রাত তখন দশটা। আমরা চারজন বাজার থেকে নানার বাড়ি যাচ্ছিলাম। চারিদিকে সুনসান নিরবতা। ঘুমোট অন্ধকারে চেয়ে আছে পথঘাট। নানার বাড়ির যাওয়ার পথ ছিল দুইটি: একটি চা বাগানের মধ্য দিয়ে অন্যটি তেঁতুল গাছের তলা দিয়ে।
-
গল্প
তেঁতুল গাছে ভূতের বাড়িসুহৃদ আকবর -
গল্প
ভয়ংকর পরীক্ষার রাত্রিমোঃ জাহেদুল ইসলামরাত তখন দুইটা । বাইরে জোনাকি পোকা উড়ছে । শীতে আমার শরীর হিম হয়ে গেছে । আর মাত্র কয়েক মিনিট পরেই আমি মুখোমুখি হতে যাচ্ছি তার । কথাটা মনে হতেই শরীরটা কেমন জানি ঝাকি দিয়ে উঠল । চারিদিক নিরব নিঃস্তব্দ । পৃথিবীটা যেন ঘুমিয়ে আছে ।
-
গল্প
রাত ৩.৪৫ মিনিটফয়েজ উল্লাহ রবিরাসেল বসে পড়লো এই কি হলো রাহুল এখানে আর ফাঁস কেন লাগালো কখন লাগালো বা কেন লাগালো এই সব ভাবার সময় ও যেন পাচ্ছেনা কি করবে ভাবতে পারছে না, রাহুলের পা ধরে উপরের দিকে ধরে রাখার চেষ্টা করতেছে,
-
গল্প
অাত্মারওনক নূরপ্রতি রবিবার ছুটির দিনে সিনেমা দেখতে যাওয়া তন্ময়ের অভ্যাসে পরিনত হয়েছে। রবিবার সকালে বের হয়ে দুপুর পর্যন্ত সিনেমা দেখে অবন্তির সাথে লান্স করে তারপর বাসায় ফেরে।
-
গল্প
শুভদৃষ্টিজ্যোতি হাসানসুখে-দুঃখে এইভাবেই সুন্দর একটা গ্রামে, নাসিমা, রহিমা, আর ফাতেমার জীবন কেটে যেতে লাগলো। সেই রকম কোন বড় উল্লেখযোগ্য ঘটনা ছাড়াই তারা তিনজন তাদের জীবনের দিনগুলো পার করে দিচ্ছিল।
-
গল্প
অননুমেয়Md. Akhteruzzaman N/Aআমি রীতিমতো কাঁপা হাতে টেলিফোনে নাম্বার ডায়াল করলাম। ওপ্রান্ত থেকে কেউ রিসিভারটা তুলতেই আমি নিজের পরিচয় জানালাম।
থানা থেকে যিনি টেলিফোনটি রিসিভ করলেন উনি বললেন-জ্বী, বলুন কী জানতে চান।
-আন্ধারমানিকের খুনের ব্যাপার জানতে চাইছিলাম। -
গল্প
অদ্ভুত ভূতঅমিতাভ সাহাআবছা আলোয় দেখে গাছের ডাল সমানে নড়ছে। ভয় পেয়ে গেল, কি ওটা? বড়সড় কিছু মনে হচ্ছে। ঘরে এসে টর্চলাইট নিয়ে আস্তে আস্তে এগিয়ে গেল। তারপর কিছুটা দূর থেকে সজনেগাছে লাইট মারল। দেখে একটা কঙ্কাল হাপুসহুপুস করে কি যেন খাচ্ছে। লাইট পড়তেই নাকী সুরে বলে উঠল, “কিঁরেঁ বাঁসঁন্তীঁ, খাঁবিঁ নাঁকিঁ?”
-
গল্প
পোর্ট্রেইটসাবাব আলম সানিদসেবার ভ্রমণের নেশাটা একেবারে পেয়ে বসেছিলো ৷ অবশ্য তার যথেষ্ট কারণও ছিলো ৷ বহুদিনের এই রুটিন বাঁধা একঘেয়েমী জীবন নিয়ে অতিমাত্রায় অতিষ্ট হয়ে উঠেছিলাম ৷ তখন সবে কলেজের গন্ডি পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্র আমি ৷
-
গল্প
সারভেন্ট টয়লেটসাইফুল বাতেন টিটো
আমার বিয়ের দেড় বছর পরের কথা। ২০১৬’র জানুয়ারী প্রমোশন পেয়ে আমার পোষ্টিং হলো কারওনার ব্রাঞ্চে। তখনও আমাদের বাসা মিরপুর। বেতন কম বলে বড় বাসা নিতে পারিনি। বিয়ের পর থেকেই সাবলেট আছি। জেসমিন প্রতিদিন বাসা ছাড়ার জন্য ট্যা ট্যা করে। -
গল্প
অসীম পিপাসানীলাঞ্জনা দত্ত লোপা"শুভ্রা, শুভ্রা" ডাক শুনেই আৎকে উঠলেন "তোমায় ছাড়া থাকতে খুব কষ্ট চলনা আমার সাথে রথেকরে তুমি আর আমি আর কিছু দিন পরে শান্ত!! চলনা চলনা!! শুভদ্রা দেবী কোন প্রতি উত্তর শুধু তার চোখে চোখ রেখে মনে হল নিরব সম্মতি দিল হাত ধরে তার স্বামীর চির অসীমের পথে যাত্রা মনে হল
সেপ্টেম্বর ২০১৭ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ জুন,২০২৬
এ যাবত
