লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২৭ ডিসেম্বর ১৯৯০
গল্প/কবিতা: ৮টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftপূর্ণতা (আগস্ট ২০১৩)

ভবিষ্যৎ
পূর্ণতা

সংখ্যা

মিছবাহ উদ্দিন রাজন

comment ৬  favorite ০  import_contacts ১,০২৯
বারান্দার দিকের জানালায় চার-পাঁচটা ছেলের মুখ এক হয়ে একটু পরপরই ফিসফিস করছে । আমি সামনের ঘরে ডানদিকে কাত হয়ে শুয়ে আছি । প্রচন্ড মাথা ব্যথায় আমার চোখ দুইটা খুলে আসতে চাইছে । খানিকক্ষণ থেমে থেমে ফিসফিসানির শব্দটা আরো বেশি বিরক্তিকর । কোন রকমে বাম দিকে ঘুরে তাকাতেই চারদিক থেকে এসে একই বিন্দুতে মিলিত হওয়া মুখগুলো মুহূর্তেই জানালার নিচে নুয়ে পড়ে আমার চোখের আড়াল হতে চাইলো । তৎক্ষণাৎ নিজেদেরকে আড়াল করতে পারার সাফল্য উপভোগ করতে গিয়ে সবকয়টা ছেলের মিলিত চাপা হাসি আমাকে আরো বেশি দগ্ধ করে । রাগে বিস্ফারিত হয়ে বিছানায় থেকেই ধমকানোর চেষ্টা করলাম ।
কিন্তু ধমকাতে গিয়ে মনে মনে যা স্থির করলাম তা আর মুখে উচ্চারণ করতে পারলাম না । এখন প্রায়ই মুখে উচ্চারণ করে কথা বলতে পারি না । কথা মুখে জড়িয়ে যায় । তাই লিখে দেখাতে হয় । এজন্য সবসময়ই মোবাইল ফোন সাইলেন্ট করে রাখি । বন্ধুদের কেউ কেউ পাঁচবার-দশবার ফোন করলেও ইচ্ছা হলে গুটি কয়েক শব্দের একটা এসএমএস পাঠিয়ে দায় সারি, ইচ্ছা না হলে এটুকুও করি না ।
বন্ধুরা আমার জন্য অনেক করেছে । কতগুলো চ্যারিটি সংগঠনের সাথে যোগাযোগ করেছে । ফেসবুকে প্রচারণা চালিয়ে চিকিৎসার জন্য টাকা জোগার করেছে । সকাল-সন্ধ্যা রদবদল করে দুইজন- তিনজন করে হাসপাতালে এসে খোঁজ নিয়েছে । দিনদিন চূড়ান্ত পরিণতি স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর হওয়ার পরও কয়েকজন আমার পাশে থেকে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছে । হাসপাতাল থেকে গ্রামে ফিরে আসার পরও ওরা অক্লান্তভাবে আমার খোঁজখবর নিয়ে চলেছে ।

যাহোক, ধমকের চেষ্টাতে একটা গোঙানির মতো শব্দ হলো বুঝতে পারছি । ভেতরের ঘরে আম্মা ছোটো ভাই-বোনদেরকে ভাত খেতে দিয়েছিলেন হয়তো । একটু আগে বাটির সাথে চামচের টুং টাং শব্দ শুনতে পেয়েছিলাম । তাছাড়া পড়তে বসলে ছোট বোন পুতুলের গলা ঢুলতে ঢুলতে খাদে নেমে গেলেও খাওয়ার সময় নিজের ভাগ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে গলা ঠিকই অনেক উঁচুতে থাকে । তাই খেয়েদেয়ে ওরা গভীর রাত পর্যন্ত শবে বরাতের নামাজের জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলো এটুকু আন্দাজ করাই যায় । গোঙানির শব্দ পেয়ে আম্মা ভাত ভাঁড়ার চামচ হাতেই আমার ঘরে ছুটে এলেন ।

