লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১০ অক্টোবর ১৯৮০
গল্প/কবিতা: ২৮টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftগল্প - ঘৃণা (সেপ্টেম্বর ২০১৬)

আলোর আশ্রয়
ঘৃণা

সংখ্যা

মোট ভোট

আশরাফ উদ্ দীন আহমদ

comment ১  favorite ০  import_contacts ৫৩৬
রাত্রি এখন মাঝামাঝি পর্যায়ে এসে পড়েছে, অনেক দূর থেকে একদঙ্গল শেয়ালের চিৎকার ভেসে আসছে থেমে-থেমে এবং তার সঙ্গে গৃহস্থবাড়ির কুকুরগুলোও কেমন বির্ভষভাবে টানাটানা ডেকে যাচ্ছে, কুকুরের এমন ক্রন্দনরত চিৎকার সমস্ত গ্রামটাকে স্থির এবং শংকাগ্রন্থ করে তোলে। কোনো ওমন ভাবে ডাকে ভরপ্রহর, বুকের ভেতরটা ছ্যাঁক করে ওঠে জবেদার, স্বামীর ঘুমন্ত মুখটাকে আরো একবার দেখে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়তে মন চায়। কিন্তু পারে না, বাইরে তখন তেতলে-পটলা-মফি এবং হোসেন মিয়া এসে ভীড় করেছে, উপায় না দেখে অগত্যে ডেকে তুলতে হয়, চেতন পেয়ে ধড়ফড়িয়ে ওঠে দরজা খুলে ছুটে যায় সাত্তার, হোসেন মিয়া বলে ওঠে, দেওয়ানপাড়ার শুকুর চেয়ারম্যানের বাড়িতে আজ অপারেশন করতে হবে মনে আছে তো!
সাত্তার লুঙির গেঁরো ঠিক করতে-করতে জানালো, যন্ত্ররপাতি সব কোথায়?
মফি ইশারা করে বললো, মহেষতলীর বাঁশঝাড়ের ভেতর যে ইদারাটা ছিলো পানি ছাড়া, সেটাই তো আমাদের বন্দুক-বারুদ রামদা-চাপ্পড় হাতবোমা রাখার...
সাত্তার কষে একটা খিস্তি দিয়ে ওঠে, অতো কথা বলিস কেনো রে ছোকরা, তেতলে ওর ছুঁচা মুখটা ভোঁতা করে দে তো।
ওস্তাদের আদেশ তামিল করতে তেঁতলে মোক্ষম একটা কেঁলানি দেবার জন্য মফির সামনে যেতেই হোসেন মিয়া বলে ওঠে, ওস্তাদ বিসমিল্লায় কাজ করতে নেমে এখন ফ্যাঁসাদ করে লাভ নেই, পরে ওর বিচার হবে।
সাত্তার কথাটার গুরুত্ব বুঝে তেতলেকে থামতে নিদ্দেশ দেয়, পাগল-ছাগল সব কোথায় জন্মে, সর্টকাটে কথা কি বলা যায় না।
জবেদা দরজার পাশে দাঁড়িয়ে সব কথা শুনে ক্ষানিক আঁতকে ওঠে, তারপর অনেকটা সময় তাকিয়ে থাকে ওদের চলে যাওয়ার দিকে, তেতলের হাতের পুরানো ভাঙা লন্ঠনটা দুলছে আর জোনাকির মতো আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে, হাঁটতে-হাঁটতে ওরা নাককাটি বাগানের পায়ে চলা মাটির সরু পথটাকে শেষ করে একসময় ইউনিয়ন পরিষদের সদ্য নির্মিত সড়কে ওঠে পড়ে, জবেদা আর দেখতে পায় না, ঘন গাছগাছালির ভেতর ওরা একসময় হারিয়ে যায়, অনেকটা সময় কি যেন ভাবে জবেদা, ঠাওড় করা যায় না। ওর বুকের মধ্যে অচিন ব্যথা চিনচিন করলেও অকস্মাৎ থেমে যায় , দূরের শিয়ালগুলো কাকতালীয়ভাবে চিৎকার থামিয়ে দিশেহারা হয়ে ছোটাছুটি করছে, পটলা হাতের চকচকে চাপ্পড়খানা দেখিয়ে বশ করেছে কি! তবে ফিসফিসিয়ে বলে ওঠে, দেবো নাকি একেকটা শালাকে নিকেস করে।
সাত্তার গম্ভীর হয়ে জানায়, অতো তরপানি ভালো না রে, কতো পারিস দেখা যাবে মদনা।
Ñওস্তাদ উচিৎ কথায় বলেছে বটে।
তেঁতলের মুখের কথা কেড়ে নিয়ে পটলা আবার বলে, গত সপ্তাহে নৌকার অপারেশন করতে গিয়ে, মহাজনের ধড়-মুন্ডু তো পার করতে চেয়েছিলাম কিন্তু নেহাৎই ওস্তাদের কথায়---
হোসেন মিয়া হাসতে-হাসতে উত্তর দেয়, ওরে ছোড়া তোর বয়স কতো হলো, ধড়মুন্ডু কাকে বলে জানিস তো!
