বন্ধুরা সব ভেংচি কাটে- ডাকে “দেবদাস” বলে। অনেকেই আবার প্রশ্ন করে- “পার্বতী” কে তাহলে? বাবা ডেকে জিজ্ঞেস করে- “মেয়েটির নাম কি?” দাদায় বলে- “ঠিকানা দাও- মেয়েটাকে দেখে আসি।“ প্রশ্নের ‘পরে প্রশ্ন করে- কথার ‘পরে কথা, না বলে উপায় কি? সেই মেয়েটির নাম “কবিতা”।
কবিতার মতোই অপরুপা সে কবির উপমায় গড়া, একটি বার’ই দেখেছি তাকে- তাতেই প্রেমে পড়া। নদীর মতোই ঊর্বসী সে চাঁদের মতো মুখ- চোখ বুঝলেই দেখি তাকে স্বপ্নে ভাসাই বুক। চোখে তাহার মায়াবী মায়া থেকে থেকে বলে কথা- অপূর্ব অপরুপা সে- তার নামটি “কবিতা”।
জানি না কোথায় বাড়ি যে তার কোথায় যে তার ঘর- অনেক খুজেছি, হয়রান- তবু পাইনি সু-খবর, অলস দুপুর, উদাস ব্যাথা- স্নিগ্ধ বিকেল, নিরবতা- পাশে এসে বসে, কতো কথা বলে- যখন বন্ধ করি দু’চোখের পাতা, দুধে আলতা গায়ের বরণ- তার নামটি “কবিতা”।
বলতে পারিনি আজও আমি ভালোবাসি তাকে কতো- ভালোবাসেনি শাজাহান হয়তো মমতাজকেও ততো। ভালোবাসি-, ভালোবাসি শুধুই তাকে- কি করে বলি হায়- তার বিহনে অন্তর পোড়ে নিঝ্ঝুম নিরালায়। শুধু ঘুমের ঘোরে স্বপ্নে দেখি- জাগলে নিরবতা, তবু আছে এ হৃদয়ে- মোর স্বপ্নের “কবিতা”।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“জুন ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ জুন, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।