কয়েকটা মুনিয়া পাখির একটা আয়না ছিলো
ভালোবাসার কবিতা লেখার বায়না, বলতে আমার
একবিন্দুও দ্বিধা নেই, যদিও তোমার অন্তরমহল
অবিশ্বাসের ছাঁচে গড়া, তবুও বলি না বলা কথা;
এখন আমার কাছে
তোমার নীরবতাই পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ কবিতা!

অথচ একদিন আমারও এমন কুহক দিনছিলো
পাতাবাহার রাতছিলো, ঝিঁঝিঁ পোকা সুখ ছিলো,
এক পা ভাঙা টেবিলের এক কর্নারে পড়ে থাকা
তানপুরাটায় জগতের সব সুরেলা পাখির সুরছিলো
আর এখন বলতে গেলে কতো কথা, কতো ব্যথা
এখন আমার কাছে তোমার
ঘুমভাঙা নীরবতাই পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ কবিতা!

এখন তুমি যখন অফ চ্যাটে সমস্ত আকাশ দেখো
লাল, নীল, হলুদ, সাদা এবং বেগুনি রঙের আকাশ
আমার তখন ঈশান কোণে সদ্য পোয়াতি মেঘের
মেলা, আর তাদেরও বেলা নেই অপ্রকাশিত কবিতার
বইয়ের পাণ্ডুলিপি এরা, আমার মতো তারাও জুগুপ্সা,
তারাও দীর্ঘশ্বাসের নৈবেদ্য হাতে দাঁড়িয়ে থাকে;
তবুও আমার কাছে আছে কতো বারতা, তবুও-----
তবুও এখন আমার কাছে
তোমার মৌনতাই পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ কবিতা!

এসবই হলো আমার সদ্য ডিভোর্সি রোজনামচা;
জল ভাঙতে ভাঙতে এখন ভালোবাসার জলকাটা
শেকড়; যদি ইচ্ছেরাও একসময় পোয়াতি হতো,
আর আমি আনমনে ছুঁয়ে দিতে পারতাম উষর মাটি
উত্তরমেরু থেকে দক্ষিণমেরু
দক্ষিণমেরু থেকে উত্তরমেরু
তাহলে বেশ হতো
কিন্তু আমি কিছুতেই পারি না তনুলতা
এখন আমার কাছে
সমস্ত পৃথিবীর সব নীরবতাই সর্বশ্রেষ্ঠ কবিতা!!