লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৮ মে ১৯৮৫
গল্প/কবিতা: ২৯টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

২০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftপরিবার (এপ্রিল ২০১৩)

অন্য জীবন
পরিবার

সংখ্যা

মোট ভোট ২০

জাজাফী

comment ১১  favorite ১  import_contacts ১,২৩৯
শিলাইদাহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ী। রোজ এখানে শত শত মানুষ আসে। রবীন্দ্র কুঠিবাড়ীর পশ্চিম দিকে একটু এগোলেই রিমাদের বাড়ী।ছোট বেলা থেকেই কুঠিবাড়ীর আসে পাশে ঘুরে ফিরে বড় হয়ে উঠেছে। এখানেই এক বিকেলে ফাহিমের সাথে তার পরিচয় হয়। আস্তে আস্তে সেই পরিচয়টা আরো বড় হয়ে ওঠে। এবং সেটা প্রণয় পযর্ন্ত গড়িয়ে শেষে ভালবাসার স্বীকৃতি স্বরুপ দুজন বিয়ে করে। বেশ সুখেই কাটছিল তাদের ভালবাসায় পরিপূর্ণ ছোট্ট সংসার। এক বছর যেতে না যেতেই দুজনের মনটা খারাপ হয়ে ওঠে। তাদের এতো এতো সুখের মাঝেও আসলে তারা সুখে নেই। তাদের ঘরে কোন ছোট বাচ্চা নেই। অনেক চেষ্টা করেও কোন কাজ হচ্ছেনা। পরিচিত অন্য দম্পতি যখন তাদের সন্তানদের নিয়ে বিভিন্ন পার্টিতে যায় বিভিন্ন পার্কে যায় তখন রিমা আর ওর স্বামীর মনটা আরো খারাপ হয়ে ওঠে। ওরা ঢাকায় আসে বড় ডাক্তার দেখানোর জন্য। কিন্ত ডাক্তাররা জানিয়ে দেন যে তাদের ঘর আলো করে কোন দিন কোন সন্তান আসবেনা। এতে দুজনের মনটা আরো খারাপ হয়ে যায়।দুজন সিদ্ধান্ত নেয় ঢাকাতেই তারা থেকে যাবে।সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পলাশীতে ওরা একটা ছিমছাম বাসা ভাড়া করে। একতলা বাসা কোন ঝামেলা নেই। সামনে খোলা মাঠ এবং অনেক রকমের গাছ পালা। বাসার সামনে আরো কয়েকটা বাসা। সেসব বাসায় ছোট ছোট ছেলে মেয়ে আছে। তাদের দেখেই ওরা নিজেদের দুঃখ ভুলার চেষ্টা করে।কাজের সন্ধান করতে করতে ফাহিম একটা কাঠ পেন্সিল কোম্পানীতে চাকরি পেয়ে যায়। মাসে বেতন মোটামুটি ভালই। ওদিকে রিমাও একটা স্কুলে চাকরি নেয়। সারাদিন স্কুলে বাচ্চাদের সাথে মিশতে মিশতে তার মনেই হয়না যে তাদের কোন ছেলে মেয়ে নেই আর কোন দিন হবেওনা।এতে ফাহিম এক দিক থেকে বেচে গেছে অন্তত ভালোবাসার মানুষটিকে মুখ গোমরা দেখতে হচ্ছেনা।