মন-মস্তিষ্ক-স্নায়ুতে,ইচ্ছা-স্বপ্ন-সাধনার বসবাস,
অব্যক্ত ভাষা প্রায়ই,মনের নদীতেই ভাসতে থাকে,
হায়রে জোয়ার কবে আসবি তুই?
ভালোবাসার এতো মায়াজাল ছড়ানো,দিবা রাত্রির প্রাণে,
কেউ ব্যথিত হয় না চঁন্দ্র-সুর্যের বিরহ যাতনায়।
সূর্যের প্রদিপ্ত আলোতেই চন্দ্রিমা সুন্দরীর বাঁকা হাসি,
পশ্চিমাকাশ জুড়ে,মৃত্যু উপত্যকায়,আঁধার আসে চাঁদর হয়ে,
জোনাকী আর জোসনার হাত ধরে শষী,
রাঁধা হয়ে ঢোকে,প্রিয়োতমের মৃত কায়ায়।
পুর্ণ রাত্রির সহবাস শেষে,কি জেনো অধরাই রয়ে গেলো!
দিবা-রাত্রির খেলা ছলে,চন্দ্র-সূর্য মুক্তি পেলো না।
যে জলের নেশায় চাতকের,গুনতে থাকা প্রহর,
অতল সাগরের বুকে শুধুইতো জলরাশি,
সুমিষ্ট বৃষ্টি ফোঁটা,তার কাছে বড়ই অধরা।
যে যুবকের দিন কেটে যায়,প্রেয়সীর মুখচ্ছবি এঁকে,
হয়তো বা কোন দিন, হয় নি বলা,সেও রইলো অধরা।
কোন এক স্বামীর স্বাধ ছিলো অতি,একটা পুত্র হবে তার,
যাকে ঘিরে হবে জগৎ-সংসার।
পুত্র সে পাইনি কভু,মুখাবয়বে তার বার্ধক্যের হাহাকার।
মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি,সাদা-কালো,রঙিনের মাঝে হারিয়ে যায়,
যদিও মন-মস্তিষ্ক-স্নায়ুতে,ইচ্ছা-স্বপ্ন-সাধনার বসবাস।
কিছুটা সে পায়,বাকিটা শুধুই অধরা!