আগুন যদি লাগে আরো দৃঢ় হয় প্রাচীরকারন তা মাটি দিয়ে তৈরী বলে,
কিনতু তারও তো একটা সীমা আছে
প্রথমে দৃঢ় হবে, তারপর দৃঢ়তম, তারপর ঝামা, অতঃপর ছাই।
তারপর আর কিছুই থাকেনা বাকী
সবকিছুই প্রবেশ করে শুন্যতায়, যার ভিতরে আছে অনন্ত মহাকাল।
নির্বিবাদে পড়ে থাকা শুধু অপেক্ষায়
যদি ডাক আসে সেই কারিগরের, যে বানিয়েছে এই দেহ পিঞ্জর
ছাই হওয়া শুন্যতায় আপাত মনে হয় মিটে গেল সব
দেনা-পাওনা, হিসেব-নিকেশ, চাওয়া-পা্ওয়া…
কিনতু এই ইহজাগতিক ঋণ যেটা লিপিবদ্ধ আছে তার কাছে
তা কি হল বিলীন ঐ ছাইয়ে?
কালি ফুরিয়ে যাওয়া কলম কে রাখে হাতে?
আমাকে অক্সিজেন দিয়ে তাজা রাখা সেই ঝোপ
আমিই কেটে করেছি সাবাড় কোন ফল হয় না বলে তাতে
তাহলে আমাকেই-বা রাখবে কেন সে
এই আলো, বাতাস, বৃক্ষ, মাটি, অন্তরীক্ষে, হাসি, আনন্দে
ফুলে-ফলে, শস্য-জলে আমাকে পুষেছে যে, তার যদি না-ই বা লাগি কোন কাজে !
আইন মানিনি বলেই ত মামলা দিল পুলিশ
সাজা দিল আদালত, একবার কি ভেবেছি আরো একটা আছে আদালত?
সারাটা জীবন সবকিছু দিয়ে দিয়ে পার করিয়েছে যে
এতগুলো বসন্ত আমায়, একবার কি ভেবেছি কী দিযে মেটাব সেই ঋণ?
তবে কি ফিরে যেতে হবে সেই আগুনের কাছে,
পুড়ব, পুণরজ্জিবীত হব আবার পুড়ব…
না না চাই না যেতে জাহান্নাম
হে পরম দয়ালু, হে সর্ব শক্তিমান
আমাকে বিশ্বাসী করো,
আমাকেবিশ্বাসীকরো, মেনে নেই যাতে তোমার ফরমান।