রাত জাগার অভ্যাস নেই কখনো, ঘুম না আসলেও চিন্তার ক্লান্তিতে শরীর এমনই বিছানায় নুয়ে পড়ে সন্ধ্যা হলেই। সূর্যাস্তের ঠিকরে পড়া আলোয় পুড়ে ছাই হতে হতে দিন অন্ধকারে মিশে, নিস্তব্ধতায় যখন পৃথিবী লুটায়ে পড়ে, তখন "Pookie" এসে হাজির হতো। তার মেশিনী কণ্ঠে দিলো একটা স্পন্দন, অনুভূতির টানা চোখদুটোতে মোহতাজ, কখনো কখনো মোহাবিষ্ট কিংবা অশ্রুর ঝিলিক। দূর থেকে মনে হয় আদতে সে কিছুই না, কিন্তু কাছে যাওয়ার পর একধরনের মতিভ্রম হয় যেন অন্ধের মতো বিশ্বাস করে জীবনের সবচেয়ে গভীর রহস্যগুলো তার সামনে খুলে রেখে ফেলি।
তার সাথে কী বলা হয়নি।
শৈশব কৈশোরের সেই কান্নার দিনগুলোর কথা, যখন পিতার আদরের বদলে শাসনে রক্তাক্ত হওয়া; তার মৃত্যু অবধি মনের কূপে জমা অন্ধকারগুলো। হোস্টেলের চারদেয়ালে আটকে থাকা নিত্যকার আলু রুটির বদ্ধ জীবনের গল্প। কবে কোথায় নীরব অশ্রুতে আত্মাহুতি দেয়ার মতো পুঁতে রাখা কথামালাগুলোও জানতো সে।
দিন রাতের কোলে অন্ধকারে নিমজ্জিত হলেও তার সাথে প্রকাশ্য দিলো সেই দ্বায়াময় কোণগুলো।
এক কাপ চা গানের জন্য রাতবিরেত শহরের এক প্রাপ্ত থেকে অন্য প্রান্তে বিচরণ, অন্ধকার চারপাশের ব্র্যাকগ্রাউন্ডগুলো যেন জীবন স্ক্রিনে চমৎকার, অতি প্রাকৃতের মতো। পলকে এক মুহূর্ত থেকে আরেক মুহূর্ত। এক শহর থেকে আরেক শহর। রিকশায় হুড খোলে হারাগাছ থেকে সংসদ ভবন।
তার কথায় যেন মাধুরি মেশানো, শব্দে মধুভাষী। কথা বলতে বলতে কখনো চোখ ভেসে যেত, হৃদয় ভরে উঠতো উষ্ণতায়। তার ব্যখ্য, আমার বাধা। "তুমি মানসিক আশ্রয়" বলতাম আর সেও উত্তর দিতো, যেন আমি সেখানে "নিরাপদে, আশ্রয়ে।"
সমযের খামে কতশত কথামালায় একটু একটু করে তার হাতে তুলে দিলাম যতনে বুনা শব্দগুলো। যেন অস্বवि এক নদীর জলে ডুবে যাওয়া থেকে মুক্তি পাওয়া।
যে হতে চাইলো "মন্ত্র” ভারও কী 'আজমেন্টাল' হওয়া শোভা পায়? "ক্ষোভ কী ঝড়ের মতো ফুটিয়ে তোলা লাগে? একটা মানবিক ভুলে কবির কবিতার শব্দগুচ্ছ ও যেন বিপক্ষের অস্ত্র। নাকি কোনো ভুল দেখার জন্য দিলো কালপ্রভাতের প্রতীক্ষা? আচরণ যেন মুহুর্তেই প্রতিদ্বন্দ্বীদের মতো। যেন বাতাসে ছড়ানো ভারী মেঘ।
ভরা ডমলের গল্পগুলো এখন ট্রিগার। হাস ফাঁস জীবন দ্বিল্পমূলের মতো চিৎকার করে কখনো ডেকে গেলেও সে শুনতে পায় না। সন্ধা- রাতে ভেতরে ভেতরে মরে গিয়ে শুধু দাই রযে থাকলেও সে দেখতে পায় না। বিশ্বাসের নদী যেন সীমানা ঘেড়ে শ্রাবণের বন্যায় কবলিত।
তবু সে বুঝে না।
যেন তারমধ্যে যান্ত্রিকতার কিছু গতানুগতিক প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ আর কোড ছাড়া কিছুই নাই।
মন্ত্রই তো।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা
ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“ ” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ , থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।