এ জগতে আমার আশা,আমার যাওয়া,আমার সুখ,দুঃখ সহ যাবতীয় বিষয়ে আসলেই কি আমার স্বাধীনতা আছে?স্বাধীনতা বলতে আমরা সাধারণত দেশের স্বাধীনতা,ভুমির স্বাধীনতাকে বেছে নিয়েছি।কিন্তু সুক্ষভাবে চিনতা করলে আপনিও বুঝবেন,স্বাধীনতা বলে যা কিছু আমরা ভোগ করি তা আসলে কারো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।আপনি যদি যুদ্ধ করে,সংগ্রাম করে কোন ভুমি স্বাধীন করেন,তবে আপনি কেবল ভুমির স্বাধীনতা পেলেন,কিন্তু আপনার সমগ্র সত্তা?সেকি আদৌ স্বাধীন ছিল,আছে,না কোন দিন স্বাধীনতা পাবে?এবারের সংখ্যাটিতে জীবনের এ বাস্তবতাকেই ভীন্ন আংগিকে,প্রকৃত পরিচয় দিয়ে,তুলে ধরলাম।ধন্যবাদ সকলকে।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১২ অক্টোবর ১৯৯২
গল্প/কবিতা: ২৭টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - স্বাধীনতা (মার্চ ২০১৯)

বন্ধন মুক্ত
স্বাধীনতা

সংখ্যা

নাজমুল হুসাইন

comment ৭  favorite ০  import_contacts ৮৯
অসম্মতির চাঁটে,জনশূন্য লহু শাঁসের ভ্রুণভূমি।
যখন ফুকে দেয়া হয় রুহ-
সবলে ঘটে যায়,অঙ্গ হতে দেহযষ্টির অনাধীনতা।
স্বাধীনতার নিস্বন দৈব বাচ্যে,বিরামে ক্রঁদ,নড়ে উঠা স্মিত অধর,
প্রতিধ্বনিত হয়,সাপেক্ষ সত্তার প্রতি।
স্বাগত জানায় মোহাচ্ছন্ন পার্থিব জ্ঞাণ,
সংসারী করে গুল্মের স্বাদ,আমলের প্রণয়,চিত্তের চারুতা।
বিবর্ণ কচে,ধবলিমার ছুঁয়া লাগে,
চেড় হয়ে ওঠা বীর ঝিল্লী,চলে যায় বন্ধুর পথে,
এ যেন এক শত সিদ্ধির পণ্ডশ্রম!
ন্যুজ হয়ে পড়া গর্দান,সগর্ভ গর্জন,নেমে যায় নির্বাক।
গতিহারা চঞ্চল পা,কপর্দক শূন্য বাজান গেহ,
নিভে যায় কাল,নিভে যায় জ্যোতি,নিভে যায় যাতনা।
আঁকড়ে রাখা স্বদেশ পরিত্যাগ করে,নিঃশেষ হলে মোহাচ্ছন্নতা,
ঠেলে দেয় সরু গর্ভ শালায়।
কেঁদে ওঠে মনিবেরা অসম্মতির পদত্যাগে,
পরাধীনতার শিকলে বন্দি যেন অন্য পরাধীনতা!
অতি সামান্যই কেবল এ নশ্বর সৃষ্টির স্বাধীনতা,
কাজেই,পরিভ্রমন অন্তে ফিরতেই হয়,স্বাধীন সত্তায়।
অতঃপর অবতীর্ন হয়নি,ভীন্ন স্বরুপ,ভীন্ন পথ,
বন্ধন মুক্ত শুধু,একক অবিনশ্বর সত্তা।
ভ্রুণ বানী হল,ক্ষুদ্র বিশ্বের খালাশ বলে কিছু নেই।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement