আমাকে অক্ষে রেখে
পেছনে ধোঁয়ার রশি কিংবা ধুমকেতুর লেজের মত
বুঝতে পারি ছুটে যাওয়া তোমার আনাগোনা
ছুঁয়েও যেন ছুঁবে না আমায় !
তুমি দৈত্য নও,তবুও আলাদিনের চেরাগ থেকে বেরিয়ে আসা ওটার মতন
ফেটে পড়ো অট্টহাসিতে হু হু হু হু হা হা হা হা ……
যেন আমার অপেক্ষার অস্থিরতা দেখে
ভেসে থেকে মাথার উপর নব্বই ডিগ্রী উলম্বনে।
কখনো আমার পায়চারিতে নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে থাকা
ইউক্যালিপটাসের ডগা ধরে ঝির ঝির ঝির ঝির প্রচন্ড ঝাকুনিতে,
কখনো সকালের ঝরা শিউলির মত
আমার অপেক্ষার সাথী হওয়া হিজল’টার নুয়ে থাকা মঞ্জরী থেকে
লাল লাল সব পাপড়িগুলো ঝেড়ে ফেলে
অভিমানি চিবুকের মত রক্তাক্ত করো শিশির ভেজা ঘাস
জানান দাও তুমি আছো আশে পাশে।
জানি তুমি অপ্সরী এক
ফড়িং ডানায় উড়িয়ে দিয়ে ছন্দে মাতাল হাওয়ার আঁচল
অবলোকন কর চারপাশ আমার।
কিন্তু আমি তো মানুষ, অস্থিত্ব বুঝে নিতে স্পর্শ নিউরণ করে নিশপিশ
বিশ্বাস করতে পারি না তুমি থেকেই যাবে অধরা
নাগালের বাইরে কোথাও….
তাই প্রত্যাশার কোমরে ঘন্টা বাঁধি
এক প্রস্থ লাঠি হাতে মন্ত্র জপা চালান-প্রহরীর সামনে ফেলে বাটি
সলতে জ্বালি অন্তর কুপিতে তোমাকে খুজে পাবার।