“ কী হয়েছে বাবা ? কী হয়েছে তোমার ? ”

আম্মার মুখে আদর মাখা ‘তুমি’ সম্বোধন একদিক দিয়ে ভালোবাসায় সিক্ত করে দিলেও অন্যদিকে নিজের অসুস্থতার যন্ত্রনাকেই ঘা মেরে উস্কে দেয় । ছোটবেলায় ছোটবোনকে মেরে কান ফুলিয়ে ফেলার দায়ে বারান্দার খুঁটির সাথে বাঁধা অবস্থায় আম্মার হাতের রামধোলাই খাওয়া , এবং এরপর পুরোনো ডোরাকাপড়ের বাঁধন ছিড়ে দৌড়ে গিয়ে দূর থেকে আম্মার দিকে চেলা কাঠের টুকরা ছুড়ে মারার দায়ে রাতে আবার আব্বার হাতের শক্ত পিটুনি খেয়ে কাঁদতে কাঁদতে ঘুমিয়ে পড়া – এগুলোর আড়ালে যে সুপ্ত ভালোবাসা ছিল তার রস আস্বাদনের মাঝেই একধরণের পরিতৃপ্তি ও স্বস্তি ছিল । এই পরিতৃপ্তিতে অভ্যস্তও হয়ে পড়েছিলাম । ভালোবাসা বিষয়টা খোলামেলা হয়ে গেলে কখনো কখনো তা অস্বস্তিকর ও স্বার্থপর হয়ে পড়ে । তা মা-বাবা, ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন, প্রেমিকা বা অন্য যে কারো ভালোবাসাই হোক । তাই আমার অসুস্থতা খুব বেশি বাড়ার পর থেকে আমার প্রতি আম্মা-আব্বা বা পরিবারের অন্য যে কারো ভালোবাসার সরাসরি বহিঃপ্রকাশ প্রায় সময়ই আমাকে অস্বস্তির মুখে ঠেলে দেয় । আম্মার সপ্রশ্ন স্নেহময় চোখ জোড়ার সামনে নিজের চোখজোড়া মেলে রাখতে পারলাম না । চোখ বুজে জানালার দিকে আঙ্গুলের ইশারা করলাম ।

“কী ওইখানে ? আচ্ছা, আমি দেখছি । তুমি কাত হয়ে ঘুমাও ।”

এইটুকু বলে আম্মা আঁচল দিয়ে আমার মুখের আশপাশটা মুছে দিলেন । এতক্ষণে আমার উপলব্ধি হলো যে গোঙানির কারনে আমার মুখের আশেপাশে লালা ছড়িয়ে পড়েছিল । এরপর আম্মা আমার বাম ডানায় ধরে আমাকে খানিকটা ডানদিকে কাঁত করে দিলেন । এরই মাঝে বেরিয়ে আসা চোখের পানিটুকুকে গোপন করার জন্য আমি নিজে থেকেই আরেকটু বেশি কাত হতে গেলাম ।

বারান্দার দিকের দরজাটা খোলাই ছিল । আম্মা বেরিয়ে গিয়ে ছেলেগুলোকে ধমকালেন,

“ আসলে ভেতরে আসবি , না আসলে নাই । এইখানে লুকিয়ে থেকে চোরের মতো উঁকি –জোকি মারছিস কেন তোরা ?”

এরপর ভেতরের ঘরে গিয়ে ছোট ভাই আরিফকে পাঠিয়ে দিলেন । আরিফ এইমাত্র খেয়ে উঠে ঝাল মুখে ‘উ’-‘হা’ করতে করতে আমার খাটের পাশ দিয়ে বেরিয়ে গেল । জানালায় উঁকি মারতে থাকা ছেলেগুলোর পায়ের শব্দের সাথে আরিফের পায়ের শব্দ মিশে গিয়ে শব্দগুলো বারান্দা মাড়িয়ে ক্রমেই বাড়ির পূবের রাস্তার দিকে গিয়ে অস্ফুট হতে লাগলো । সেই অস্ফুট শব্দগুলোর সাথে হারিয়ে গিয়ে আমি আমার শৈশব খুঁজতে লাগলাম ।

