উৎসর্গ পঙক্তি: বাতাস বুঝিনি বলে বসেছি শিকড় তলে হাজার জলের ব্যথা পড়ছি নতুন জলে.. এও তো নতুন বোধনের পাড়ি.. এও তো জগৎলিপি.. জখমিত ধ্রুবতারা গীতি.. এ নব ত্রিকাল জাল এ নব গানের বাড়ি তারই জন্য উদয়াস্ত স্বপ্নাকাশে ধাই..
বাতাসেরও ধারণাতীত মেঘ ভর্তি 'হাই '
বলে ভাসাই উনপঞ্চাশ বর্ণ উদাস থিম... যেন সে আগুন পানা স্বপ্নাদ্যের দিন! যেন সে বাংলা ডানা রক্তজয়ী ধুমতানানানানা! তারেই বলি জগৎজয়ী বাংলা মা তুই রক্তভেজা শ্রেষ্ঠ লিপি শ্রেষ্ঠতম বই। তোকে পড়তে-পড়তে মন পোড়ে আর মন ভিজে যায় হাজার পাতার। তুই আমাদের এপার-ওপার এক করা প্রাণ। গানের অধিক গান। গানের পাশেই খোলা খেলাধুলোর গাঁ। গাঁয়ের পাশেই চিতা
ছমছমে মনটলা.. সেও বুঝি কার মিতা। সেও বুঝি কার মনো জিয়া টানে দিনরাত্রি এক করা সব বর্ণমালা জানে। জানে অগ্নিঝরা পথের খবর যত ঝর্ণা সম রক্তধারায় লিখেছে যে কত বাংলামায়ের অজর গাথা.. বাংলাভাষায়.. স্বপ্ন মাখা। বুঝি হাজার বছর ধরে বুঝি হাজার চিতার 'পরে আজ ঢালতে এসেছি জল.. জ্বালতে এসেছি শিখা তুর স্বপ্ন কলরবে..
তার পার থেকে পার ছুঁয়ে তার হৃদিজলরেখাভার ছুঁয়ে বসেছি সত্যের পাশে। বসেছি সন্ধের অনন্ত গন্ধের পাশে। বলি: ও মন চিনেছ শিশুতোষ ঘোর? বলি: ও মন চিনেছ প্রথম প্রহর? বলি: ও মন ভেঙেছ যোজনমুখর দূর? বলি: ও মন সেধেছ অবাঙমুখর সুর?
দূর কিন্তু দেখে যাচ্ছে সব! সমস্ত দু:খের 'পরে ভেসে ওঠা বালুচরে দু:খহীন স্বপ্নাদ্যের শব!
তারে কি বলব সব! তারে কি বলব শব!
বলব বলেই এই এতকাল শেষে ধরেছি সন্ধের হাত গান ভালবেসে।
শেষতক তবেতো হলোই ফেরা এই এষণায় দেশে-দেশে ঢঁ্যাড়া
পিটিয়ে তবেই যাব মা সান্ধ্যরাগে! শ্যামের বাঁশরী ছাড়া কি বেদনা জাগে! জেগেছিল বটে মা তোমার সকল দেশের সেরা সে মেঘমল্লার.. আজও বাজাই সেই সনাতন রাগ..
আজও তোমায় চাই.. শ্যামলিম.. শতভাগ..শতভাগ!
এই যে জগৎভার এই যে জয় ও হার
ও মা মনে আছে তোর পদচি্েহ্ন প্রথম দেখার ঘোর!
আমার ছিলনা আদিখ্যেতা ছিলনা অভিজ্ঞা অশ্রুজেতা কেবল দু'দশ ক্রোশ হেঁটে আসা কেবল হঁ্যা ও না দুইয়ের মধ্যবতর্ী চাষা!
তারও বিস্তর সূর্যাস্তের পর
সবুজিয়া আসঙ্গের তীব্র কিছু স্তর
কিছুটা অচিন আনন্দনের সেতার..
আশাবরী থইথই অধরা সে ভার
মা তোর আকাশতল আলো করে বলে: আমি তোমার মরণ জলেস্থলে.. আবার জীবদ্দশায় মুগ্ধ বই! ছায়াগন্ধি পাতায়-পাতায় বন্ধু হই!
পাতা ও ছায়া মা তোমায় বড়ো ভালবাসে.. প্রার্থনারও ব্যাপক হৃদয় ভালোবাসে। যেন আলোকভাসান করতলে ফুলেল ভাষায় কথা বলে..
মা তোমায় মনে পড়ে.. মা তোমায় মনে পড়ে।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
বিন আরফান. N/A
চালিয়ে যান একদিন বড় হবেন. ইনশা-আল্লাহ. অপূর্ব মনের মাধুরী মিশিয়ে লিখেছেন . খুব ভালো হয়েছে. আমার লেখা বঙ্গলিপি / স্বাধীনতা পড়ার আমন্ত্রণ রইল
বিন আরফান. N/A
একজন লেখক হিসাবে আপনি স্বার্হক এত সুন্দর কবিতা লিখেছে. আর একজন পাঠক হিসাবে আমি ধন্য যে আপনার এতো ভলো একটা কবিতা পড়তে পেরেছি চালিয়ে অন একদিন বড় হবেন. ইনশা-আল্লাহ. অপূর্ব শুরুতেই মনের মাধুরী মিশিয়ে লিখেছেন . খুব ভালো হয়েছে. আমার লেখা পড়ার আমন্ত্রণ রইল. <a href="http://www.golpokobita.com/golpokobita/article/736/372" target="_blank" rel="nofollow">http://www.golpokobita.com/golpokobita/article/736/372</a>
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।