লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২৩ নভেম্বর ১৯৭৫
গল্প/কবিতা: ৬৫টি

সমন্বিত স্কোর

৪.২

বিচারক স্কোরঃ ২.৫৭ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৬৩ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftগভীরতা (সেপ্টেম্বর ২০১৫)

সিঞ্চিত অনুরণন
গভীরতা

সংখ্যা

মোট ভোট ১৯ প্রাপ্ত পয়েন্ট ৪.২

ফাহমিদা বারী

comment ১৪  favorite ৩  import_contacts ১,০৯৮
সেই কোন বিস্মৃত শৈশবে…
খেলাচ্ছলে লুকিয়ে থাকা গল্প-কথার ছলে
আমিও খুঁজে পেয়েছিলাম জীবন নামের এক মহীরুহের অস্তিত্ব।
শিশুমনের সাদা ক্যানভাসের অকৃপণ বিশালতায়,
জলরঙে এঁকেছিলাম সেই জীবনের নানা অনুষঙ্গ, টুকরো টুকরো উপকথা।
শিশুর চোখে ধরা দেওয়া সেই বিশাল মহীরুহে
জড়িয়ে ছিল হাজারো শাখা-প্রশাখা, গুচ্ছ গুচ্ছ ঘন পল্লব;
মায়া মমতায় জড়াজড়ি দিগন্তবিস্তৃত সবুজের আবাহন।
নিজের আঁকা সেই সুবিশাল মহীরুহের অসীম ব্যাপকতায়
আচ্ছাদিত ছিল আমার সমগ্র মনন,
প্রজাপতির ডানায় উড়িয়ে দেওয়া আমার বেয়ারা অবাধ্য ইচ্ছেগুলো।
জলরঙে আঁকা সেই অপরূপ ক্যানভাসে
হয়ত আমারই অসাবধানে মিশে গেছে অবাঞ্ঝিত কিছু ভুল রং, আঁকিবুকি...
কালের অনিবার্য পরিক্রমায়।
মহীরুহের প্রতিকৃতিটাকে কেন জানিনা ভীষণ অসম্পূর্ণ মনে হয় আজ;
শাখা আর পত্রপল্লবের ফাঁক গলে উঁকি মারতে চায় পরগাছা,
অবিচ্ছেদ্য অংশীদার হতে চায়
বাকল জুড়ে ছড়িয়ে থাকা অজস্র কালের ধকল।
শৈশবের মায়াজড়ানো সেই অবিকল প্রতিকৃতি
আর ভেসে ওঠেনা মনের ছায়ায়।
ক্ষণে ক্ষণে বদলে যাওয়া রংগুলো বিকৃত ভঙ্গিতে উপহাস করতে থাকে;
অন্যরকম এক আদলে গড়ে নিতে চায়
আমার আজন্মলালিত জীবনের সেই একান্ত ভাবনাটিকে।
প্রতিকৃতি নয়,
আজ বাস্তবতার নিরেট সাজে সমাগত
মূর্তিমান রক্তমাংসের অবয়ব সে এক।
যাকে সজ্জিত করে চলেছি অভিজ্ঞতার পোড়খাওয়া বুনটে।
কুশলী হাতের ছোঁয়ায় বর্ণিল ফোঁড় তুলে
বুনে চলেছি রোজ এক অপরুপ নকশিকাঁথা,
যার উলটো পিঠের অসুন্দর গিঁটগুলোকে লুকিয়ে রাখতে শিখেছি
অতি সুনিপুণ কৌশলী দক্ষতায়..।।




advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement