ট্রেন-বাস-স্টিমারের ভিড়ে ও কেউ কেউ বেঁচে থাকতে পারে উত্তর বা দক্ষিণ গোলার্ধের আনকোরা স্ফটিকের মতো । মাথার উপর বরফের পুরূ আচ্ছাদন রেখে কাঙ্খিত গ্রিস্মের আকাঙ্খায় কাটিয়ে দিতে পারে বছরের প্রায় সমস্ত ভাগ । অকস্মাৎ সুর্যের তীর্ব উপস্থিতি যদি ফুটো করে দেয় বরফাচ্ছাদিত আকাশ জন্ম নিতে পারে প্রকান্ড গ্লেসিয়ার। গ্রিস্মের তাপে চাঙ্গা হয়ে হিমবাহে সাঁতরে জীবন যখন প্রণয়ের ধায় ছুটে যায় সমস্ত বছরের গ্লানি ঘোচাতে, প্রকৃতির নির্মম খেয়ালে ভারী বর্ষন-বাতাসে ভেঙ্গে-চূড়ে গুড়িয়ে দিতে তখনো আসতে পারে প্রলয়ংকরী কোনো মহাসেন। ধবংসস্তুপে দাঁড়িয়ে দিব্যি বিড়ি ফুকে যায় কেউ গ্রীস্ম শেষে যে আবার স্ফটিক হতে হবে ট্রেন-বাস-স্টিমারের ভিড়ে।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
আব্দুল্লাহ্ আল মোন্তাজীর
সমাজ-প্রকৃতি-বিজ্ঞানের জগত ঘুরতে ঘুরতে শেষে প্রত্যয়ে সমাপ্তি! বাহ্ । ভাল লাগল।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।