পেন্সিল কোম্পানীতে সে একজন মাঝারি মাপের কর্মকর্তা। যদিও ফাহিমের বাবার অগাধ সম্পত্তি তার পরও তার বাবা তার ওপর খুশি নন। তিনি আশা করতেন তার একটা নানি ছেলে বা নাতি মেয়ে থাকবে যাকে নিয়ে তার বেশ কাটবে কিন্ত ফাহিম এবং রিমা সেই আশা পূরণ করতে পারেনি বলে তার বাবা খুব আপসেট। এভাবেই দুই বছর কেটে গেল।ভালবাসার স্মৃতি হিসেবে ওরা বাসর রাতে একটা ডায়রিতে ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা লিখে রেখেছিল। এমনকি তাদের সন্তানের নাম কি হবে তাও লিখে রেখেছিল। যখন কোন সম্ভাবনাই থাকলোনা তখন দুজনে মিলে তাদের বাসার পাশে গাছে পরিপূর্ণ বাগানে গর্ত খুড়ে সেই ডায়রিটা পুতে রাখলো। এর পর তারা বলতে গেলে সেই ডায়রির কথা ভুলেই গেল। এক রাতে প্রচন্ড ঝড় উঠলো। চারদিকে সব ওলট পালট হয়ে যেতে লাগলো। বৈদ্যুতিক বাতি গুলো ফিউজ হতে থাকলো। দরজার কবাট গুলো বাড়ি খেতে লাগলো।ফাহিম এবং রিমা দুজনেই ঘুম থেকে উঠে পড়লো। রান্না ঘরের দরজা লাগালো, বাইরের জানালাগুলো লাগিয়ে ওরা যখন স্টোর রুমের দরজা লাগাতে যাবে তখন একটা জিনিষ দেখে চমকে উঠলো। চাউলের বস্তার পাশে অন্ধকারে কিছু একটা নড়ছে।হাতের টর্চ ওদিকে ফেলতেই ওদের দুজনের চক্ষু ছানাবড়া। সারা শরিরে কাদা মাখা আট বছরের একটা ছেলে বসে আছে। গায়ে কোন কাপড় নেই কেবল পরনে একটা থ্রিকোয়ার্টার প্যান্ট।রিমা ছেলেটার কাছে আসতেই ছেলেটা একটু নড়ে চড়ে উঠলো এবং কথা বলে উঠলো আমি তাসিন। রিমাও মুখে হাসি ফুটিয়ে বললো হাই তোমার সাথে পরিচিত হয়ে খুশি হলাম।তোমার গায়েতো দেখছি কাদায় ভরা চলো তোমাকে গোসল করিয়ে দিই। ছেলেটি রাজি হয়ে গেল।রিমা ওকে খুব যত্ন করে সাবান দিয়ে ওকে গোসল করিয়ে দিল। যা সুন্দর দেখতে ছেলেটা রিমা যেন ওর দিক থেকে চোখ ফেরাতে পারছিলনা। ওদিকে ফাহিম থানাতে তার এক বন্ধুকে ফোন করতে করতে যেখানে ছেলেটিকে গোসল করাচ্ছিল সেখানে চলে আসলো। সে কেবল তার পুলিশ বন্ধুকে বলতে শুরু করলো যে একটা আট বছরের ছেলে.এটুকু বলেই সে থেমে গেল। আসলে সে থামতে বাধ্য হলো। হঠাৎ ছেলেটির দিকে তার চোখ পড়লো এবং সে নিজেও মুগ্ধ হয়ে গেল। এত সুন্দর ছেলে আর কোথাও নেই।ওদিকে ফোনে তার পুলিশ বন্ধু কথা বলেই চলেছে। শেষে ফাহিম তাকে বললো না কিছুনা এমনি বলেই ফোন রেখে দিল।