চৈত্র সংক্রান্তির শেষে এক নতুনের আগমন- ক্ষনে ভোরের পাখির মত বে হিসাবি নিদ্রাভেঙে কানের ভেতর অতিরঞ্জিত ভাবে ভেসে আসল রমনা বটমূলের রবীন্দ্র সংঙ্গীত। কোন যেন অচেনা সম্পক হৃদয়কে টেনে সুকন্ঠে বলছে, আজ নানা জাতি ধম মিলে পালা পার্বনে বাংলার সাথে গান গায় এক সুরে অমৃত ধারায় । মনের কুহেলি দূরে গেছে নব আগমন ক্ষনে, রৌদ্রের ছটায় সিগ্ধ ভাস্কর ফুটে উঠেছে অম্র পল্লবে। ঢাকে ঢোলে,গানের তালে নৃত্যরত মনটায়, রঞ্জিত বরনের ঢেউ উঠেছে অন্তরে অন্তরে ৷ ললাটে রক্তিম কুমকুমের ফোঁটা আর বাঙ্গালী ঐতিহ্যকে সঙ্গী করে কবরী মেলে নূপুর পায়ে, মনের ফাঁকেতে আলপনা এঁকে বর্ষবরণের সুরে ছেলে বুড়ো ব্যানার,ফেস্টুনে, মুখোশে এগিয়ে এলো সমুদ্রের ঢেউয়ের মত। বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গনে কবি এসে সুদীপ্ত নয়নে একখানা কবিতা পাঠ করছে । কেউ বা গায়-কেউ বা নাচের মাধ্যমে উৎসবে মেতেছে। পুরানো সব দিনগুলো ভূলে আজ নব আগমনের গান গায় লেনাদেনা মিটিয়ে যাব এক চির পরিচিত দিবসে, গ্রীষ্মের দাবদাহ ভুলে ওহে কবি গাও গান নববর্ষের তালে ৷
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
০১ মে - ২০১৩
গল্প/কবিতা:
৭ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।