লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২৩ আগস্ট ১৯৯০
গল্প/কবিতা: ৭টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

২২

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftগর্ব (অক্টোবর ২০১১)

ক'য়ে কবিতা
গর্ব

সংখ্যা

মোট ভোট ২২

boka bahadur

comment ১৮  favorite ০  import_contacts ৯৮০
সালঃ ১৮৮৭।
তারিখঃ জুলাই ১৫, শুক্রবার।
সময়ঃ বিকাল ৩ ঘটিকা ৩০ মিনিট।
স্থানঃ চিলেকোঠার ঘর।

কবি নিত্যানন্দ হালদার নিবিষ্ট মনে শিল্পের সাধন করিতেছেন। তাহার কলম হইতে কালি যেন একেকটি জ্যান্ত শব্দ হইয়া লাফাইয়া লাফাইয়া কাগজের উপর পতিত হইতেছে। পতিত হইয়া মাত্রই তাহারা থামিয়া যাইতেছে না, বরং একটুখানি ইতস্তত করিয়া কাগজের বুকে প্রাণের স্পন্দন ছড়াইয়া দিয়া তবে থামিতেছে। নিত্যবাবুর মনের সকল অনুভূতি প্রকাশের গর্বে তারা যেন কয়লার অগুনের ন্যায় উজ্জ্বল হইয়া জ্বলিতেছে। নিত্যবাবুর মন আজ বড়ই প্রফুল্ল। তাহা হইবে নাই বা কেন! তাহার এতদিনের চিন্তা যে আজ প্রাণ পাইয়া কাগজের বুকে নাচন-কুদন করিতেছে। আর সৃষ্টির আনন্দ স্রষ্টা ব্যাতিরেক কে পারিবে অনুধাবন করিতে? যে কবিতা আজ নিত্যবাবু লিখিতেছেন তাহা একদিনে তাহার মস্তকে আসন পাতিয়া বসে নাই। সেবার রাজা মুরালীচরণের নেমতন্ন পাইয়া মা দূর্গার পূজার সময় বলরামপুর যাইবার কালে পথের ধারে দুই কিশোর-কিশোরীর খেলা দেখিতে দেখিতে তাহার মনে উদয় হইয়াছিল। জাতে কবি বলেই হয়তো এতদিন পরও তাহার মনে সেই সময়কার কবিতা খানা আসন পাতিয়া নিয়াছিল। এইজন্য নিত্যবাবু একটুও বিরক্ত নন। সেবারের নেমতন্নে নিত্যবাবু সর্বদা কবিতা খানির চিন্তায় ডুবিয়া ছিলেন বলিয়া কাহারো সহিত তেমন কুশল জিজ্ঞাসা করেন নাই। এতে অনেকে ক্ষুদ্ধ হইয়াছেন বটে, তবে যাহারা কবি নিত্যানন্দ হালদার কে চিনেন তাহারা কবির এই স্বভাবসিদ্ধ ঔদাসীন্য ক্ষীন হাসিয়া মানিয়া লইয়াছেন। আর যাহারা মানিয়া লন নাই তাহারা যে বড় উচ্চবাচ্য করিয়াছিলেন তাহা নহে। নিত্যবাবুর এহেন ঔদাসীন্যের স্বীকার হইয়াছিলেন রাজা মুরালীচরণ স্বয়ং। তথাপি তিনি কিছুটা বিরক্ত হইয়াছিলেন বটে। নিত্যবাবু অবশ্য এসকল কিছুই অবলোকন করিলেন না। বলা যায় করিবার ফুরসত পাইলেন না। তাহার মাথায় তখন ঘুরিতেছিল কবিতা প্রসবের কথা। তিনি ব্যস্ত ছিলেন শব্দের পর শব্দ বসাইয়া ছন্দ-মাত্রা ঠিক করিয়া অর্থবহ একখানি কবিতা সাজাইবার তালে। এমনকি সেখান হইতে নিজ গৃহে ফিরিয়াও তাহার মাথা হইতে কবিতা খানি নামে নাই। আজ প্রায় দু’বছর পর তাহার এই কবিতা ভূমিষ্ট হইল। নিত্যবাবুর আনন্দিত হওয়াটাই স্বাভাবিক। কবিতা খানি যতোই আকৃতি পাইতেছে নিত্যবাবুর ততই নিজেকে ভারমুক্ত বোধ হইতেছে। অতঃপর দীর্ঘ গর্ভবন্ধন মুক্ত হইয়া যে কবিতা খানি প্রসব হইল নিত্যবাবু তাহার উপর শেষ বারের মত নজর বুলাইতেছেন-
অতিমানবী এক কিশোরী এবং সাধারণ এক কিশোর
তাহারা আপনাকে বাঁধিয়া লইয়াছে আপন বন্ধনে,
চন্দ্র-সূর্য পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করিয়া না ফিরিয়া আসিতেই পারে
উহারা তাহাতে বিন্দুমাত্র বিচলিত হইবে বোধ করি না।
কিশোরী হয়তো ভীষন রসিকতায় উচ্চস্বরে হাসিয়া কহিবে-
চল সখা, কাজলার বিলে শাপলা তুলিতে যাই।
সতত সুন্দর, সরল জীবন!
নিত্যবাবুর হিংসে হতে লাগলো কবিতার ন্যায় সহজ জীবনের নিমিত্তে। কিন্তু, চাহিলেই তো আর সব পাইবে না। অগত্যা নিত্যবাবু দীর্ঘশ্বাস চাপিয়া কবিতার খাতাখানা সযতনে উঠাইয়া রাখিলেন। এভাবেই একের পর এক কবিতার খাতা জমিতে লাগিল নিত্যবাবুর চিলেকোঠার ঘরে। তাহা হইতে কিছু বাহির হইয়া প্রকাশ পায়। আর কিছু থাকিয়া যায় কালের ঘুর্ণনে ছিটকে বেরিয়ে আশার প্রতীক্ষায়।





সালঃ ৩০৯৩।
তারিখঃ জুন ১৮, রবিবার।
সময়ঃ সকাল ৮ টা ২১ মিনিট।
স্থানঃ বেডরুম।

ইউক এর ঘুম ভাঙল প্রচন্ড এলার্মের শব্দে। এই শব্দটি ইউকের সবচেয়ে বিরক্ত লাগে। কিন্তু এটা এড়ানোর জন্য কিছুই করা থাকে না তার। সে যদি কখনো এলার্ম সেট না করে ঘুমায় তবে তার পরিচর্যাকারী রোবট সেট করে দেয়। তাই, এই বিচ্ছিরি শব্দ এড়ানো তার পক্ষে সম্ভব হয় না। ইউক প্রচন্ড আলসেমী নিয়ে চোখ খুলে দেখতে পায় তার পরিচর্যাকারী রোবট কিউভি চায়ের কাপ হাতে দাঁড়িয়ে আছে।
ইউকঃ সুপ্রভাত কিউভি।
কিউভিঃ তুমি আজকেও দেরী করে ফেলেছো। এভাবে চলতে থাকলে দেখবে একদিন তোমাকে ক্লোন করার কথা চিন্তা করবে ওরা। সেক্ষেত্রে তোমাকে ধ্বংস করে দেওয়া হবে।
ইউকঃ ঘুম থেকে উঠেই কঠিন কথা শুনতে একদম ইচ্ছা করছে না।
বলে চা এর কাপ নিজের হাতে নিল ইউক। গত শতকে রোবটিক্সের ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। রোবট এবং মানুষ এখন আলাদা করে চেনা দুষ্কর। কিউভি তেমনি অত্যধুনিক একটি রোবট। এম্নিতে ভালো। তবে হেডমাষ্টারসুলভ আচরন করে মাঝে মাঝে। সে আচরন যে ইউকের একেবারে মন্দ লাগে তা না। কিউভির মত রোবটের লাইসেন্স এর জন্য যে ফি দিতে হয় ইউকের তা নেই। কিন্তু, সে কবি বলে বিজ্ঞান মাহপরিষদের সিদ্ধান্তে বিশেষ ব্যাবস্থায় তাকে কিউভির মত উন্নতমানের রোবট দেয়া হয়েছে। ৩০৯৩ সালের পৃথিবীতে কবি নেই বললেই চলে। তাই যারা আছেন তারা অনেক সম্মান এবং গুরুত্বপুর্ণ দায়িত্ব পান। ইউক তাদের একজন। ইউকের দায়িত্ব হল পুরুনো কবিতা ঘেটে সেগুলোর আবেগীয় অংশ টুকে রাখা, যাতে করে ভবিষ্যত প্রজন্মকে সামান্য হলেও কবিতা অনুভব করানো যায়। আর যুক্তির অংশের জন্য তো কম্পিউটার আছেই। ইউককে কখনোই কবিতা লিখতে হয়নি, হবেও না। তবুও সে কবি। কারন যে পৃথিবী থেকে কবিতা লেখা হারিয়ে গেছে প্রায় ৭৫০ বছর আগে, শেষ কাগজের টুকরোটা মিশে গেছে প্রায় ১০০০ বছর আগে সে পৃথিবীতে কবিতা বোঝে এমন লোকের কদর তো থাকবেই।
ইউকের যোগাযোগ মডিউলটি হঠাৎ বেজে উঠলো। বিজ্ঞান মপরিষদ থেকে জরুরি বার্তা এসেছে। এখনি রিপর্টিং করতে বলা হয়েছে। তড়িঘড়ি করে চা শেষ করে শাওয়ার নিল ইউক। তারপর নাকে মুখে কিছু খাবার গুঁজে বায়োস্যুট গায়ে চাপিয়ে বেরিয়ে পড়ল ইউক। বেরোনোর আগে কিউভিকে বিদায় সম্ভাষন জানাতে ভুল করেনি। বিজ্ঞান মহাপরিষদে প্রবেশ করেই জানতে পারল স্বয়ং মহাপরিচালক সম্মানিত রজাক তার জন্য অপেক্ষা করছেন। সম্মানিত রজাকের কামরায় প্রবেশ করে নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে রইলো ইউক। সম্মানিত রজাক তার দিকে মুখ তুলে চাইলে তাকে সম্ভাষন জানালো ইউক। মনের কোনে ভয়। কি জন্য তার অপেক্ষায় সম্মানিত রজাক!