স্কুলে পড়ার সময় সন্ধ্যার পর বাড়ির বাইরে যাওয়া রীতিমত স্বপ্নের ব্যাপার ছিল । তখন মনে হতো শবে বরাত , শবে মেরাজের রাতগুলো সেই স্বপ্ন পূরণ করার জন্যই আসতো । অমুকের গাছের পেয়ারা চুরি, তমুকের গাছের ডালিম চুরি করতে গিয়ে অল্পের জন্য ধরা খাওয়ার হাত থেকে বেঁচে যাওয়া – এসব কাজে সেই স্বপ্ন পূরণের সুযোগটুকুর ভালই সদব্যবহার (!) করা হতো । বাজারের মসজিদে নামাজ পড়তে যেতাম । আর কাউকে পাই আর না পাই আহসান সবসময়ই আমার সঙ্গে সঙ্গে থাকতো । কোন রকমে কয়েক রাকাত নফল নামাজ পড়েই চুপিচুপি বেরিয়ে গিয়ে শার্টের কলার উঁচিয়ে নিস্তরঙ্গ গ্রামীণ বাজারময় দুইজনের অপার স্বাধীনতায় চষে বেড়ানো শুরু হতো ।

বাজারের উত্তর মাথায় বেশ পুরোনো একটা বটগাছ । বটগাছের নিচে রাতের বেলা আশেপাশের গ্রামের রিকশাওয়ালাদের অনেকেই সারি করে নিজেদের রিকশাগুলোকে রেখে যেত । এলাকায় চুরি-চামারি প্রায়ই হতো । তবে সাইকেল রিকশা চুরির ঘটনা খুব একটা শোনা যেত না । তাই অধিকাংশ রিকশাওয়ালাই রিকশাগুলোকে তালা মেরে যাওয়ার কোন প্রয়োজন মনে করতো না । রিকশার সারি থেকে খুব সাবধানে কোন একটা রিকশা বের করে নিয়ে গিয়ে পালাবদল করে আমি এবং আহসান দুইজনেই চালানোর চেষ্টা করতাম । এরকম করে রিকশা চালানোটা শিখে ফেলেছিলাম আমরা দুইজনেই ।

একবার শারদ রাতে শবে বরাত । শরতের ঝকঝকে রাতের আকাশের হলদে চাঁদটা ধীরে ধীরে রূপালি আলোর অলঙ্কার পড়ছিলো মাত্র । আর সেই অলঙ্কারের দীপ্তি হালকা কুয়াশার আবরণ ভেদ করে ছড়িয়ে পড়ছিলো আমার দেখা পুরো পৃথিবীটা জুড়ে । সেই পৃথিবীতে তখন পিনপতন নীরবতা । পৃথিবীবাসী প্রাণীগুলো তখন গভীর ধ্যানে মগ্ন । খুব সাবধানে একটা রিকশা বের করে নিয়ে এসে পা টিপে টিপে যততুকু পারা যায় কম শব্দ করে রিকশাটাকে ঠেলে দুইজনে মিলে মসজিদের পাশের ব্রিজে তুললাম । এরপর মূল সড়কে গিয়ে আহসান বসলো চালকের সিটে । আমি পেছনে সিটে । রাস্তার দুইপাশের রাতা করচ গাছের ঘন-দীর্ঘ ছায়ার ভেতর দিয়ে আমাদের রিকশাটা ছুটে চললো কটমট সঙ্গীত সৃষ্টি করে ।
দুই কিলোমিটার রাস্তার পরের কালভারটটার কাছ থেকে রিকশা ঘুরিয়ে এবার আমি বসলাম চালকের সিটে । আহসান পেছনের সিটে । মসজিদের পাশের ব্রিজটার সাথে যুক্ত হওয়া সড়কের অংশটুকু নিচ থেকে খাড়া হয়ে উপরে উঠে গিয়ে ব্রিজের সাথে লেগেছে । আগেরবার ব্রিজ থেকে নামার সময় এই জায়গাটুকুকেই অনেক ঢালু মনে হয়েছিল । এবং এজন্য তখন ব্রিজ থেকে এই জায়গা দিয়ে রিকশাটা নামানোর সময় সতর্কভাবে পেছনের চাকার ব্রেক ধরে নামাতে হয়েছিল । কিন্তু উল্টোপথে এখন আবার এই জায়গাটা দিয়েই রিকশা তোলার সময় আহসানকে রিকশা থেকে নেমে গিয়ে পেছন থেকে ঠেলতে হচ্ছে । আমার আধো দাঁড়িয়ে মারা প্যাডেল আর আহসানের ঠেলাতে ধীরে ধীরে রিকশাটা ব্রিজে উঠানোর পর আমরা দুইজনেই যখন স্বস্তির নিশ্বাস ছাড়াবো , ঠিক তখনই একটা লোক ছায়ার মতো আমাদের কাছাকাছি এগিয়ে এসে দাঁড়ালো ।
“ কে ?”
খুব পরিচিত গলা । উত্তর দেওয়ার সাহস পাচ্ছি না । ভয়ে দুই হাঁটুর জোড়া প্রায় পুরোপুরিই অবস । টর্চের তীব্র আলো আমার চোখের দিকে ধেয়ে এল । আব্বা আমার গালে সজোরে একটা চড় মারলেন । আমার চিৎকারের শব্দ পিনপতন নীরব পৃথিবীটার ধ্যানে ক্ষণকালের জন্য বিঘ্ন ঘটালো হয়তো ।

হঠাত বুকের ভেতরটা চিনচিনিয়ে উঠলো । আমি আঁতকে উঠে চোখ মেলে তাকিয়ে দেখি আব্বা আমাকে ডাকছেন । এরই মাঝে ঘেমে উঠে পুরো শরীরটা একবার কাঁটা দিয়ে উঠলো । আব্বা একটা কাগজের প্যাকেট খুলে একটা চকচকে পাঞ্জাবি চোখের সামনে মেলে ধরলেন । একই সাথে আমার তিন বোনই পাঞ্জাবিটা হাত দিয়ে চেখে দেখার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়তে চাইলো । তিনজোড়া চোখেই তৃপ্তির ঝিলিক ।

