দেখেছি অনেক কিছু – ভোরের ফড়িঙ জ্যোৎস্না নদীর জল, ডানাকাটা প্রজাপতি কেমন সাহস ভরে উড়ায় আঁচল। কখনো দেখেছি আমি ঘাসফুল শাড়ির পরে সবুজ জমিন বুকের শোণিত ঢেলে ক্রমাগত শোধ করে পৃথিবীর ঋণ।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
সূর্য N/A
সব কবিদেরই বোধ হয় একটা অন্দরমহল থাকে। কদাচিৎ সেটা প্রকাশ হয়। আর কবিতায় প্রেমের পাখিরই দু:সাহস আছে পাথরে ফুল ফোটানোর। কবিতার শেষটায় কেন যেন মনে হলো একটা দু:খ বোধ থেকে গেলো। আমানুল্লাহ ভাই কবিতা অনেক ভালো লাগলো।
রনীল, আপনাকে বিশেষ ধন্যবাদ। আপনি বুনোফুলের কথা বলেছেন। জানি যে কোন পাঠকের সবুজ সকালে কীভাবে পাথরের ফুল ফুটতে পারে এমন প্রশ্ন তৈরি হওয়া বেশ স্বাভাবিক। এখানে আমি পাথরের ফুল বলতে এক হদয়হীন তরুণীর কথা বোঝাতে চেয়েছি। আর পাহাড়,সবুজ সকাল ইত্যাদি প্রসঙ্গে বলছি তখন আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি; ওখানকার সবুজ ক্যাম্পাসে হৃদয়ের লেনদেন নিয়েই এ লেখা। সময়-১৯৯০। ধন্যবাদ।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।