থানা ছিল বাসা থেকে একটু মাত্র দূরে। পুলিশ সন্দেহ নিয়ে খোজ নিতে আসলো। শেষে ফাহিম আর রিমা বিভিন্ন কৌশলে পুলিশ বিদায় করলো। এ ক্ষেত্রে রিমা এবং ফাহিম দুজনেই উপস্থিত বুদ্ধির দারুন এক চমক দেখাতে সক্ষম হয়েছিল। পুলিশ আসতেই ফাহিম বললো দেখুননা ডাক্তার বলে দেয়ার পরও সে কেমন বায়না ধরেছে একটা সন্তানের। রিমাও ব্যাপারটা বুঝে উত্তর দিলো নিজের না হোক একটা সন্তান দত্তকতো আমরা নিতে পারি। পারিবারিক ঝামেলায় জড়াতে না চেয়ে পুলিশ বিদায় হলো। এবার ওরা তাড়াতাড়ি রুমে ঢুকে তাসিন নামের সদ্য পাওয়া ছেলেটিকে ঘিরে ধরলো। ও কোথা থেকে এসেছে ওর বাবা মা কোথায় ইত্যাদি জানার চেষ্টা করলো। তাসিন বললো আমি তাসিন, আমার বাবা মা কেউ নেই আর আমি এসেছি বাগান থেকে। ওর শেষ কথাটা রিমা এবং ফাহিমের কাছে একটু রহস্যজনক মনে হলো। ওরা প্রশ্ন করলো বাগান থেকে এসেছ মানে? তাসিন নামের আট বছরের ছেলেটা জানালো যে সে মাটি ফুড়ে বেরিয়েছে। সে আসলে একটা গাছ একটা বৃক্ষ। ওর কথা শুনে রিমা এবং ফাহিম হেসে ফেললো। তাসিন তখন বললো বিশ্বাস হচ্ছেনা এই দেখ আমার পায়ের দিকে তাকাও। এবার রিমা এবং ফাহিমের চোখ ছানা বড়া হয়ে গেল। তাসিনের পায়ে গাছের পাতা গজিয়েছে। ওরা সেটা কাচি দিয়ে কাটার চেষ্টা করলো দেখা গেল কাচি ভেঙে যাচ্ছে।।এর পর তারা তাসিনকে নিয়ে বাসার বাইরের ফুলবাগানে গেল। সেখানে গিয়ে তারা আরো অবাক হলো। ঠিক যে স্থানে তারা ভালবাসায় ভরপুর সেই ডায়রিটা মাটিতে পুতে রেখেছিল সেই স্থানটা খুড়ে কিছু একটা বেরিয়েছে। তখন তাদের বিশ্বাস হলো যে তাসিন মাটি ফুড়ে উঠেছে।ওরা ঘরে ফিরে আসলো। ওরা দুজন ভীষণ খুশি আল্লাহ ওদের জন্যই হয়তো এই ছেলেটিকে পাঠিয়েছে। ওদেরকে অবাক করে দিয়ে তাসিন বললো আমি তোমাকে মাম্মি বলে ডাকি? তাসিনের কথা শুনে আনন্দে রিমার চোখে পানি চলে আসলো।তাসিনকে পরদিন সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া হলো তাদের ছেলে হিসেবে। কিন্ত প্রথম দিকে তাসিন একটু সমস্যা করছিল। যাকে দেখছিল তাকেই বলছিল আমি তাসিন আমি মাটি ফুড়ে বেরিয়েছ। অন্যরা ওর কথা শুনে হাসতে শুরু করলো। রিমা আর ফাহিম ওকে সব কিছু শেখালো।তার পর থেকে তাসিন কাউকেই বলেনি যে সে মাটি ফুড়ে বেরিয়েছে। তার জন্ম মায়ের পেটে হয়নি।এর পর ওকে স্কুলে ভর্তি করে দেয়া হলো।গবর্নমেন্ট ল্যাবরেটরী স্কুলে ও ক্লাস ফোরে ভর্তি হলো।ওদিকে ওর পায়ে যে গাছের পাতা জন্মেছিল তা দিন দিন বড় হতে লাগলো। আর সেই সাথে সেটা থেকে মাঝে মাঝেই শুকনো পাতা ঝরে যেতে লাগলো।লম্বা মোজা দিয়ে সে তার পা ঢেকে রাখতো। তার এক বান্ধবী ছিল। সেও ওর মত সুপার ন্যাচারাল। সে একদিন ওকে জোর করে ওর পা দেখতে চাইলে ও তাকে লাথি মেরে সরিয়ে দিল। কেননা কেউ দেখে ফেললে সমস্যা হতে পারে।