– এমনভাবে কি দেখছ ?
– কেন ? ঐ চোখের ভ্রমর, দু’ঠোঁটের প্রেমপদ্ম, চিবুকের আড়ম্বর, মনের আচ্ছন্ন রঙিন স্বপ্ন, শরীরের বেফাঁস ডানা আর একখানা থৈ থৈ টইটুম্বুর নদীকে।
– শুধুই কি দেখছ ?
– না, স্কেচও এঁকে নিচ্ছি।
– কি হবে স্কেচ করে ?
– যার জন্য বাঁচছি। যার জন্য বাঁচব।
– ইস্‌ ! সব ডাহা মিথ্যে কথা।
– মোটেই না। সারাদিন জং ধরে ছিলাম। এখন দ্যাখো ক্রান্তিকালের বাহারে আবারও কেমন করে নির্ভুল অনিবার্যজেগে উঠছি !
– কেন, তুমি কি হাঙর ?
– কই না তো ! চারুকলার মধ্যে আমি শুধু উদ্দাম স্বতোপ্রকাশ।
– তাহলে দেরি না করে এবার আমাকে তোমার মধ্যে জায়গা করে দাও ; যেভাবে লুকিয়ে বেঁচেছো এতটাকাল।
– সে আর বলতে, শুধু ভাবছিলাম।
– আবার কি ভাবছিলে ?
– আমাদের মধ্যে আরো কোনো সম্পর্ক আছে কিনা ?
– কিছু কি খুঁজে পেলে ?
– হ্যাঁ।
– কি ?
– সেসব দেখাতে হলে, তাহলে আমাকে আরো একবার দুষ্টু এবং অসভ্য হতে হবে।
– তবে থাক।