অনেকক্ষণ ধরে হাঁটছে সবাই, ক্লান্ত দূর করতে বড়-বড় কথার মোচড় আর কি! সাত্তার দলটাকে থামতে আদেশ দিয়ে বললো, থাক্ ওসব জেনে-টেনে কাজ নেই, শুকুর চেয়ারম্যানের বাড়িটা ঠিকঠাক আন্দাজ করতে পারছি তো আমরা, রাত্রের রাস্তাঘাট কেমন সব পাল্টে যায়।
মফি সঙ্গে-সঙ্গে উত্তর দেয়, না ঠিকই আছে ওস্তাদ, আরেকটু এগুলেই বাড়িটা পেয়ে যাবো।
অকস্মাৎ খুব কাছ থেকে চৌকিদারের হাঁক ভেসে আসে, মনে হয় কাছেপিঠে কোথাও শালা চৌকিদার বসে গাজায় দম দিচ্ছে নয়তো চোলাই বা ধেঁনোর হাঁড়িতে মুখ চুবিয়ে আছে, তেতঁলে বিজ্ঞের মতো জানালো, ইউনিয়নগুলোতে সরকার এতো টাকাপয়সা খরচা করে চৌকিদারদের কেনো যে রেখেছে।
হোসেন মিয়া চাপা স্বরে বলেলো, গ্রাম রক্ষা করতে, চোর-ডাকাত থেকে গ্রামবাসীকে রক্ষা করতে রে হারামজাদা!
তেঁতলে আবার উত্তর দেয়, হ্যাঁ দেখছি তো ওদের গ্রাম পাহারা, আরে আমরা তো আছি, বরং আমাদের কিছু ভাতাটাতার ব্যবস্থা করলে রাত্রিদিন আমরাই পাহারা দেবো।
পটলা মদের নেশার মাতালের মতো অভিনয় করে জানালো, ঠিক আছে বাবা, এখনকার কাজটা ভালো করে মন দিয়ে করো, সরকারকে বলে তোমাকে ওই কাজটা পাইয়ে দেবো।
অনুরূপভাবে মফি বললো, তাহলেই হয়েছে, আমাদের ধরে নিয়ে লালঘরে পৌছে দেবো যে ওই শালা।
হোসেন মিয়া হাসতে থাকে, আরে লালঘরে গেলে তো আরো শান্তি, খাবি-দাবি আর ঘুমোবি...
তেঁতলে আশ্চর্য হয়, ঘুমোতে নাকি দেয় না ওই শালারা, শুধু মারে আর কি সব বলিয়ে নেয়।
সাত্তার গম্ভীর গলায় জানায়, থাম শালারা, ওতো কথা আসে কোথা থেকে তোদের। চুপ থাকতে পারিস না।
রাত্রি বাড়ছে, আর বাড়ছে গভীর নিঃস্তবতা, শীত-শীত ভাবটা এতো আগে জানান দিচ্ছে কেনো কে বা জানে, তবে শীতের মৌসুমটা সাত্তারদের জন্য ভালো, হোসেন মিয়া হঠাৎ হাই তোলে, আর ভালো লাগে না, এভাবে জীবনযাপন করা...
সাত্তার একটা কিস্তি ঝেড়ে দেয়, তাহলে এক কাজ করো, শীতের রাতে বউয়ের বুকে ওম আর ইয়ে ধরে...
সবাই একসঙ্গে হেসে ওঠে, রাত্রের আকাশে চাঁদ নেই এখন, ভাতের মাড়ের মতো আকাশের বুকে চাঁদটা কোথায় লুকিয়ে আছে আন্দাজ করা যায় না, হয়তো শীতের রাত্রে সে পৃথিবীর বুকে আলোটুকু আর দেবে না, তাতেই তো সাত্তারদের জন্য ভালো খবর।
দেওয়ারপাড়ার শুকুর চেয়ারম্যানের বাড়ির কাছাকাছি এসে যায় একসময়, বাড়িটা বেশ করেছে, অনেক জমি সামনে-পেছনে, রিলিফের গম-চাল ঢেউটিন সব যেমন চুরি করে তেমনি রাস্তা ঘাটের ট্রেন্ডার-নিলামের টাকা তার পকেটে ঢুকে যায়, আরো আছে মেলা বসানো, যাত্রা-জুয়া সবই চলে, চোলাই মদের কারবার কতোজনকে যে দিয়েছে তার শেষ নেই, সেখান থেকেও দেদারসে টাকা আসছে আর শুকুরের চেহারাখানা চেকনাই হচ্ছে, অথচ চেয়ারম্যান একসময় সিধেঁল চোর ছিলো, রাতারাতি আঙুল ফুলে কেমন কলাগাছ হয়েছে, এখন শঙ্খশাদাশুভ্র চাপ দাড়ি রেখেছে মুখে, মাথায় টুপি তো আছেই,কথায়-কথায় আল্লাহ-রসুলের নাম জপে, মানুষকে ধোকা দেওয়ার সমস্ত রাস্তা তার নখদর্পণে, সেদিন সোনাগাঙের মাঠে যে মস্ত জলসা হলো, সেখানে সভাপতিত্ব করেছিলো, আল্লার রাস্তায় জীবন ধন মান সব উৎসর্গ করতে প্রস্তুত, মাদ্রাসা দুটো করেছি তো কি আরো দশখানা করে দেবো সামনে ইলেকসানে জিতলে...

সামনের কাতারের মানুষজন শুকুরের কথায় ভিজে-গলে যায় চিড়ের মতো, তোমার মতো মানুষকে ভোট না দিলে তো আল্লার কাছে ঠেকা থাকবো রে বাবা! সামনে তুমিই হবে আমাদের চেয়ারম্যান, আর কোনো কথা হবে না। সাত্তার সেখানে বসে ছিলো, কোনো কথা বলেনি অবশ্যই, মনে-মনে শুধু হেসেছে, সত্যিই মানুষ চেনা বড় কঠিন। মানুষ এভাবেই বদলে যায়, ভালো মানুষের মুখোশ পড়ে হঠাৎ কেউ যদি ভালো মানুষ হয়ে যায়, তাহলে আরেক বিপত্তি, তবে শুকুর মানুষ বটে, কারো সাধ্য নেই বোঝার যে সে মুখোশ পড়ে আছে, সর্বদা জিকির করে যায়, মুখে শুধু ভালো-ভালো কথা। ক’বার হজ করেছে বলে হাজি শব্দটা নামের প্রথমে বেশ ইজ্জতের সঙ্গে সেঁটে নিয়েছে, হাজিদের পোষাক পড়ে রাস্তা-ঘাটে সভা-সেমিনারে ঘুরে বেড়াই, ওর কথা, বেহেস্তি পোষাক পড়লে মন পবিত্র থাকে, আর আল্লাহ পাকের সঙ্গে সর্ম্পকও বেশ নিবিড় হয়।
চেয়ারম্যানের বাড়িটা বড় নিস্তব্ধ হয়ে আছে, সবাই ঘুমে অচেতন বোঝা যাচ্ছে, তেতলে কিছু একটা বলতে যাচ্ছিলো কিন্তু হাতের ইশারায় সাত্তার ওকে থামিয়ে দিলো, অকস্মাৎ বাড়ির ভেতর থেকে কুকুরটা ডেকে ওঠে বিভর্ষ শব্দ করে, মুহূর্তে সাত্তার-তেতলে-পটলা-মফি-হোসেন মিয়া সজাগ হয়ে যায়, মফি চাপ্পড়টা বের করে ঝোলা থেকে, তারপর বলে এটাকে আগে শেষ করে দেই।
পটলা মৃদু হেসে জানায়, এখানে শক্তি ক্ষয় করে লাভ নেই রে পাগলা।
কুকুরটা বড় বেশি মনিবভক্ত, শুকুরের পয়সায় ভালো-মন্দ খেয়ে বেশ চেকনাই হয়েছে শরীরখানা, গ্রীলের ভেতর চিৎকার করেই যাচ্ছে, এভাবে চিৎকার করলে মহাবিপদ সামনে, সাত্তারেরা আর সামনে এগুতে পারবে না, ধানশালা অর্থাৎ ধানের গোলার পশ্চিমে বাঁশঝাড়ের কাছাকাছি মিশে থাকে, অনেকটা সময় কেটে যায় তারপরও কুকুর ডেকে মরে, ওর চিৎকারে আশেপাশের গেরস্থবাড়ির আরো কুকুর ডেকে ওঠে, সেই সঙ্গে শিয়ালগুলোও যোগ দেয়, দূর-দূর গাঁয়ের কুকুরগুলোও সমস্বরে চিৎকার দিয়ে মরে, কেউ কারো চেয়েও কম নয়, শুধু সাত্তারেরা ডাকতে পারে না। মুখ বন্ধ করে বাঁশঝাড়ের ভেতর সেঁধিয়ে যায়, কুকুর-শিয়াল সারাজীবন মানুষের গন্ধ শুঁকে চলে বলে মানুষকেই সহৃ করতে পারে না কিন্তু শুকুরেরা কিভাবে ওদের আবার পোষ মানায়! শীতের রাত্রি মানে হাড় কাঁপানো ঠান্ডা, পটলা- তেতলে-মফি হোসেন মিয়ার মুখে কোনো কথা নেই, শীত এবং শংকা দুটোই ওদের আষ্টেপৃষ্টে বেঁধে রেখেছে, কোথায় যাবে ভাবতেও পারে না। দৌঁড়ানোর শক্তি কি হারিয়েছে, কানের পদ্যা ফেটে যায় কুকুর-শিয়ালের চিৎকারে,তার