কয়দিন পরই রোজা । তারপরইতো ঈদ । শবে বরাতে নতুন কাপড় এর আগে কখনোই পাই নি । অন্য সময় হলে আজকে আমার নতুন কাপড় পাওয়া নিয়ে ঘর জুড়ে কানাঘুষা শুরু হতো । একজন মুখ বেজার করে পড়তে বসতো । একজন না খেয়ে ঘুমিয়ে পড়তো । আরো নতুন কিছুও হয়তো ঘটতে পারতো । বড় হওয়ার পর থেকে দুই ঈদে নিয়মিত কাপড় কেনা খুব কমবারই হয়েছে । এক ঈদে দেখা গেল ভাই-বোন সবার জন্য কাপড় কেনা হয়েছে , কিন্তু আম্মা-আব্বা কারোরই নতুন কাপড় নেই । আমি বড় হয়ে গেছি বলে আমারও নেই । আরেক ঈদে দেখা গেল আম্মা- আব্বাসহ সবার জন্যই নতুন কাপড় কেনা হয়েছে , কিন্তু আমার জন্য কেনা কাপড়টা আমার মোটেও পছন্দ হলো না । তাই কাপড়টা না পরে আবার দোকানে ফেরত পাঠালাম । এই নিয়ে আব্বা রাগ করলেন । আমিও নাক ফুলালাম । বুঝতাম না , কেন আব্বা আমার পছন্দের কোন গুরুত্ব দিতেন না ।
কিন্তু আজকের পাঞ্জাবিটা সত্যিই আমার খুব পছন্দ হলো । চকচকে রঙিন পাঞ্জাবি । আব্বা আমাকে মৃদু স্বরে তাড়া দিচ্ছেন,
“উঠো, উঠো । পাঞ্জাবিটা পরো । দেখি কেমন লাগে। ”
আম্মা আমার কানের কাছে মুখ এনে আরো মৃদু স্বরে জিজ্ঞেস করলেন ,
“উঠতে পারবে ? না উঠতে পারলে থাক । কষ্ট করার দরকার নেই । চোখ বুজে থাকো ।”
আব্বাও তৎক্ষণাৎ আমার দিকে তাকিয়ে মাথা নেড়ে আম্মার কথাটাকে সমর্থন জানালেন । খাটের পাশ থেকে তাকিয়ে থাকা বাকি তিনজোড়া ছলছল করে উঠা চোখেও একই কথা ফুটে উঠলো ,
“উঠতে পারবে ? না উঠতে পারলে থাক । কষ্ট করার দরকার নেই । চোখ বুজে থাকো ।”
বুকের ভেতরটা কান্নায় ভেঙ্গে পড়তে চাইলো । গভীর রাতের ধ্যানমগ্ন সময়টার অপেক্ষা করতে থাকলাম অধীর হয়ে । একসময় সময়টা এল । বালিশের নিচ থেকে আমার নীল মলাটের খাতাটা বের করলাম । কাঁত হয়ে লিখতে শুরু করলাম গভীর মনোযোগে । হয়তো এই খাতার পাতাগুলোতেই ভবিষ্যতে আমি অতীত হয়ে থাকবো জীবনের পূর্ণতা নিয়ে ।

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • রফিক আল জায়েদ
    রফিক আল জায়েদ জীবনের অসহায়ত্বের একটা চিত্র অঙ্কন করেছেন......
    প্রত্যুত্তর . ৪ আগস্ট, ২০১৩
  • মোহাম্মদ ওয়াহিদ হুসাইন
    মোহাম্মদ ওয়াহিদ হুসাইন ....মানুষ জন্ম থেকেই অসহায়...অপরের সহানুভূতি আর সহায়তা পেতে পেতে অভ্যস্থ হয়ে যাই বলে সেটা ভুলে থাকি। খুব ভাল লিখেছেন। শুভেচ্ছা রইল।
    প্রত্যুত্তর . ১০ আগস্ট, ২০১৩
  • মিলন  বনিক
    মিলন বনিক সুন্দর গল্প...বুননটাও চমত্কার...কিছু শৈশবের স্মৃতি...কিছু দুঃখ গাথা...ভালো লাগলো...
    প্রত্যুত্তর . ১৮ আগস্ট, ২০১৩
  • সূর্য
    সূর্য গল্পের ভেতরের অভাব জিনিসটা আমাকেও ছুঁয়ে গেলো। আমাদের অতি পরিচিত দৃশ্য ঐ ঈদ.. নতুন জামা না পাবার কষ্ট। গল্পটা অনেক সময় নিয়ে পড়েছি। একটা নির্লিপ্ত ভাব আছে, বুনটটাও বেশ মজবুত এবং গোছানো শুধু অসুখটা কি তা জানা হলো না। খুব ভালো লেগেছে। গল্পটার আরো পাঠক পাওয়া উচিত ছিল।
    প্রত্যুত্তর . ২৩ আগস্ট, ২০১৩
  • ইব্রাহীম  রাসেল
    ইব্রাহীম রাসেল -বেশ লাগলো গল্পটি--
    প্রত্যুত্তর . ২৯ আগস্ট, ২০১৩
  • এশরার লতিফ
    এশরার লতিফ অতি চমৎকার ছোট গল্প, নিখুঁত গাঁথুনি।
    প্রত্যুত্তর . ৩০ আগস্ট, ২০১৩

advertisement