সেদিনও পড়শি বাড়ি ধুলোমাখা বাড়োয়ারী হাট
আলপথেই লুটে নেবে দিনের প্রথম সোনা রোদ
ফিসফিসিয়ে বদলে যাবে চ্যানেলের সিরিয়াল
সময়ের কফিনে কেউ ঠুকে দেবে অন্তিম কাঁটা
শান্ত শারদ হাওয়ায় উড়ে যাবে বিচ্ছিন্ন কাঁশ
জান্লাটা খোলা পেয়ে ঢুকে যাবে নিশ্চুপ আকাশ
ক্ষুধার্ত কাকটাও বসবে এসে জানালার শার্শিতে
কেঁপে উঠবে মুঠোফোন প্রেমিকার এসএমএস এ
সবকিছুই আগের মতো, লিখে রাখা রুটিন মাফিক
সূর্য উড়ে এসে অস্ত যাবে, বাতাস বয়ে যাবে ঠিকঠাক
বাবা ডেকে বলবে না আর, “ভাত খেয়ে যা সুমন”
সেদিন- সেদিনই প্রথমবার তুমি আমাদের কাঁধে
একবারও চাইবে না জানতে, “কষ্ট হচ্ছে তোদের?”
কত দিন কত রাত বাবা- কত ঠুনকো অভিমানে
কাঁদিয়েছি তোমায়, সুস্পষ্ট স্পর্ধায়, অকারনে...
কেঁদেছিও খুব, তুমি দেখো নি... তুমি অসুস্থ হলে
নাকে খাবারের নল, ক্যানুলায় স্যালাইন অথবা
বর্জ্যের থলে লাগানোর কালে, খুব গোপনে
পলাশকে লুকিয়ে, রুবেল রণির চোখ বাঁচিয়ে
তুমি জানবে না বাবা বোকাগুলোও লুকিয়ে আমায়...
তবু গোপনেই থেকে যাবে, কতটা ভালবাসি তোমায়