জীবন ও যৌবনের ক্ষণিক সময় যা শুনছি ও দেখছি এই ভব ঘুরে- শকুন বলে, কোকিল, শোন বলি তোরে আমি দেখি আছ তুমি কাক রূপধরে।
এত জনগণ নিয়ে তুমি সংসারে ! ক্রমে যাচ্ছ বাড়িয়ে মাত্রাধিক হারে। কি হবে জানো, কয়েক বৎসর পরে ? একদিন দেশ যাবে তলায়ে সাগরে জঙ্গীবাদ-দূর্নীতিতে, দেখো যাবে ভরে।
হাসি পায় শকুনের পাতলা খবরে ধূর্ত; সব মিথ্যে কথা সে দিচ্ছে ছেড়ে। সোনার বাঙলায় এ নিছক প্রবাদ আকাশে বাতাসে উড়ে, কুচক্রীর জোরে।
যখন শুনি এসব, তব খুনচড়ে মন চায় দেই তারে চুরমার করে। করিনা জন্মহেতু ঐ বাঙালির ঘরে যে জাতি ধ্বংস নয়, কেবলই গড়ে। বায়ান্ন-একাত্তরে ভব দরবারে মহত্বের নিদর্শন উন্নত চরিত্রে দেখাইছিলেন প্রাণ উৎসর্গ করে মা মাটি দেশের জন্য, সমস্ত বীরে। জেনে নাও সেই সব, ইতিহাস পড়ে।
আমার এই জীবনে হাটি হাটি পাপা তিক্ত অভিজ্ঞতায় বলি চড়া স্বরে, দেশের প্রতিটি নর নারীর অন্তরে দৃঢ় সুপ্ত প্রতিভা বসবাস করে। নিমগ্নে দেখেছি ঐ গহীন অন্তরে মমতা ও ভালবাসা বিচরণ করে।
শুধু অবিদ্যমানতা প্রায় ঘরে ঘরে মাকড়সার সূক্ষ্ম সুতাদির ন্যায় রয়েছে বাহির থেকে সর্বদিক ঘিরে।
সেই দিন নেই দূরে, জাগরুক হবে বাঙলার নর নারী সবাই একত্রে সকল মিথ্যে রটনা দিবে লোপ করে। সেই সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত করে ঘুচাবে অভাব সব তারা চিরতরে। সেদিন হাওয়া বেগে সকলের তরে প্রবাহিত হবে সুখ গোটা দেশ জুড়ে, ফিরবে সোনালী দিন সব পরিবারে।
তখন শকুনদল জিহবা কামড়ে নাকখতে কানধরে যাবে চুপ করে। যাবার বেলায় তারা বলবে একাগ্রে- সমরে শান্তিতে মোরা বিশ্বের উপরে।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
জুয়েল দেব
সমরে শান্তিতে মোরা বিশ্বের উপরে। চমৎকার লিখেছেন। মাসের শেষ দিকে এসে ভালো ভালো লেখাগুলো সব পড়ছি। মাসের প্রথম দিকেই কেন পড়লাম না এটা ভেবেই বিরক্তি লাগছে।
শাওন খান
সেই দিন নেই দূরে, জাগরুক হবে
বাঙলার নর নারী সবাই একত্রে
সকল মিথ্যে রটনা দিবে লোপ করে।
সেই সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত করে
ঘুচাবে অভাব সব তারা চিরতরে। (ততদিনে মানবতা বিলুপ্ত হবে। আশায় আশায় বাঙালি জীবন কাটাবে। কিন্তু আশা হবে গুঁড়ে বালি।)
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।