শহরের পথ দিয়ে তুমি হেঁটেছ
তা চিনে রেখেছে চোখ
পরিচিত সে রাস্তায় প্রতিদিন সব কিছু বদলায়
কিন্তু একই পায়ে হেঁটে যাও একই সময়ে
প্রতিটা ভোরে চলন নাম নেয় নতুন কোন নাটক
কেননা বাস্তবকে আমি মেনে নিতে শিখিনি তাই অভিনয় মনে হয়
এক পথ এক মানুষ শুধু দু’পাশ অবিরত দর্শক বদল ।
তোমার মা বুড়িয়ে যায় আর শহরের ধারে কবরের জায়গা কিনে নেয়
আমি লাশ কাঁধে বাবাকে কবর দিয়ে আসি আর ঘরের আগুন উত্তাপ ছাড়ায়
কামরা থেকে মহল্লায় তারপর শহরে শহরে
সেই আগুন নেভায় না অগ্নিনির্বাপক কোন কর্মী
এখন সব কিছু একা সবার অনধিকার প্রবেশ নিষিদ্ধ ।
তবে জবানের নিলাম দিলাম; আমার কবরে তোমার প্রতিটা পদক্ষেপ গ্রহণযোগ্য ও কাম্য
শেষটাও পাথর হবে না নিখাদ মাটিই রয়ে যাবে
মনে রেখ নরম হৃদয়ের মাটি থেকে তুমি বিচ্ছিন্ন হবে না
ঠিক মাঝটায় হাত দিয়ে শুনে যাবে আমার না বলা কথা ।
তবুও যে কথা আমি মাকে বলেছি বহুবার যদিও বলার প্রয়োজন ছিল না
কিছু বিষয় আছে যা কুরআনে লেখা থাকে না ঠিক তেমন
তোমাকে না বলা আমার গুপ্তধনের সকল সত্ত্ব লিখে দিয়ে রেখেছি মা’কে
তাই মায়ের কসম বলে বলতে হবে না আজও; তোমাকে আমি ভালবাসি
মা’ই জানিয়ে দিক তার গর্ভের সন্তান
চোখে নিয়ে ভালবাসা যে ঘুম ঘুমায় তার সম্পূর্ণ দায় তোমার ।
আমি নিস্তব্ধতার সমাধি এভাবেই করতে চেয়েছে: -
যে পথ দিয়ে হেঁটে এসেছ তার শেষ থেকে আবার শুরু
আমার রক্তের স্রোত সন্তান হোক তোমার জঠরে
যে বয়ে নিয়ে যাবে আমার ভালবাসা এই পথের পথিকের মতো
আজন্ম দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর ।