ইচ্ছে গুলো কখনো কখনো কি অদ্ভুত হয়!
আজ ইচ্ছে করেই একা একা এ নির্জন সময়
পাগল আমি কি ভাবনাই না ভাবছি!
তুমি কোথায় আর আমি বা কোথায়?
অথচ এ গভীর রাতে যখন খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়েছি,
ভাবছি- তুমি আমার পাশেই আছো,
আমার সাথেই বুঝি চাঁদ দেখছো।
জানি এ ভাবনা নিতান্তই বৃথা।
আবেগে যা কিছু ভাবি, সবই প্রগলভতা।

চাঁদ ও তোমার কি অদ্ভুত মিল বলো-
চাঁদের জ্যোৎস্না আছে, তোমারও আছে আলো।
চাঁদের আলোয় আলোকিত হয় গোটা পৃথিবী,
কিন্তু, তুমিও যে আলো ছড়াও আমার মনের প্রান্ত থেকে প্রান্ত অবধি!
তুমিই তো বলো- আমার মনটা নাকি পৃথিবীর চেয়েও বড়!

ভাবতে ভাবতে কখন যেনো পেরিয়ে গেছে দ্বি-প্রহর!
তুমি পাশে থাকলে হয়তো এতক্ষণে রেগে যেতে।
অথচ তোমাকে নিয়ে আজও ভাবতে ভাবতে
জ্যোৎস্না প্রহরী আমি একা একা বসে আছি,
রাতের পর রাত নিদ্রাহীন কাটিয়েছি!
তুমি বোঝনি ---।

সহসা আবেগী থেকে রাগী হয়ে উঠলাম-
কেনো এই সমাজের মানুষের কাছে আমরা গোলাম?
আমি যদি কৃষ্ণ হই আর তুমি রাধা,
তবে দু’জনের মিলনে কেনো এতো বাঁধা?
ভালোকে ঠেকিয়ে বলি-এটা সমাজেরই কাজ!
অথচ তোমাকে-আমাকে নিয়েই এই সমাজ।

আবার কি যেনো ভাবনায় হঠাৎ শান্ত হয়ে গেলাম।
খানিকটা শ্রদ্ধায়-খানিকটা ঘৃণায় এ সমাজকে প্রণাম
করলাম। কি অদ্ভুত বলতো-
এ সমাজে শৃঙ্খল আছে যতো
মানুষেরই সৃষ্টি, তবুও মানুষই শৃঙ্খলিত!
অথচ তোমাকে নিয়ে আমার ইচ্ছেগুলো যতো
সব বন্ধনহীন - সকলই উন্মত্ত।