সম্মানিত রজাকঃ কেমন আছো ইউক।
ইউকঃ ভালোই আছি সম্মানিত রজাক।
সম্মানিত রজাকঃকিউভি কেমন আছে?
এটি একটি অবান্তর প্রশ্ন। কিউভি কেমন আছে তা বিজ্ঞান মহাপরিষদ ভালোভাবেই জানে।
ইউকঃ সেও ভালো আছে।
সম্মানিত রজাকঃ তোমার কোন সমস্যা হচ্ছে নাতো ইউক?
ইউকঃ না সম্মানিত রজাক।
সম্মানিত রজাকঃ আচ্ছা এবার কাজের কথায় আসি। তুমি নিশ্চয়ই জানো প্রাচীন পৃথিবীর মানুষেরা আজকের দিনকে বাবা দিবস হিসেবে পালন করত।
ইউকঃ হ্যা, সম্মানিত রজাক।
সম্মানিত রজাকঃ কিন্তু এখন তো আমাদের কোন বাবা নেই। আমরা সবাই আমাদের মায়ের দেহ থেকে ক্লোন করা।
ইউকঃ হ্যা, সম্মানিত রজাক।
সম্মানিত রজাকঃ তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাবা দিবসে আমরা মানুষকে নতুন একটি কবিতা উপহার দিবো। এখন তো আর কেউ কবিতা লিখে না, তাই আমরা ঠিক করেছি অনাবিস্কৃত কোন পুরোন কবিতা প্রকাশ করবো। বিজ্ঞান মহাপরিষদ জানতে পেরেছে মঙ্গলে একটি কাগজে লেখা কবিতা শক্ত পাসওয়ার্ড দিয়ে সংরক্ষন করা আছে। গত একশো বছরে কেউ পাসওয়ার্ড ভাঙতে পারেনি। পাসওয়ার্ড ভাঙার দায়িত্ব তোমাকে দেওয়া হল। যাও কাজে নেমে পড়। তোমার হাতে সময় মাত্র ১২ ঘন্টা। ডিনারের আগেই কবিতাটি প্রকাশ হতে হবে।
ইউকঃ আচ্ছা, সম্মানিত রজাক।
সম্মানিত রজাকঃ আর শোন তোমাকে সর্বময় ক্ষমতা দেওয়া হলো।
ইউকঃ ধন্যবাদ, সম্মানিত রজাক।

সম্মানিত রজাকের কক্ষ থেকে বের হয়ে তার সেক্রেটারী রোবটের কাছ থেকে সকল তথ্য এবং উপাত্ত পেলো ইউক। সেগুলো দেখে জানতে পারলো যে কবিতাটি সংরক্ষন করা আছে তার পরের দুই লাইন বলতে পারলে পাস ওয়ার্ড ভাঙবে। ইউক মহা দুঃশ্চিন্তায় পড়লো। একে তো সে কোনদিন কবিতা লেখেনি তার উপর আবার যে কবিতা আদৌ দেখেনি তার পরের দু’লাইন কিভাবে বলা সম্ভব!
ইউক সব কম্পিউটার ঘেঁটে যা জানতে পারলো তা হল কবিতাটি ১৮৮৭ সালে লেখা। আর কিছুই নেই। এতোদিন সে কেবল নামমাত্র কবি হওয়ার সুখই পেয়েছে। কিন্তু আজ সে বড় অসহায় বোধ করতে লাগলো। তাছাড়া সময়ও কম। সময় বেশী হলে না হয় ভেবে কিছু বের করতে পারতো।
সারাদিন প্রচন্ড পরিশ্রম গেলো ইউকের। লাঞ্চের সময়ও মাথায় ঘুরছিলো কোন দু’টি লাইন হতে পারে চাবি? বিভিন্ন শব্দ বিভিন্নভাবে ভেবেও ইউক কোন কূল খুঁজে পেলো না। সময় আছে মাত্র এক ঘন্টা। এই সময়ের মধ্যেই দুই লাইন খুঁজে বের করতে হবে। ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করার জন্য ইউক বিজ্ঞান মহাপরিষদ থেকে বের হলো। অজানা গন্তব্যে হাঁটতে হাঁটতে শহরের পার্কের কাছে চলে আসল। সেখানে দেখল বয়স্করা কেউ জগিং করছে, কেউ গল্প করছে। আর শিশুরা আনন্দে ছুটো-ছুটি করছে। তাদের দেখে ইউকের আজ হিংসা হতে লাগলো। কি সুন্দর নিশ্চিন্ত জীবন তাদের। কিন্তু ঘুরোঘুরিই সাড় হলো। কবিতা ইউকের মাথায় আসেনি। ওদিকে সময়ও প্রায় শেষ। পরাজয়ের গ্লানি মনে নিয়ে পার্কের একটি বেঞ্চে বসে রইলো ইউক। আর চিন্তা করতে থাকল সম্মানিত রজাককে কি বলবে সে।
চিন্তার মাঝেই বিজ্ঞান মহাপরিষদ থেকে তার সাথে যোগাযোগ করা হলো। সম্মানিত রজাক নিজে যোগাযোগ করলেন।
সম্মানিত রজাকঃ কি খবর ইউক?
ইউকঃ ভাল সম্মানিত রজাক।
সম্মানিত রজাকঃ কবিতা পেয়েছো?
ইউক না বলতে যাচ্ছিল। এমন সময় তার চোখ গেল খেলতে থাকা দুই শিশুর দিকে। তার মাটি, ফুল, খেলনা দিয়ে অদ্ভুত এক খেলা খেলছিলো। যে খেলা ৩০৯৩ সালের মানুষ খেলে না। দেখেই ইউকের মনে জেগে উঠলো দু’টি লাইন-
তুই আমি দু’জনে খেলার সাথী
খেলনা মোদের কিছু অমরাবতী।
ইউক বিড়বিড় করে লাইনদু’টি উচ্চারণ করলো।
সম্মানিত রজাকঃ কি বললে?
ইউকঃ কবিতার লাইন সম্মানিত রজাক।
সম্মানিত রজাকঃ আবার বলো।
ইউকঃ তুই আমি দু’জনে খেলার সাথী
খেলনা মোদের কিছু অমরাবতী।

সম্মানিত রজাকঃ আচ্ছা। ধন্যবাদ।
সম্মানিত রজাককে বলেছে বটে কিন্তু ইউক নিজেই মানতে পারছে না। কিছুক্ষন পরেই সে জানতে পারবে যা বলেছে ঠিক কিনা। সময় যেনো কাটতে চাইছে না। বিজ্ঞান মহাপরিষদ থেকে আবার যোগাযোগ করা হলো। এবারো সম্মানিত রজাক নিজে। তবে এবার আনন্দিত গলায় বললেন। ধন্যবাদ ইউক। অসংখ্য ধন্যবাদ। ইউক বুঝতে পারলো পাসওয়ার্ড খুলে গেছে। আনন্দে ইউক কিছুই বলতে পারলো না। শুধু বলল আপনাকেও ধন্যবাদ সম্মানিত রজাক। আমি কি কবিতাটি পেতে পারি? সম্মানিত রজাক উৎফুল্ল কন্ঠে বললেন অবশ্যই। এখনি পাঠিয়ে দেওয়া হবে। বলে সংযোগ কেটে দিলেন। ইউকের যোগাযোগ মডিউলে একটি বার্তা এলো বিজ্ঞান মহাপরিষদ থেকে। তাতে লেখা-
অতিমানবী এক কিশোরী এবং সাধারণ এক কিশোর
তাহারা আপনাকে বাঁধিয়া লইয়াছে আপন বন্ধনে,
চন্দ্র-সূর্য পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করিয়া না ফিরিয়া আসিতেই পারে
উহারা তাহাতে বিন্দুমাত্র বিচলিত হইবে বোধ করি না।
কিশোরী হয়তো ভীষন রসিকতায় উচ্চস্বরে হাসিয়া কহিবে-
চল সখা, কাজলার বিলে শাপলা তুলিতে যাই।
সতত সুন্দর, সরল জীবন!
তুই আমি দু’জনে খেলার সাথী
খেলনা মোদের দু’টি অমরাবতী।

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement