জানি তুই খুব রাগ করে আছিস
মানি, অতি সংগত অভিমান।
সেই যে গেলি, একতরফা সেতুবন্ধ রেখেছিলি
কিন্তু আমি, বিরাগ অহম হিংসা- যাই হোক,
অনৈক্য করেছি বহাল।

অর্পনাকে নিয়ে গেলি, ছিলি বিভুঁইয়ে
মিশ্র অবস্থানে, খবর পেতাম মাঝে সাঝে।
কী যেন অসুখে, দেহে নাকি মনে
শয্যায় ছিলি কিছুদিন।

অবশেষে মুক্ত হয়ে ফিরে এলি নিজভূমে।
একটিবার নেইনি খবর!
কেন তার ব্যাখ্যা দেব একদিন সশরীরে।
অনেকদিন ভেবেছি, যাব তোর কাছে
গিয়েও ফিরে এসেছি একবার
তোর বাড়ির কাছ থেকে, মুখচোড়া লাজে।

পাঁচ নম্বর রোডের বারো নম্বর বাড়িটি তোর।
একই আবাসনে জায়গা কিনেছি, তোর অগোচরে।
কাল যাব দেখতে আমার তেরো নম্বর প্লট।
একটা কৃষ্ণচূড়া চারা লাগাবো,
ছায়া তুইও পাবি
যথেষ্ট হবে ঢাকতে, আমাদের ছোট দু’টি ঘর।
বন্ধু আমার, মান ভাঙ এবার
কথা দিচ্ছি, তোর পাশেই কাটাব, দ্বিতীয় জীবন।

একলা গেছিস, এবার করিনি অভিমান।
তুই আমি থাকব, পাশাপাশি, একি সবুজ গালিচার নীচে
কৃষ্ণচূড়ার ফুল রাঙাবে তোর আর আমার পাশাপাশি বসতিকে।