দিকভ্রষ্ট কোন না কোন দিকেই বালুকা সঞ্চয় করে
তাতেই পাহাড় প্রমাণ চোখ রাঙানি দিগন্ত গড়ে নেয়
পাদদেশে কিছু অন্ধকার লুকিয়ে ছলাকলা চালিয়ে যায়
ছলনার আশ্রয়ে ভুল বোঝানো বঞ্চনার চাষবাসে
মাঝে মাঝে লোভের সর্তক নিড়ান দিয়ে যায় ,
পাশ দিয়ে বয়ে চলা মোহ নদীর অবাধ অববাহিকায়
রক্ত হাড় মাংসের ঠাণ্ডা স্রোত
রক্তশূন্য সারা বালুকাবেলা হাঁ-করে দেখতেই থাকে ।
এ পাহাড় ভেঙে আবার পাহাড় আবার
বসতে না পাওয়া ঈগলের ডানায় চোখে মুখে
অনৈতিক অপুষ্ট পরিকল্পনার লুটে নেওয়া ছাপ
লাট্টুর মত আবার বালু কণায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে অশান্ত ।
মেরুকরণে ভোরের পাখি নিরাশার গান গায়
মাথায় মাথায় জন্ম নেয় ক্ষমতার লিপ্সা
পরাভব বিকিরণ আরো দলিত করে দেয় মানুষে মানুষে
উঠে দাঁড়ানোর আগেই লক্ষ্যভ্রষ্ট খিদের চওড়া রাস্তা
ঠোক্কর খেতেই হবে পাহাড়ের গায়ে গায়ে
দুবেলা জোটানো সংসারে তুমি ক্রীড়নক
ভুল পাথরের পদাতিক আঁচড়মাত্র ।
ভাল করতে চাওয়া সর্বংসহা বুদ্ধি
ঠাণ্ডা ঘরের কোনায় কোনায় জবর দখল
হারিকিরি মুখোশে আক্রোশের বিদ্যুৎ চাহিদার অপভ্রংশে
বড্ড অপাংক্তেয় যন্ত্রণায় মাথা কুটে মরে
ভাবি রাজ্য দখলের সমূহ আধপেটা ক্ষেপে লাল
ঝাঁপিয়ে পড়া ষড়যন্ত্র ঘেরাটোপে
গোলাপ ফোটানো দু চারটে চোখেই পড়ে না দূর আলোকে ।
যত দিকভ্রষ্ট ততই পাহাড় প্রহরায় শত্রু
আগামীর ঘুম নেই বালুকার প্রদেশে প্রদেশে ।