হাতের বাঁধন খুলতেই সেই ঘোড়ারোগ শুচিবায়ু রোগের কফিনে আবদ্ধ তার গ্রীবা মগজের তারগুলি আর মুখ ভালোবাসি বলতেই এক হাত সরে গিয়ে বললো, এ্যাঁ! মনটাকে ধুয়েছো তো? ডেটল ও চন্দনের সুবাস কোথায়? মাথায় তখন এক হালি মাছির রা চোখের কোটরে রংধনু আর প্রজাপতি একশত চারে থেমে নেই জ্বর; ঘোরে প্রলাপ বকছি; ছুঁয়ে দেখো হৃদয়ের তাক এ হৃদয় শুধু তোমার ছবিই আঁকে ধুয়ে এনেছি হিমালয়ের তুষারের দ্বারা ফটিকের মতো আরশিতে চেয়ে দেখো তসবির তোমার, দূর হয়ে যাবে বাটা ভরা পান সুপারির রোগ।
তারপর আরো অবাক হয়েছি আমি যখন বলেছো তুমি, বিড়ি খাও নাকি? বলেই রুপোর হাতে ধরেছো সোনার নাক যেনো তুমি দাঁড়িয়েছো বুড়িগঙ্গার তীরে তোমার নুইয়ে পড়া গালিচা চিবুক ছুঁয়ে। বললাম ধীরে অথচ দৃঢ় স্বরে বিড়ি! সিগারেট! আমিতো খাই না হায়রে কপাল এ কেমনতরো রোগ!
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
ম নি র মো হা ম্ম দ
তারপর আরো অবাক হয়েছি আমি
যখন বলেছো তুমি, বিড়ি খাও নাকি?
বলেই রুপোর হাতে ধরেছো সোনার নাক
যেনো তুমি দাঁড়িয়েছো বুড়িগঙ্গার তীরে
তোমার নুইয়ে পড়া গালিচা চিবুক ছুঁয়ে। reza karim ভাই খুব ভালো লেগেছে ।শুভকামনা রইল...আসবেন আমার পাতায়,মন্তব্য জানালে অনেক খুশি হবো।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।