লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৩ মার্চ ১৯৯৭
গল্প/কবিতা: ৬টি

সমন্বিত স্কোর

১.৫৩

বিচারক স্কোরঃ ০.৯৩ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ০.৬ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftঘৃনা (আগস্ট ২০১৫)

পাপিষ্ঠ প্রেম
ঘৃনা

সংখ্যা

মোট ভোট প্রাপ্ত পয়েন্ট ১.৫৩

আল্ আমীন

comment ২  favorite ২  import_contacts ১,১৬৮
একটু পরে যে লোকটি মারা যাবে তার নাম সাহেন সে বিষের
বোতল নিয়ে ঘুরছে সুসাইট করতে চায়। এ পৃথিবীর একটা-সেকেন্ড ও তার সহ হয়না। এ পৃথিবীর অক্সিজেনের সঙ্গে ও জেনো ভিষ জড়িয়ে রয়েছে। সেই মেয়েটার হাসি তার চোখের সামনে ভেসে উটছে।এই হাসিতে স্নিগ্ধ তার ছায়া নেই মায়া নেই আদর নেই। আছে
শুধু বিষাক্ত একটা ছুবল। মেয়েটার নাম উর্মিতা স্নিগ্ধ একটা মেয়ে। কিন্তু সাহেন মেয়েদের প্রতি কখন দুর্ভল ছিলনা।সাহানের বারান্দায়
পিঞ্জারাতে রয়েছে দুটি টিঁয়া পাখি। চার দিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ফুলের গাছ। রাত্রে ভেলা এখান থেকে চাঁদ দেখা যায়।চাঁদের আলো বারেন্দায় এসে পরে। সাহেন চাঁদের আলয় বসে বসে রাত জেগে কবিতা লেখে ও বিকেল ভেলা বারেন্দায় বসে গান
করে। সেই দিন ঝিরি ঝিরি বিষ্টি ছিল সাহেন গীটার হাতে সুর তুলছিল। বিষ্টি ভিজা শরীরে হেটে আসছিল উর্মিতা উর্মিতা
সঙ্গে তার ছুট্ট বোন্ ইভা সাহানের চোখ যায় সেদিকে। গীটারের শব্দ শুনে উর্মিতা ও তাকায় বারেন্দায়। অনেক খন তাদের চোখা
চুখি হয়।¤সেই চুখা চুখি আজ সাহেন ভুলতে পারেনা। সেই দিন উর্মিতাকে যতাটা স্নিগ্ধ দেখাচ্ছিল আজ সাহানের চোখে
সেই মেয়েটি পছা দুর্গন্ধ যুক্ত একটি বস্তু।সাহেন আজ সেই মেয়েটি জন্য সুসাইট করতে যাচ্ছে। উর্মিতাকে নিয়ে ভাবতে চাচ্ছেনা
সাহেন কিন্তু মাতা থেকে ভাবনা গুলু সরছেনা। স্মৃতি গুলু চেপে বসেছে তার মাতায়। ¤কোন এক বিকেলে রিক্সায় যাচ্ছিল সাহেন।
প্রতিবারই সাহেনের চোখে ভেসে উঠছিল সেই উর্মিতার চোখ। এই শহরের অলিতে গলিতে শত মানুষের ভীড়ে শুধুই উর্মিতা
উর্মিতা। এই স্নিগ্ধ বিকেল স্নিগ্ধ মেয়ে উর্মিতা তার সারা শরীর জুড়ে রয়েছে। কখনো কখনো যেন এই রিক্সা ওলা হরণের
শব্দে ইষ্পর্শ করে উর্মিতাকে। হঠাত তার ফোন ভেঁজে উঠল। সাহেন রিসিভ করে বলল হ্যালো কে? আমি উর্মিতা। শব্দ শুনে
মনোজগৎ জেনো কেঁপে কেঁপে উঠল। ওহ আচ্ছা ঊর্মিতা কেমন আছ? ভাল। আচ্ছা তুমি কি মার সঙ্গে পার্কে আদেখা করতে পারবে?

অবশ্যই। আচ্ছা পার্কে আস আমি তুমার জন্য অপেক্ষা করতেছি। গোলাপ হাতে দৌড়াচ্ছে সাহেন। ঊর্মিতার সামনে দাড়িয়ে গোলাপটি
পিছনে লুকিয়ে রাখে সাহেন। সাহেনের মনোজগতে ডেউ খেলে যাচ্ছে। সাহেনের ধম আখটে আখটে আসছে।তুমার পিছনে হাতে
উঠা কি? খই অহ হে ওটা গোলাপ তুমার জন্য। মুচকি হাসি দিয়ে গোলাপটি হাতে নেয় উর্মিতা। চল আমরা ফুচকা খেতে
খেতে কথা বলি।¤মাতা টেবিলের উপরে ঠেকিয়ে বসে ছিল সাহেন।মাতা তুলে টিবুলের উপরে রাখা জিনিস গুলু মাটিতে ফেলে দেয়। তার সঙ্গে কাটানু প্রত্যেকটা স্রিতি কত বিকত করছে সাহেন কে এই স্মৃতি নিয়ে বেঁছে থাকতে চায় না সাহেন। গীটার হাতে রাস্তায়
হাটছে সাহেন মনে মনে গুন গুন সুরে গান গেয়েজায়। গানে লাইনে লাইনে উর্মিতা এসে জেন ছুঁয়া দিয়ে যায়।
উর্মিতার হাসির শব্দে নিজেকে খুজে পায় সাহেন। উর্মিতা রিস্কায় আর একটি ছেলে তার পাসে হাতে দুটো আইসক্রিম কি
প্রেম লীলায় হাসছে তারা। এই দৃশ্য দেখে জেন আঁকাশ ভেঙ্গে পড়ল তার মাতায় সাহেন রাস্তায় হাটতে পারছেনা। সেই সন্ধ্যা
থেকে এক হাতে মদ আর এক হাতে ভিষের বোতল। মদের বোতল বুকে নিয় ফ্লোরে শুয়ে আছে সাহেন চোখের জলে বিজে গেছে
শরীর।¤অনেক খন থেকে বিছানায় রাখা মোবাইল টিতে ফোন ভেঁজে যাচ্ছে। সাহেন মোবাইলটা হাতে নেয় ফারিয়ার ফোন ফারিয়া
সাহেনের বেস্ট ফ্রেন্ট। সাহেন ফোনটা রিসিভ করে। ওপাস থেকে ফারিয়া বলচ্ছে তুমি কুতায় অনেক খন দরে আমি ফুচকা
অলার সামনে বসে আছি। আমির আর ফুচকার গন্ধ সাম্লাতে পারছিনা। সাহেন রাতের আকাশটা আজ বড়ই সুন্দর তুমি তার
তারি আস। সাহেন তুমি শব্দটা শুনে চম্কে যায় ফারিয়ারত কখন আমাকে তুমি করে কথা বলেনে সব সময় তুই কেরে কথা
বলে। সাহেন মদের বোতল ছুঁড়ে ফেলে দেয় সাহেন লাল টিশার্টি পরে দৌড়াতে তাকে।ফারিয়ার পছন্দের রঙ লাল।

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement