আলস্য এই জাহান এর সবই— প্রতি দিবস এর শুরু- কিরণমালী দিয়ে, নিজের কাজ করে সে নিজের মত কাটিয়ে দেই আলস্যে সে পুরোটা অষ্টপ্রহর! দিবা শেষ প্রান্তে- পূর্ণিমা রাত্রে, ইন্দু পথ চলে লক্ষ্য-আলস্য তারাদের ভিড়ে, আলস্য-ইন্দুও, নিশি কাটিয়ে- রবির কিরণ চাদরে যেন পরে লুকিয়ে। যত অলস হোক এই দু'কর্মী- নিজের কাজ করে সঠিক সময়ে।
ভুল দেখি স্বচক্ষে— অক্লান্ত তটিনী- আর তার তরঙ্গ, আসলে সে ক্লান্ত, আলস্য তার অঙ্গ। নইলে কী আর- শৃঙ্গধরের অম্বু কী তার লাগে, আলস্য সে! তাইতো— অভ্র-অম্বু শৃঙ্গী-অম্বু লাগাই নিজের কাজে।
শেষ কোথা? পরিণাম প্রতিনিয়ত সম, আলস্যদোষ স্বতঃ এই জাহান এর কিছু প্রকৃতির, দিক-দিগন্তে এই দোষ, কিছু জেগে কিছু আবার নিষুপ্তি।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
গোবিন্দ বীন
শেষ কোথা?
পরিণাম প্রতিনিয়ত সম,
আলস্যদোষ স্বতঃ
এই জাহান এর কিছু প্রকৃতির,
দিক-দিগন্তে এই দোষ, কিছু জেগে কিছু আবার নিষুপ্তি।ভাল লাগল,আমার কবিতা পড়ার আমন্ত্রন রইল।ভোট রেখে গেলাম।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।