বোধোদয় হয়েছে আমার

আমার আমি সংখ্যা

কাজী জাহাঙ্গীর
  • ৬১
সকাল থেকে খুব করে বৃষ্টি হচ্ছে । হোটেলের বারান্দায় দাড়িয়ে দাড়িয়ে বৃষ্টি ঝরা দেখছি । ছয়তলা ভবনের কার্নিশ বেয়ে গড়িয়ে পরা পানিগুলো যখন নিচতলার লনে দাড়িয়ে থাকা গাছের মগডালে পড়তে থাকে গাছগুলো থেকে যেন আরো সবুজ ঠিকরে বেরিয়ে আসছে, পত্র-পল্লবে সুশোভিত বৃক্ষরাজি আ-হা মনে কী যে দোলা দিয়ে যায় ।সারাদিন একটানা কাজের মাঝে ক্লান্ত চোখ গুলোকে বাঁচাতে একটু সবুজের দিকে দৃষ্টি মেলানোয় চোখের জন্য যেন মহৌষধ ।
- আ হা আমার প্রকৃতি, আ হা আমার দেশ।এদেশের চেয়েও অনেক সুন্দর।
হঠাৎ মুঠো ফোনের শব্দে আমার চিন্তায় ছেদ পড়ল । বাংলাদেশ থেকে মনসুর ফোন করেছে।
- হ্যালো সোহেল ভাই, শেষ পর্যন্ত আপনার ধারনাই যেন ঠিক হতে চললো।
- কেন কি হল, কিসের কথা বলছেন ?
- ঐ যে সুন্দরবন, সুন্দরবনের কথা বলছি । কাল তো লিডার সাফ সাফ জানিয়ে দিল, সুন্দরবন কে মনে হয় আর বাঁচান গেলনা, আপনার ধারনাই ঠিক আমরা ২য় বার হারতে চলেছি।
মনসুরের কথার কোন উত্তর দিতে পারিনি, শুধু হুঁ হুঁ করে ফোনটা শেষ করেছি।তাকে বলার ভাষা যেন হারিয়ে ফেলেছি । আজ দু’দিন ধরে ফেবু’তে লিডারের বক্তব্যের ‘কোড আনকোড’ দেখতে দেখতে মনটা একেবারে বিষিয়ে উঠেছে ।বছর পেরিয়ে গেছে ভিয়েতনাম এসেছি । মনের মধ্যে একটা তোলপাড় ছিল ‘হালং বে’ দেখার প্রত্যাশায়।ভিয়েতনামের মাটিতে নেমেই তাই সুন্দরবনের স্মৃতিটা মনের মধ্যে কেমন করে যে ঘুর পাক খাচ্ছিল বোঝাতে পারবোনা।
মনের মধ্যে অনেক দ্বন্ধ ছিল যেদিন মনসুর কে প্রস্তাব দিয়েছিলাম ‘বিশ্বের প্রাকৃতিক সপ্তাচার্য্য’ নির্বাচনের প্রচার কার্যে আমার সাথে কাজ করার জন্য।আমি ভাবতেই পারিনি এক বাক্যে সেরাজী হয়ে যাবে, কারণ হচ্ছে মতাদর্শের ভিন্নতা। ভিন্ন মতাবলম্বী মানুষের সাথে কাজকরার মানসিকতা এখনও আমাদের সমাজে গড়ে উঠেনি ।কিন্তু দেশের প্রশ্নে মনসুর সেদিন যে উদার্য্য দেখিয়েছে তাতে আমি পুরোপুরি বিমোহিত হয়ে গেছি। একটা সাংষ্কৃতিক সংগঠনের ব্যানারে ‘সুন্দরবন’কেভোটদিন’শিরোনামেসেদিনক্যাম্পেইনপরিচালনাকরেছিআমি, মনসুর, জামশেদ সহ বেশক’জনবন্ধু-সহপার্টিরা।সহপার্টিরা।হাজার খানেক প্রচারপত্র বিলি করেছি শহর জুড়ে ।সুন্দরবনের জন্য ভোটচেয়ে পত্রিকার পাঠক কলামে ফিচার লিখেছি।অবশেষে এক দিন দশটা ল্যাপটপ সংগ্রহ করে ব্যানার ফেস্টুন টাঙিয়ে ভোট উৎসবের আয়োজন করে সংগঠন কার্যালয়ে বসেছি ভোট সংগ্রহ করারজন্য।এর ফাঁকে চলছিল গানের আসর, সংগঠনের নিজস্ব শিল্পীরা পরিবেশন করে চলছে পর পর দেশাত্ববোধক গান।কিন্তু কতোটা ভোট সংগ্রহ করতে পেরেছি এত আয়জনের পর সেই কথাটা মনে হলে এখনো অন্তর জ্বালায় জ্বলি।