মধ্যেই ওরা ছুটতে থাকে বিড়ালের মতো পা টিপে-টিপে, আচমকা মসজিদ থেকে মুয়াজিনের কন্ঠের আজান ভেসে আসে, সুবেহ সাদিকের মধুর আমেজ ফুটে ওঠে চারদিকে, অনেকটা দূরে এসে নিরাপদ একটা জায়গা পেয়ে যায় সবাই, তারপর দীঘির সানবাঁধানো ঘাটে এসে দাঁড়ায়, সবাই একসঙ্গে ওজু করে, দেওয়ারপাড়ার শুকুর চেয়ারম্যানের কথাগুলো বারবার স্মরণ হয়, আল্লাহ মানুষকে হেফাজত করে,ধনী করে গরীব করে, চোর-ডাকাত খুনি করে, সেই পারে মানুষকে ভালোর পথে আনতে, আজ সাত্তারেরা ভালো হতে চায়, ভালো হওয়ার স্তবক কি, জানে না বেঁচে থাকার মন্ত্র কি-জানে না, ধনী হওয়ার যাদু জানে না, মুয়াজিনের আজানের শেষ শ্লোক, আসসালুতু মিনাল নাউম...সুবেহ সাদিকের রেশ আরো মধুময় হয়ে ওঠে, একটা রাত্রির গল্প শেষ হলেও আরো অনেক রাত্রি দাঁড়িয়ে আছে সন্নিকটে, মাথার ওপাশে ক্ষুধাত্ব কয়েকটি মানুষ খাবি খাচ্ছে জঠরের বিষে, দিন যায় রাত্রি আসে, রাত্রি যায় দিন আসে, ধারাপাতের সরল অংকের মতো মিলে যায় সবই কিন্তু একটা প্রশ্ন তারপরও আকাশে-বাতাসে খেলে যায়, নদী যেমন বয়ে যায়, বাতাস উড়িয়ে নেয় সবকিছু, কিন্তু মানুষ তো কিছুই পারে না, সে শুধু আকাশের দিকে নির্বিকার তাকিয়ে থাকে, ক্ষুধা-দারিদ্র-হতাশা আর বেকারত্ব নিয়ে হা-হাপিত্তস করে মরে। রাতের অন্ধকার ছিন্ন হয়ে সূর্য নেমে আসে, মেথরপাড়ার শুয়ারের দল ঘ্যাঁৎ-ঘ্যাঁৎ করতে-করতে তেড়ে আসে জঠরের জ্বালায়, এদিকে চেয়ারম্যান রিলিফের চাল-গম ঢেউটিন চুরি করে মাদ্রাসা বাড়ায়, মসজিদ নির্মাণ করে নিত্য নতুন, মাথায় টুপি পড়ে নতুন আলেমের দল ছুটে যায় জিকির করতে-করতে ফুলবাগান থেকে জান্নাত। দেশ-গাঁয়ের মানুষ আরো বেশি-বেশি ধার্মিক হয়, কাতারে নামাজে শরীক হয়, পাঁচবারের কাতারের নামাজে শরীক হলে নেকি দ্বিগুণ-তৃগুণ, গুণের শেষ নেই, সামনে বছর আবার শুকুর হজে যাবে, হজে একবার যে যায়, তার শরীরে নেশা ধরে যায় শুকুর বলে, এদিকে সাত্তারেরা জীবন নিয়ে পালাতে চায়, কোথায় যাবে জানে না, কুকুর-শেয়ালের চিৎকার, শুকুরের হজের নেশা আর ঘওে পড়ে আছে ক্ষুধাত্ব সব মানুষের কষ্ট, তার ভেতর দিন যায় কিন্তু দিন কি যায়, বছরের বারো মাস যে অন্ধকার, সেখান থেকে অন্ধকারের নেশা নিয়ে তেতলে-পটলা-মফি এবং হোসেন মিয়া বা সাত্তরেরা খাবি খায়, সূর্যের দিনের দিকে তাকিয়ে থাকে, হয়তো একদিন নদীভাঙা মানুষের মতো ফিরে পাবে একটু আশ্রয়। ###



advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement