আমি বৈশাখী ঝড়ের রাক্ষুসে দাপট দেখেছি

গনগনে আলোয় তেজদীপ্ত সূর্য দেখেছি

বসন্তে ভোরের স্নিগ্ধ হাওয়ায়

সবুজ ফসলে বিস্তীর্ন মাঠ দেখেছি

কালো মেঘহীন অসীম নীলাকাশ দেখেছি

সাদা পাখনায় ভর দিয়ে

ঝাকে ঝাকে বলাকাদের উড়তে দেখেছি

শিকারীর বুলেটে আহত

মাটিতে মুখ থুবরে ওদের ডানা ঝাপটাতে দেখেছি

ফোটা ফোটা রক্তে সবুজ ঘাস রঞ্জিত হতে দেখেছি।

আমি অনেক মাকে তাদের সন্তানদের

যুদ্ধের সাজে সাজিয়ে দিতে দেখেছি

আবার যুদ্ধ শেষে অনেক মায়ের চোখে

অশ্রুর বন্যা বইতে দেখেছি।

আমি প্রিয়ার কাজলকালো যে চোখে

অন্তহীন ভালবাসার ছাপ দেখেছি

সে চোখেই আবার দেখেছি আমি

প্রচন্ড ঘৃনা, ক্রোধ আর ভয়।

ওর বুকে এখনও

হিংস্র পশুর ধারালো নখের দাগ।



এখন আমি ওর চোখে চোখ রেখে

তাকাতে পারি না- তাকালেই

নাকে আমার বারুদের গন্ধ আসে

আমার বুকে বৈশাখী ঝড় ওঠে

চোখে আমার গনগনে আগুন জ্বলে

ঘৃনার

ক্রোধের

প্রতিশোধের ।

আমি তখন অস্ত্র হাতে ওদের খুজে বেড়াই

খুজে বেড়াই।