কৈশোর পতনের মিছিলে যাবে আজ
একটি শকুনি-নক্ষত্র।
দাউ দাউ করে জ্বালাবে প্রাক-যৌবনের
হৃদপিন্ড কালরাতের তাপে।
গোগ্রাসে গিলে খাবে এক একটি আগামির ভিত
এক একটি স্বপ্নের স্লোগান। পদদলিত করবে
কালান্তরের রাশি রাশি কবিতা, অযুত ধ্রুপদী গান
আমার একুশে চেতনার জরায়ু, একাত্তরের লাল-সবুজের স্তন
বরাদ্দ অনেক অক্সিজেন।

বর্ণিল জোনাক ও প্রজাপতি হরণ করে
শীতনিদ্রায় বাগানবাড়িতে আয়েশ যাপন অতঃপর।
আবার নতুন শিকারের সন্ধানে-তেপান্তর দাপিয়ে
ভাগ্যসিঁড়িতে মঙ্গল বিচরণ করে টর্চার সেলে
মুন্ড ছিঁড়ে খাবে সমাজরীতির, শীতলক্ষ্যার বুকে জাগিয়ে
তুলবে শবের চর।

সমাজপতি, তোমার চারিদিকে কেবল
মুখোশ আর মুখোশ ঘনকালো। তুমি দ্যাখো কিভাবে
পতন হয় উজ্জ্বল শুকতারার; যার দিব্যচক্ষু প্রক্ষেপণে
মুখোশের আড়ালের হিংস্র পশুকে, বুনো লোলুপতাকে
আবিষ্কার করা যায়।

জানি, এবারকার বসন্তে পিনাক ছেদনে অন্য কোনো
স্বপ্নের রোমশ বুকে মুক্তো খুঁজবে তোমার আদুরে শকুন।
তাদেরকে, গ্রন্থিল আসুরিক পেশিকে তোমার প্রশ্রয়
এতটুকু বিস্মিত করেনি আমাকে,
শুধু জন্ম দিয়েছে আর একটি শংকার
রক্তের হোলি খেলার শিকার আমিই কি শেষজন!