কবিতাটিতে বাংলাদেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন সংলগ্ন ছেঁড়াদ্বীপের কষ্টের কথা বিবৃত করা হয়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ দ্বীপটি ভ্রমণে যায়। তারা অত্যন্ত সচেতন ভাবে দ্বীপটির পরিবেশের ক্ষতি করছে। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতাও নেই বললেই চলে। এসব হাজারো কারণে ছেঁড়াদ্বীপের বুকে কষ্টের পাহাড়।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১ ফেব্রুয়ারী ১৯৭৩
গল্প/কবিতা: ৭৯টি

সমন্বিত স্কোর

২.৮৯

বিচারক স্কোরঃ ১.২৪ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৬৫ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - কষ্ট (জানুয়ারী ২০১৯)

ছেঁড়াদ্বীপ কথা বলে
কষ্ট

সংখ্যা

মোট ভোট ১১ প্রাপ্ত পয়েন্ট ২.৮৯

জসীম উদ্দীন মুহম্মদ

comment ৩  favorite ০  import_contacts ১৩৪
কিছু কিছু ছেঁড়া ভাবনা নিয়ে ছেঁড়াদ্বীপে গিয়েছিলাম
ওখানে কেবল মৃতপ্রায় প্রবাল আর মনমরা কেয়া
মাঝেমাঝে সমুদ্র ছিঁড়ে ওড়ে আসে আমার মতো কিছু
মনবিলাসী মানুষ..…..
তারা কেবল রতিবিলাসে দৌড়ে আসে
তখন ওদের কোনো হুশ থাকে না... হুশ!

তবুও ছেঁড়াদ্বীপের উদার আকাশ আর মুক্তমনা বাতাস
পংগপালের মতো ছুটে আসা মানুষদের স্বাগত জানায়
পাথরে, প্রবালে বসতে দেয়
নোনতা জলের আস্বাদন দেয়!

তবুও স্বার্থপর কিছু মানুষ ওকে ভালো থাকতে দেয় না
তারা তস্করের মতো ছেঁড়াদ্বীপের বুক ছিঁড়ে প্রবাল কুঁড়ায়
পলিথিন আর অপ্রকৃতিস্থ বর্জ্য পদার্থে পরিবেশের বারোটা বাজায়!

এতোটুকুই শেষ কথা নয়
আরো সাংঘাতিক ভয় আছে... ভয়
তবুও ছেঁড়াদ্বীপ নাসাকার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রোজরাতে
একবার করে ঘুমাতে যায়
তবুও ছেঁড়াদ্বীপ মানুষের মতো ইনিয়ে বিনিয়ে কথা বলে;
তার কষ্টের কথা ভাষ্য হয়--- বাতাসে ভেসে ভেসে
"আমার কাছে মানুষের চেয়ে কুকুর ঢের বেশি আসে"!!!
ছেঁড়াদ্বীপ ভাবে সরকারের এতো এতো চোখ নগদ আছে
কেবল আমার জন্য কোনো চোখ নেই... চোখ নেই!!!

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement