আমার আকাশ জুড়ে
কামুক মেঘদল ভেসে ভেসে আসে
স্নিগ্ধ চুলের গন্ধে ভিড় করে ওরা অন্তিম নিশিতে!
কবি'র কবিতায় ঢেলে দেই যত সুধা;
শিল্পী'র ক্যানভাসেও রঙ ছড়াই দ্বিগুণ উল্লাসে!
কি যত্ন করেইনা নিজেরে বদলাই- প্রতিদিন বদলাই
কিন্তু কেউ কি জানে হেমলকের পেয়ালায় প্রতিরাত বাসর সাজাই আমি! ভাসি আমি, ভাসাই আমি!
কেউ কেউ আক্ষেপ করে বলো আমায়
আহা রমণী!

নেতিয়ে পড়া জীবনের ভাঁজে ভাঁজে হেঁটে দেখেছি,
কি অবলীলায় খুলে ফেলা যায় ক্ষুধা’র অন্তর্বাস!
যে রমণী’র চোখে একদিন প্রেম ছিলো! এক বুক স্বপ্ন ছিলো! সফেদ জীবনের লেনদেন স্থবির করে দিয়ে সে চোখে আজ রক্তনদী ছুটে চলে! বুকের গভীরে স্বপ্নের অন্তহীন চিতা জ্বলে!

আমি হারিয়েছি পথ, সেই পথ
যে পথের গলিতে শিউলি'র মেলা বসাতো কোনো প্রেমিক! হয়ত সে প্রেমিক আজও
আঁকড়ে ধরে আছে ঝলসে যাওয়া স্মৃতি'র পাণ্ডুলিপি! হয়তোবা সে অপেক্ষার মালা নিয়ে একাকী পড়ে থাকে ওই শূন্য পথের গলিতে!
ভাবে, যদি কোনোদিন সে পথ দিয়ে ফেরে এই নিবিড় রমণী!