আমাদের শহরের কবিরা পূর্ণতা পান না কিছুতেই
পূর্ণতা পাবার আগেই মৃত্যুর মিছিলে চলে যেতে হয়।
তাদের কবিতা পূর্নতা পাবার আগেই কলম থেমে যায়
তারা কেউ তৃপ্ত হবার আগেই অতৃপ্ত কবিতার ঝাঁপি রেখে যান
পৃথিবীর রৌদ্র জলে।
মৃত্যুর বয়সের যোগ্য হয়ে উঠবার আগেই প্রস্থান মেনে নিতে হয়
মৃত্যুর বয়সের যোগ্য হয়ে উঠবার আগেই বালক কবিদের
এ কেমন অলীক প্রস্থান ?

পৃথিবীর এই চন্দ্রতলে, ঝিরিঝিরি হাওয়ায় ভেসে
অধিক মানুষ হয়ে ওঠা হলো কিনা হলো
সে হিসেব মেলাবার সময় হলো না ধরাতলে।
চাতুরি না জেনে যত ভুল হয়ে যায়
জীবনের ধারাপাতে_ থেকে যায়
প্রলোভনগুলো যোজন যোজন দূরত্বে।
নিজেরই দু:খ ছেনে দগ্ধ হয়ে বার বার কবি
এই স্বিকারোক্তি রেখে যান তার কবিতার ছত্রে।

তাহলে তৃষ্ণার্ত আঙুলে অনেক আকুতি লুকিয়ে
লোকালয় থেকে যে অলীক দূরে প্রস্থান
সে কি কবির পংক্তির শীতার্ত সময়ে ঠাসা প্রান্তর
নাকি রিমঝিম শিশিরের শ্বেত সবুজ অন্তর ?

কোন সে কবিতাগুলো আবার লিখবে তারা জলের অক্ষরে
বরফের স্লেটে, আমরা পাঠোদ্ধারে অক্ষম পাঠক খাবি খাব
নাকি মৃত্যুর ওপারে সে জানার অবসর হবে কিনা হবে
এই ধন্ধে কাটাবো সময় আরো কিছুদিন আমরাও পৃথিবীর বুকে।