আজ ভোর থেকেই আবহাওয়াটা প্রতিদিনের চেয়ে একটু ভিন্ন রকম ছিল।মেঘ আর রৌদ্রের খেলা চলছিল অবিরত।আমি পড়ছিলাম।হঠাৎ দেখলাম বড় বড় বৃষ্টির ফোটা হালকা ভাবে ঝড়া শুরু করল। টেবিল ছেড়ে বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ালাম।এক পশলা বৃষ্টি ভেজা বাতাস আমার শরীরটাকে মৃদু সিক্ততায় উচ্ছল করে তুলল। সাথে অনেক বেশি আন্দোলিত হল আমার মন।আমি লক্ষ্য করলাম তারুন্যের স্বতঃস্ফ্থর্ততা।বৃষ্টি সজিবতা এনে দিয়েছিল আমার মনে।ফিরে পেয়েছিলাম মোহময় ভালবাসার আবেগ।দূর থেকেই স্পর্শে আর গন্ধে আপ্লুত হচ্ছিলাম বার বার।আর এই সবকিছু আমাকে হারিয়ে ফেলল আমার অতীত গভীরতায়।খুঁজে পেতে সাহায্য করল অশ্রু জরিত দিনগুলো।যার সত্যনিষ্ঠ এবং স্বার্থহীন ভালবাসা আজও আমায় কাঁদায়।এর কিছুই সে জানেনা।আমার প্রতি এত ভালবাসার কথা জানিয়ে সে যখন কিছুই জানতে পারেনি তখন হয়ত নিজেকে তার খুব ছোট মনে হয়েছে। অমার প্রতি হয়তবা তার খুব রাগ হত সে সময়।কিন্তু বহিঃপ্রকাশ হতনা একদিনও।তার সেই কষ্টগুলো অনেকগুন বড় হয়ে এখন আমার অশ্রুতে ঝড়ছে। অমার এখনো সৃষ্টির অনুপ্রেরণা আসে তার মুখচ্ছবি দেখে দেখে।আমার সাফল্য আর হতাসায় প্রথম যাকে মনে পড়ে সে 'তুমি'।আমার বন্ধু আত্তার।"গভীর রাত সবাই ঘুমিয়ে আছে,একাকি জেগে আছি আমি ভাবছি তোমায়।" গভীর রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে সে আমাকে নিয়ে জেগে থাকে-ভাবতে খুব আনন্দ হয় আবার কষ্টও হয়।আমাকে ভেবেই কেবল তার রাত কাটত পাওয়া হয়নি একদিনও।সে এখনো ভাবে কিনা, তবে আমাকে ভাবতে হয় তাকে।কেবল আমার জন্য তার ভিতরে সৃষ্টি হওয়া অনেক আকাক্ষা সেখানেই আবার মিলিয়ে গেছে।পূরনের তৃপ্তি মেলেনি কখনো। অনেক - অনেক আক্ষেপ আর কষ্ট তার চিঠিতে যা তখন সে পেয়েছিল।এই এতকিছু এখন আমায় খুব কাঁদায়।তার মত করে আর কেউ বলেনি কখনো-'please Drubo don’t forget me.'আমিতো তো ভুলতে পারিনি।হয়ত পারবোওনা কোনদিন।মাঝে মাঝে অনেককিছু না ভেবেই ছুটে যেতে ইচ্ছা করে তার কাছে।তার স্পর্শ পেতে ইচ্ছা করে খুউব।কিন্তু এই সব কিছু এখন কেবল ইচ্ছাতেই আবদ্ধ। বাস্তবতা সমাজ চোখের আড়ালে তাই - অপেক্ষায় আছি।