বাঙালীর উৎসব, উৎসবের বাঙালী, ঋতু গুনে বদলিয়ে আসে ছয় উৎসব
প্রথমে বৈশাখ দোলা হৃদয়ে, মেতে উঠে নারী পুরুষ গেয়ে উঠে এক শুরে
তারপর বর্ষা, রিমঝিম শুর তার আরও আছে দামাল ছেলের ভেলায় ভাষার খেলা
শরত আসে কৃষকের মুখে হাসি নিয়ে, মাতে তারা নতুন ধানের নবান্নের উৎসবে
হেমন্ত শুরু শীতের আমেজ নিয়ে, তারপরই শীতে আসা চাদর গাঁয়ে
পিটা পুলি আর খেজুর রসের গুড়ে শীতে উৎসব উঠে জমে,
ঋতু রাজ বসন্ত আগমনে তার কুহু কুহু গাঁয় কোকিল, শুরু হয় নতুন গান জেগে উঠে নতুন প্রাণ

শুরু হলে উৎসব, ভুলে যাই ধর্ম কি বা গোত্রের ভেদাভেদ
মুসলিম জাতি, এলে তাদের ঘরে পবিত্র দুই ঈদ, করে তারা কোলাকুলি,
ভুলে যায় তারা ধনী কিবা গরীব, ভাগাভাগি হয় সবটুকু খুশি,
হিন্দুরা মেতে উঠে সীমাহীন আনন্দে, শারদীয় উৎসবের দিনে
ভাগাভাগি করে নিতে বা দিতে হয় না ভুল হিন্দু, মুসলিমে বা শিখে
বড়দিন শুধু তাদের নয় যারা খিষ্ট্রান, বড়দিনের আনন্দ ভাগ পায় সবে হিন্দু কি মুসলিম
উপজাতীয় উৎসবে জেগে উঠে বাঙালির চেতনা, হাজার বছর ধরে রেখেছে যে বুধে ধরে

খালি পায়ে হেটে ফুল দিতে যায় সবে একুশের প্রথম প্রহরে,
সাজ সাজ রব থাকে সারা দেশে, স্বাধীনতা আর মহান বিজয়ের দিনে,
নাচ গানে মেতে উঠে ছোট বড় সবে, বাড়িতে পড়লে বিয়ের পয়গাম,
সব উৎসব হয়ে উঠে হাসি আর আনন্দের খেলা, এক শুরে গাঁথা
থাকে না ভেদাভেদ থাকে না স্বার্থের কোন খেলা,
এভাবেই কেটে যাক হাজার বছর, সব শেষে এই শুধু চাওয়া