সমাজের উঁচু তলায় যাদের বসবাস, যারা সারাক্ষণ কম্পিউটার , মোবাইল, ইন্টারনেট ইত্যাদি নিয়ে কায়কারবার করেন তাদের মধ্যে সুন্দর বনেরএইআবেদনটা দাগ ফেলেছে বলে মনে হয়না আমারা সরকারি ভাবে প্রচারণার ওকোন বিশেষ উদ্যোগ ছিলনা তখন,শুধু মাত্র শেষ দু’দিনের সরকারি প্রচারনা ছাড়া।কিন্তু যাদের ভোট নেওয়ার জন্য মাঠে নেমেছি তাদের বেশির ভাগ লোকই ডিজিটালে রডও জানেন না যতটা আমরা ডিজিটাল ডিজিটাল বলে ঢোল পেটাচ্ছি, অনেকেরই কোনই-মেইল অ্যাড ছিলনা, তাই বেশী সময় গেছেই-মেইল হিসাব খুলতেই।সেদিনই অনুধাবন করতে শুরু করেছিলাম সুন্দরবন হেরে যাচ্ছে, হেরে যাচ্ছি আমরা মানে হেরে যাচ্ছে বাংলাদেশ।কক্সবাজার অনেক আগেই হেরেগেছে, সুন্দরবন ২১তম স্থানেটি কে গিয়ে আশাটা বাঁচিয়ে রেখেছিল কোনর কমে।সেদিন ভোটদিতে গিয়ে দেখলাম সিস্টেমেট্যাগ করা আছে প্রতিটি ভোটারকে একসাথে সাতটা ভোটদিতে হবে,আর ভোটদিয়ে চিনেছিলাম-ভিয়েতনামের‘হালংবে’কে।
এখন মন সুরের কথাটাই মাথাটায় যেন বারবার হাতুড়ি পেটা করছে। যে সুন্দরবন ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট’ হিসাবে আমাদের ঐতিহ্যের অংশ হয়েছে, আজ একটা রামপাল এসে আমাদের চেতনাকে এভাবে ফুটো করে দেবে ভাবতেই একটা অসহ্য যন্ত্রনায় মনটা ছটফট করে উঠে । রাজনৈতিক তর্ক-বিতর্ক আমার বিষয় নয়, আমার আবেগ হল আমার প্রকৃতি, আমার অনুভুতি হল আমার জন্মভূমি, আমার দেশ।আমার গর্ব হল আমার ঐতিহ্য, আমার প্রত্যাশা আমাদের নির্মল পরিবেশ। এই নিয়েই তো আমার আমি, যদি নিজের দেশের ভালোটাই না বুঝি, নিজের দেশটাকেই যদি ভালবাসতেনা পারিতাহলে কি মূল্য আমার এই আমিত্বের।
ভিয়েতনাম এর রাজধানী হ্যানয় এ আসার পর শত শত পর্যটক দেখে সেদিন খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। বার বার মনে হচ্ছিল
-আ হা রে আমাদের সুন্দর বনটা যদি নির্বাচিত হতে পার ততাহলে আমাদের দেশেও আজ পর্যটকের ভিড়লাগত, এই পর্যটনকে ঘিরেই চারপাশের অনেক অভাব গ্রস্থ মানুষ পেয়ে যেত একটা নতুন বানিজ্যখাত ।কৃষির পর যেভাবে দাড়িয়েগেছে পোশাক শিল্প, সেভাবেই হয়তো সুন্দরবনকে ঘিরে দাড়িয়ে যেত পর্যটন খাত,দেশের আয় হতো অনেক বৈদেশিক মুদ্রা।শেষ পর্যন্ত হালংবের সবুজ জলের প্রমোদ তরীতে ভাসলাম ঠিকই, টাইটানিক সেই বিখ্যাত দৃশ্যের মতদু ’হাত ছড়ীয়ে দিয়ে পাখি হতে চাইলে ওমনের মধ্যে জপমালা ছিল সুন্দরবন, সুন্দরবন।
নিয়তির নির্মম পরিহাস করমজল’ এর সেই কোমল হরিণ শাবক যেটাকে সবুজ পাতা খাইয়ে ছিলাম সে,আর ক্রোক ডাইল পয়েন্টের কর্দমাক্ত মাটিভেদ করে শ্বাস নিতে বেরিয়ে আসা শ্বাস মূলগুলো যেন এখন প্রচণ্ড শ্বাসকষ্টে ছটফট করছে।কয়লা, কার্বন, সিসায় ও দের শ্বাস কষ্টের কথা ভেবে হালংবে’র তরীতে ভেসে থাকা আমার ও যেন দম বন্ধ হয়ে আসছে।ভিয়েতনামি সহকর্মিদের বলে ছিলাম আমাদের ও আছে বিশ্বের দীর্ঘত মসমুদ্রসৈকত,আছে বিশ্বের বৃহত্তমম্যানগ্রোভফরেস্ট‘ সুন্দরবন’, এবার কী বলবো তাদের কাছে আবার ? তাদেরকে কি বলতে পারবো রামপালনামের একটা বৈদ্যুতিক দৈত্য আমাদের সুন্দরবন কে খেয়ে ফেলেছে ?নিজের অজান্তেই হাতের আঙ্গুল গুলো চুলে রাগোরায় ডুকে গেছে, ইচ্ছে হল নিজের চুল নিজেই ছিঁড়ে ফেলি।ঠিক তাই করলাম চামড়ার উপর চিমটি না কেটে চুলের গোঁড়ায় টান দিয়ে নিজের অস্ত্বিত্ত কে পরখ করলাম বেঁচে আছি কিনা।
