন বিথীকার জল রক্তের তাজা কবর খুড়ে।

আঁকাশি আয়নায় এঁকে ঠনঠনে মাটির আঁঠালো কাদা,
লেপ্টে থাকে যেথা জয়নুলের কর্দমাক্ত চাকা,
সন্ধ্যে ফুলের হাঁট-বাজারে,বসেছিল যেথা জোনাক পোকার মেলা,
কপিঞ্জল পাখির ডানায় চড়ে…
তৃষিত কুন্ডুলি বয়েছিল সেদিন,পুতুল নাচের আসর জুড়ে।
নোলক ঢাকা বাঁকা ঘোমটাতে,পিঠে-পুলির আপ্যায়ন বারান্দাতে,
বেজে ওঠে বাঁশি আজো রাখালের,
নকশী কাঁথার মাঠে,লাল দিঘিটির ঘাটে।
ভাঁপ লাগে গায়,শব শয্যাতে এঁটে দক্ষিন দোয়ার,
ভীষণ সে জ্বর……
খুজে ফেরে বন বিথীকা,তেতুল মিঠের ভাঁড়ে।

শিশির আলতা মাখায়ে নগ্ন পায়ে,
শিকারী বাঘের বন,কেওড়ার ওপার,
চলন বিলের বাঁকা পথ বেয়ে,
নবগঙ্গার ঝিনুকদহে।
প্রণয় গালিচা বিছায়ে দিলে,
কপিঞ্জল পাখির ডানায় চড়ে,তৃষিত অর্ণব কুন্ডুলি,
চিত্রার গায়।
নবান্নের অতিথি হয়ে,ফিরে আসে বারে বারে,
বুঁনো হাঁসের পানার ডোবায়,বন বিথীকার মায়ায়।