রোদেলা দুপুরের অস্থির খরতাপ ভাবনাগুলো এলোমেলা করে দেয়।
কর্মব্যসত্দ প্রহরে এক চিলতে শানত্দির ছায়া নেই।
অফিসের কলিগ'রা শুধু নিজেদের কাজ ফাঁকি দিতে পারলেই যেন বাঁচে।
কাজে ফাঁকি দিতে পারি না আমি, সেটা আমার স্বভাবে নেই।
রোদেলা খরতাপে মতিঝিলের রাজপথে পথ চলছি,
মনে মনে ভাবি এতো কষ্ট কিসের জন্য ?
সবাই তো সুখ চাই।
আমি কি একটু সুখের খোঁজে অগ্রসর হতে পারি না ?
কষ্ট ও সুখের হিসাবের মাঝে আমি এক নতুন দুনিয়া আবিষ্কার করেছি।
সে এক মহা আবিষ্কার।
অফিসের কাজে গিয়ে এক তন্বি তরুণীকে আবিষ্কার করলাম আমি।
আমার পাশে এসে কোমল সুরেলা কণ্ঠে সে বললো,
স্যার পঞ্চাশ হাজার টাকা লাগবে।
মনে হলো এমন মধুর সুরেলা কণ্ঠ বহুদিন শুনিনি আমি।
রোদের খরতাপে এ যেন নতুন এক সবুজের হাতছানি।
জৈষ্ঠ্যের খরতাপে যেন একটুখানি শীতল ছোঁয়া, এক পশলা বৃষ্টি ;
পুড়ে যাওয়া শরীরে প্রশানত্দির উপশম।
অনত্দরে সবুজের ছোঁয়া জাগানো,
নাম না জানা অচেনা সে তরম্নণীর দিকে চেয়ে রইলাম অনেকক্ষণ।
এ অসহায় চেয়ে থাকার যেন শেষ নেই।