সুন্দরবন শেষ হয়ে যাবে কথাটা ভাবতেই একটা তীব্র ঘৃনায় মনটা ধিক্কার দিয়ে উঠেদেশের শীর্ষ স্থানীয় নীতি নির্ধারকদের উপর।নিজের টাকায় শতভাগ মালিকানায় দেশের প্রয়োজনে হাজার টা বিদ্যুত কেন্দ্র বানানো যাবে কিন্তু একটা সুন্দরবন কি বানানো যাবে? আমরা কি ভুলে গেছি রাষ্ট্রীয় সেই শ্লোগান‘ গাছ লাগান, পরিবেশ বাচান’।আমরা কি ভুলেগেছি বিশ্ব ধরিত্রি সম্মেলন এর কথা যেখানে জল বায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে ক্ষতি গ্রস্থদেশ হিসাবে সোচ্চার ছিল বাংলাদেশ।এখনও ক্ষতি পূরণের টাকা আদায়ে যে দেশ দনদরবার করে যাচ্ছে-আমি কিছুতেই বুঝতে পারিনা সেই আমরাই কেন আবার প্রকৃতিধ্বংস করার কাজে উম্মত্ত হয়ে পরেছি । একটা দেশের সুস্থ পরিবেশের জন্য চাই ২৫ভাগ বনভূমি এটাই আন্তর্জাতিক পরিমাপ সেখানে আমাদের আছে মাত্র ৯ ভাগ, সেই নয়ভাগেও আজ আক্রমন? অতিষ্ঠ উন্নয়নে সভ্যতা নিঃশ্বাস ফেলতে নাপেরে যদি বলে উঠে ‘ফিরিয়ে দাও অরণ্য আমার লওহেনগর’ আমাদের কি আছে সে উত্তর ?
নেই, কোন জবাব নেই আমার কাছে। মনে হচ্ছে এবার তাহলে ২য় বার হেরে যাচ্ছি, প্রথম বার হেরেছি ভোট যুদ্ধে, এবার হারছি বিবেকের কাছে। ফারাক্কার কারনে শুকিয়ে যাওয়া পদ্মা’র মত নতুন প্রজন্ম কুড়ি বছর পরযদি জিজ্ঞেস করে ‘আমাদের সুন্দরবনটা কোথায় ছিল দাদু’,হেরে যাচ্ছি সেই প্রশ্নের কাছে। ইউনেস্কো বিশ্বের কাছে আমার ঐতিহ্যকে তুলে ধরার যে সুযোগ আমাদের দিয়েছিলো আমার মনে হচ্ছে সেই হাতের লক্ষ্মী পায়ে ঠেলে আত্মহননের পথটাকেই বেছে নিচ্ছি আমি।
-না না আত্মহনন পরাজয়ের লক্ষণ, আমি পরাজিত হতে চাইনা। আমি প্রতিবাদ করতে চাই, প্রতিবাদ করে আমি আমার আমিত্বকে জাহির করতে চাই। তেভাগা আন্দোলনের কথা শুনেছি, ফকির বিদ্রোহের কথাও শুনেছি। বন্দিশালার গরাদ ভাঙতে হয়তো নুর হোসেন হতে পারবনা, কিন্তু দেশকে ভালবেসে যারা পথে নেমেছে তাদের মিছিলের পিছনে থেকেও কি একটা শ্লোগান তুলতে পারবোনা, তাহলে কিসের নাগরিক আমি, আমার মত এই অথর্ব নাগরিককে বুকে ধারন করে কী লাভ এদেশের?
এসব এলোমেলো ভাবনা কুরে কুরে খাচ্ছে আমাকে আর মনটা বলছে ভিন্নমতাবলম্বী হয়েও আমি আর মনসুর সেদিন এক হয়েছিলাম সুন্দরবনের জন্য, আমাদের ঐতিহ্যের জন্য, আমাদের মাতৃভূমির জন্য। এবারও সেরকম যদি সুন্দর বনের শ্বাসমূলের মত শ্বাস কষ্টে ভোগা দ্বিধা বিভক্ত লক্ষ জনতা এক হয়ে নি লক্ষা আকাশের নীচে দাড়িয়ে‘নুরলদিন’ এর মত‘জাগো বাহেকোনঠেসবায়’বলেচিৎকার করে উঠার মত চিৎকার করে বলে উঠে ‘হাজারটা বিদ্যুৎ কেন্দ্রহউক আপত্তি নাই, কিন্তু রামপাল চাইনা, সুন্দরবনচাই’, তাহলে আমিও মিছিলে যাবো,বোধ উদয় হয়েছে আমার।আমারঐতিহ্যেরজন্য আমি ইতিহাস হবো, আমার উত্তর প্রজন্মের জন্য আমি ইতিহাস হবো, আমার আপন সত্ত্বায় আমি উদ্ভাসিত হবো ।

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
মোজাম্মেল কবির লেখায় পরিবেশের প্রতি দেশের প্রতি যথেষ্ট আবেগ জড়িয়ে আছে। লেখায় কিছু কিছু শব্দ জট দেখা গেছে। একটু সতর্ক থাকতে হবে। শুভ কামনা রইলো।
কাজী জাহাঙ্গীর অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা আপনার মুল্যবান সময় দেওয়ার জন্য।
মোহসিনা বেগম ভালো লিখেছেন ------।। শুভেচ্ছা ।।
কেতকী মণ্ডল আপনার টপিকগুলো খেয়াল করেছি। সমসাময়িক, দেশ প্রেম নিয়ে খুব সোচ্চার আপনার কন্ঠস্বর (সাহিত্য)। পড়তে পড়তে মন খারাপ হচ্ছিল...কী কঠিন বাস্তব! গল্পটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো দরকার। ভোট রইল গল্পে। -মূল গল্পের প্রথম দুই লাইন কর্তৃপক্ষের কাছে বলে বাদ দিতে পারেন। ওগুলোতো মূলত শিরোনাম আর লেখকের নাম যা মূল গল্পের অংশ হয়ে গেছে। শুভেচ্ছা রইল অনেক।
কাজী জাহাঙ্গীর পাঠক যখন বুঝতে পারছে যে ওটা গল্প আর লেখকের নাম তাই এ নিয়ে ভাবছি না, সব গল্পের মূল ভাবটায় বাস্তবতার ছোঁয়া থাকে, আমরা লেখকরা কিছু মাল-মসলা যোগ করে উপাদেয় করি, অনেক ধন্যবাদ ভাল থাকবেন।
ভুতুম প্যাঁচী খুব ভালো লাগল। শব্দগুলো এদিকওদিক হয়ে গেছে। শুভকামনা ও ভোট রইল।
কাজী জাহাঙ্গীর প্রকাশনায় শব্দ জুড়ে গিয়েছিলো, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, ভালো থাকবেন।
আহা রুবন চমৎকার লিখেছেন। কিন্তু হতাশ হচ্ছি পাঠক গেল কোথায়!
কাজী জাহাঙ্গীর আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সহযোগিতা করার জন্য, তাড়া নেই ধীরে সুস্থে এগুতে চাই, ভাল থাকবেন।
কাজী জাহাঙ্গীর জায়গয় জজায়গায় শব্দ গুলো সব এক হয়ে গেছে, পাঠকরা পড়তে পারছেন না, এ ব্যাপারে কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি
কাজী জাহাঙ্গীর সম্মানিত এডমিনের কাছে অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা।

২৪ আগষ্ট - ২০১৩ গল্প/কবিতা: ২ টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।

প্রতি মাসেই পুরস্কার

বিচারক ও পাঠকদের ভোটে সেরা ৩টি গল্প ও ৩টি কবিতা পুরস্কার পাবে।

লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন

  • প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।

বিজ্ঞপ্তি

“ফেব্রুয়ারী ২০২২” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২২ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।

প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী