সল্টলেক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্টের রিসেপশনে একটি সতেরো-আঠারো বছরের ছেলে বসে আছে। ছেলেটার যে ব্যাপারটা সবার আগে চোখে পড়ে সেটা হচ্ছে তার ফ্যাকাশে সাদা গায়ের রং। ছেলেটা শীর্ণকায়, মাথায় সোনালী ঝাঁকড়া চুল। সে মাথা নিচু করে বসে নিজের হাত দুইটা ঘষছে। তাকে যথেষ্ট বিক্ষিপ্ত মনে হচ্ছে।
-
গল্প
কেস নাম্বার-২৭৮৫৬Salma Siddika -
গল্প
সমীকরণ এবং পরিভ্রমণমোহাইমিনুল ইসলাম বাপ্পীঘুম থেকে উঠে একরকম দৌড়ে ছুটে গেলাম ল্যাবের দিকে। দেরি হয়ে গেল নাকি! সময়টা খুব গুরুত্বপূর্ণ আজ, দেরি করা যাবে না! তবে যখনই আমি গবেষণা ভবনের ভেতর পা রাখতে যাব, তখনই আকাশ ভেঙে ঝুম বৃষ্টি নামল।
-
গল্প
চিরকুটFarhad Emon"তুমি আমাকে ছেরে চলে গিয়েও পরাজিত আমার
কাছে I কারণ তোমার রেখে যাওয়া স্মৃতি গুলো তুমি
নিয়ে যেতে পারো নাই I যেটা আমার ও আমার তোমার
মাঝে বিদ্যমান Iতোমার নিজের উপর এতই অহংকার -
গল্প
সোফিয়ার ভালোবাসাজাহিদ হাসান শিশিরমানুষ মরে যায়, কিন্তু রোবটেরা মরে না। ড. হ্যানসন রোবটটিকে যখন প্রোগ্রাম করেছিলেন তখন সেটি অতটা উন্নত ছিল না। তার মধ্যে কোন অনূভূতি ছিল না। কিন্তু মনে রাখার ক্ষমতা তার ছিল। সোফিয়া তার মেমরী ঘেটে আজও হ্যানসনের সাথে তার স্মৃতি মনে করতে পারে।
-
গল্প
শেফালীর জীবনের এক কল্প কাহিনীবিশ্বরঞ্জন দত্তগুপ্তছোট একটা অদ্ভুত রকমের দেখতে যান নিঃশব্দে মাঠের মাঝখানে এসে নামলো । কিছুক্ষন পর সেই যানটার থেকে দু-জন দেরফুট মাপের মানুষ গোত্রীয় লোক বেরিয়ে এলো ।
-
গল্প
এখনও আমি সোহানাকে খুজিমোঃ নুরেআলম সিদ্দিকীসোহানার মৃত্যুর ব্যাপারটা নিয়ে প্রায় সময় আমাকে মাথা ঘামাতে হত। আমাদের অনেকের মাঝে একটা ভাবদায়ক সৃষ্টি হত। কেউ বলে সেদিন সকালে দেখেছি কি ভালো মেয়ে রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছে,
-
গল্প
সময় তরীজ্যোতি হাসানশারমিনকে ঘুম থেকে জাগায় সাদিয়া, ওকে রীতিমত ঝাঁকাতে থাকে আর সাথে বলতে থাকে, “শারমিন উঠ! তোর জন্য কতক্ষণ থেকে নদীর পারে বসে আছি, জানিস!?” শারমিন ওকে কোন মতে সরিয়ে দিতে দিতে বলে,
-
গল্প
বেলাশেষে একদিনশাহেদ শাহরিয়ার জয়আমার পকেটে ১০ ডলারও নেই'',জ্যাকের মতোই সত্যি বলেছিল সে।রিমি বল্লো,-''আমি কি টাকাকে ভালোবাসি?''সে আশ্বস্ত হয়েই হৃদয়টা দান করেছিল।তার মতো করে বলা,তার মতো করা চলা...প্রয়োজনে তার জন্য মিথ্যাও অকপটে বলতে পারতো সে।কুমিল্লায় যখন সে পোস্টিং,বাড়ি খুঁজছে থাকার জন্য।রিমি বল্লো -''তুমি ফ্যামিলি বাসা নাও!''
-
গল্প
অামার উমেদরওনক নূরওকে আমি প্রথম যেদিন ঘরে এনেছিলাম তখন খুব কেঁদেছিলাম, কারন ওর মাঝে আমি আমার পূর্ণতা খুজেছিলাম। ওর নাম দিয়েছিলাম উমেদ । আমার স্বপ্নগুলোকে সত্যি করতে ওকে খুব প্রয়োজন ছিলো। তাই আমার শূণ্য ঘরে উমেদ আমার বন্ধু হয়ে এলে।
-
গল্প
আগন্তুকশরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানআপনি সময় মতো না এলে আমি ঘোর বিপদে পড়ে যেতাম।কিন্তু আপনি সময়মতো সহসা এখানে এলেন কোথা থেকে?শিলা আগন্তুক লোকটার কাছে জানতে চাইল।
আকাশের ওপর থেকে।
নভেম্বর ২০১৭ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
গল্পের বিষয় "স্বাধীনতা”
কবিতার বিষয় "স্বাধীনতা”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারী,২০২৬
এ যাবত
প্রতি মাসেই পুরস্কার
লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন
-
প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র। -
দ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র। -
তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।