রিমা আর ফাহিমের আদরে তাসিনের বেশ ভালই চলছিল। হঠাৎ সব এলোমেলো হয়ে গেল। ফাহিমের কোম্পানী লস খেতে লাগলো। পেন্সিল যেন আর মানুষ কিনতেই চায়না।এরকম চরম মুহূর্তে তাসিন নামের আট বছরের ছেলেটাই এগিয়ে আসলো। সে তার বাবাকে বললো বাবা তুমি যদি গাছের পাতা থেকে পেন্সিল বানাও তবে তা অনেক সুন্দর হাতের লেখা দেবে এবং খরচও অনেক কম হবে। সেই কথা মতো দুজন মিলে ওর পা থেকে যে সব ঝরা পাতা পড়েছিল তা দিয়ে একটা পেন্সিল বানিয়ে ফেললো। সেটা ছিল অসাধারণ।সেই পেন্সিলটা নিয়ে কোম্পানীর মালিকের কাছে দেয়ার পর সে বলতে গেলে পাত্তাই দিলনা। শেষে মন খারাপ করে ফিরে আসলো। একদিন দুদিন করে করে বুঝিয়ে রাজি করানো গেল এবং সত্যি সত্যি গাছের পাতা থেকে অসাধারণ পেন্সিল তৈরি হতে লাগলো যার মধ্যে প্রধান উপাদান হিসেবে মেশানো হলো তাসিনের পায়ে জন্ম নেয়া পাতার কিছু অংশ। এক আড়ম্বর পূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মালিক ঘোষণা করলেন এই আবিস্কারকের নাম ও পরিচয়। হতাশ হতে হলো তাসিন আর রিমা ও তার স্বামী ফাহিমকে। তাদের নাম না বলে অন্য একজনের নাম বলা হয়েছে। শেষে সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করলো কিভাবে এই পেন্সিল তৈরি করা হলো কিভাবেএই পরিকল্পনা মাথায় আসলো। যে লোকটাকে এই পেন্সিলের আবিস্কারক বলা হয়েছে সে সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারলোনা। ফাহিম দাবী করেছিল যে সে আর তার পরিবার এটার আবিস্কার করেছে তখন সবাই ওকে তাচ্ছিল্য করলেও যখন দেখা গেল আগের মানুষটা সঠিক উত্তর দিতে পারছেনা তখন ফাহিমকে প্রশ্ন করা হলো। এক পর্যায়ে প্রশ্ন করা হলো সেই অসাধারণ যে পাতা মিশানো হয় সেটা কোথা থেকে পেয়েছে তখন সে কিছুই বলতে চাচ্ছিলনা। তখন তাসিন তাকে বিপদ থেকে বাচালো। সে স্টেজে উঠে বললো আমার পায়ে সেই পাতা জন্মায়। ওর কথা শুনে সবাই অট্ট হাসিতে ফেটে পড়লো। মানুষের পায়ে কখনো পাতা জন্মায় নাকি! শেষে তাসিন তার পা থেকে মোজা খুলে সবাইকে দেখালো এবং কেউ কেউ তা ছুয়ে দেখলো। সবাই আশ্চর্য থেকে আশ্চর্য হয়ে গেল এবং ঘোষণা করা হলো সত্যিকার অর্থে এই পেন্সিলের আবিস্কারক তাসিন এবং তার পরিবার। সবাই অনেক অনেক হাত তালি দিল।সেই পেন্সিলের নাম ফেবার ক্যাসল যা সবার কাছে অতি জনপ্রিয়। এর পরই কোম্পানী অনেক লাভবান হতে শুরু করলো।ফাহিম এবং রিমার আর কোন দুঃখ থাকলোনা। প্রিয় সন্তানআছে চাকরিতে বেশি বেতন পাচ্ছে। কিন্ত ওরা জানতো না যে সব সুখের্ আড়ালেই দুঃখ থাকে। এর পরদিন রাতেই আবার সেই আগের মত প্রচন্ড গতিতে ঝড় উঠলো। রিমা সব ঘরের দরজা জানালা বন্ধ করলো এবং তাসিনের পাশে এসে বসলো। সেই সময় ফাহিমও তাদের পাশে ছিল। এবার তাসিন কথা বলা শুরু করলো। আমার যাবার সময় হয়ে এসেছে।আমার পায়ে জন্ম নেয়া পাতাও শুকিয়ে গেছে। ওর কথা শুনে রিমা বাক হারা হয়ে গেল। ওকে বুকে জড়িয়ে ধরলো। এর পরই তাসিন তার আলিঙ্গন থেকে বেরিয়ে দরজা দিয়ে বেরিয়ে গেল। ওরা ছুটে বেরিয়ে কোথাও আর তাসিনকে পেলোনা। কেবল দেখলো যেখানে তারা তাদের সেই ভালবাসার ডায়রিটা পুতে রেখেছিল সেই মাটিটা আবার চাপা দেখা হয়েছে। পাগলের মত ওরা সেই মাটি খুড়তে লাগলো। কিন্ত তাসিনকে খুজে পেলনা। শুধু পেলো তাদের সেই রেখে দেয়া ডায়রি। ডায়রির পাতা উল্টাতেই তারা চমকে উঠলো। একটা পাতায় তাসিনের হাতের লেখা। সেখানে লেখা ছিল মাম্মি ড্যাডি আই উইল মিস ইউ। ফাহিম আর রিমার চোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়লো। ধরা গলায় বললো সান উই উইল মিস ইউ ঠু।

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • এফ, আই , জুয়েল
    এফ, আই , জুয়েল # অনেক সুন্দর ।।
    প্রত্যুত্তর . ৬ এপ্রিল, ২০১৩
  • এশরার লতিফ
    এশরার লতিফ পরাবাস্তব গল্প, তবে অনেক সুন্দর, শেষে গিয়ে মনকে মোচড় দিলো .
    প্রত্যুত্তর . ৮ এপ্রিল, ২০১৩
    • জাজাফী সত্যটা স্বীকার করে নেয়াই হচ্ছে সবচেয়ে বড় সাফল্য। আসলে এই গল্পটা একটা বিদেশী উপন্যাসের সার সংক্ষেপ। উপন্যাসটির নাম The Odd Life of Timmothi Green আমি এই উপন্যাসটি প্রকাশের পর প্রায় তিন চার মাস ধরে বাংলাদেশের বাজারে খুজেছি পাইনি। অবশেষে বাইরে থেকে এনে পড়েছি। অসাধারণ। ঠিক এই ঘটনাটাই ঘটেছিল টিমোথি নামের এগার বছরের ছেলেটার জীবনে। সে এসেছিল সন্তানহীন এক দম্পতির ঘরে আবার হারিয়েও গিয়েছিল হঠাৎই। তবে তাদের পেন্সিল ব্যবসাটা ঠিকই দাড় করিয়ে দিয়ে গিয়েছিল।
      প্রত্যুত্তর . ১২ এপ্রিল, ২০১৩
  • মোঃ কবির হোসেন
    মোঃ কবির হোসেন জাজাফী আপনার গল্পটা হৃদয় ছুয়ে গেল, অবাস্তব হলেও মানুষের কল্পনার ভেতরের একটা চাওয়া সুন্দরভাবে তুলে এনেছেন, গল্পটি আমার কাছে ভাল লেগেছে. ধন্যবাদ.
    প্রত্যুত্তর . ১০ এপ্রিল, ২০১৩
    • জাজাফী সত্যটা স্বীকার করে নেয়াই হচ্ছে সবচেয়ে বড় সাফল্য। আসলে এই গল্পটা একটা বিদেশী উপন্যাসের সার সংক্ষেপ। উপন্যাসটির নাম The Odd Life of Timmothi Green আমি এই উপন্যাসটি প্রকাশের পর প্রায় তিন চার মাস ধরে বাংলাদেশের বাজারে খুজেছি পাইনি। অবশেষে বাইরে থেকে এনে পড়েছি। অসাধারণ। ঠিক এই ঘটনাটাই ঘটেছিল টিমোথি নামের এগার বছরের ছেলেটার জীবনে। সে এসেছিল সন্তানহীন এক দম্পতির ঘরে আবার হারিয়েও গিয়েছিল হঠাৎই। তবে তাদের পেন্সিল ব্যবসাটা ঠিকই দাড় করিয়ে দিয়ে গিয়েছিল।
      প্রত্যুত্তর . ১২ এপ্রিল, ২০১৩
  • আরমান হায়দার
    আরমান হায়দার ভিন্ন বাস্তবতার গল্প। ভাল লাগল।
    প্রত্যুত্তর . ১০ এপ্রিল, ২০১৩
  • তাপসকিরণ রায়
    তাপসকিরণ রায় অবাস্তব কাহিনী--তবু বলবো মনোগ্রাহী।ধন্যবাদ।
    প্রত্যুত্তর . ১১ এপ্রিল, ২০১৩
  • সুমন
    সুমন গল্পটা খুব মনযোগ দিয়েই পড়লাম, তবে একটা জায়গায় হেসে ফেলেছি "ফেবার ক্যাসেল"। যাকগে হয়ত ফেবার ক্যাসেল এর এমন একটা ঘটনা থাকতেও পারে :)। শেষে একটা কথা বলতেই হয় খুব ভালভাবেই গল্পটা মন ছুয়েছে।
    প্রত্যুত্তর . ১২ এপ্রিল, ২০১৩
    • জাজাফী সত্যটা স্বীকার করে নেয়াই হচ্ছে সবচেয়ে বড় সাফল্য। আসলে এই গল্পটা একটা বিদেশী উপন্যাসের সার সংক্ষেপ। উপন্যাসটির নাম The Odd Life of Timmothi Green আমি এই উপন্যাসটি প্রকাশের পর প্রায় তিন চার মাস ধরে বাংলাদেশের বাজারে খুজেছি পাইনি। অবশেষে বাইরে থেকে এনে পড়েছি। অসাধারণ। ঠিক এই ঘটনাটাই ঘটেছিল টিমোথি নামের এগার বছরের ছেলেটার জীবনে। সে এসেছিল সন্তানহীন এক দম্পতির ঘরে আবার হারিয়েও গিয়েছিল হঠাৎই। তবে তাদের পেন্সিল ব্যবসাটা ঠিকই দাড় করিয়ে দিয়ে গিয়েছিল।
      প্রত্যুত্তর . ১২ এপ্রিল, ২০১৩
  • জাজাফী
    জাজাফী গল্পকবিতা ডটকম দিন দিন পাঠক লেখকদের মিলন মেলায় পরিণত হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় গুগলের মত সার্চ ইঞ্জিনে খুব সহজেই গল।প কবিতার লিংক পাওয়া যাচ্ছে। এটা বেশ আনন্দের ব্যপার।
    প্রত্যুত্তর . ১৩ এপ্রিল, ২০১৩
  • মোঃ আক্তারুজ্জামান
    মোঃ আক্তারুজ্জামান সুন্দর লিখেছেন| তবে প্যারা আকারে লিখলে আরো দেখতে সুন্দর লাগত| ধন্যবাদ|
    প্রত্যুত্তর . ১৫ এপ্রিল, ২০১৩
  • মিলন  বনিক
    মিলন বনিক বিদেশী গল্প অবলম্বনে লেখা গল্পটা খুব ভালো লাগলো....আপনার বক্তব্যের জন্য সাধুবাদ....অনেক অনেক শুভ কামনা....
    প্রত্যুত্তর . ২৩ এপ্রিল, ২০১৩
  • খন্দকার আনিসুর রহমান জ্যোতি
    খন্দকার আনিসুর রহমান জ্যোতি অনেক ভাল একটা গল্প পড়লাম .....খুব ভাল লাগলো.....তবে প্যরা করে লিখলে গল্পটি পড়তে আরো সুবিধা হতো......জাজাফী আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ..........
    প্রত্যুত্তর . ২৮ এপ্রিল, ২০১৩

advertisement