সকাল হলেই বারান্দায় একটা শালিক এসে বসতো মাঝে মাঝে একটা কাঠ-ঠোকরা ঠক ঠক ঠক করে জানালার ওপাশে; আমরা চেয়ে থাকতাম দু’জন দু’দিকে- ওখানে একটা সোমত্ত গাছ ছিলো মাঝে মাঝে রোদ সরে গিয়ে ছায়া নিতো, রোদ লেগে থাকতো গাছের পাতায়। কাঠ-ঠোকরা কিংবা শালিক, কোন একজন আসতো সেইসব নিরিবিলি দুপুরে আলনায় যখন ঝুলিয়ে রেখেছি সংসারী রোদ, ঠিক সেই আগেরদিনের বসা গাছে আগেরদিনের ডালটার পাতার কাছে মিশে যেতো অবসরে মিশে যেতো দু’পায়ে আনাচে কানাচে- আমরা চেয়ে থাকতাম দু’জন দু’দিকে।
এক খসে যাওয়া রাতে বিক্ষিপ্ত আবাদী জমিতে শুধু শুধু একা একা লাশ হয়ে গেলো সেই সোমত্ত গাছ- রোদ সে কথা বলে গেলো আশেপাশে। কাঠ-ঠোকরা বা শালিক অথবা অনাগত চড়ুইয়ের ঝাঁক ওরা কেউ আসেনি কোনদিন এরপর। আমরা চেয়ে থাকতাম দু’জন দু’দিকে সোমত্ত গাছটা লাশ হওয়ার আগে...
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
জালাল উদ্দিন মুহম্মদ
একা একা লাশ হয়ে গেলো সেই সোমত্ত গাছ-/
রোদ সে কথা বলে গেলো আশেপাশে।/
কাঠ-ঠোকরা বা শালিক অথবা অনাগত চড়ুইয়ের ঝাঁক/
ওরা কেউ আসেনি কোনদিন এরপর। ......... // আর কত লাশ! হৃদয়-ছোয়া সবুজ মায়া। সবুজে ভরে যাক চারপাশ।
খন্দকার নাহিদ হোসেন
মাহী ভাই, চমৎকার কবিতা। এমন নিরাসক্ত ভাষাই তো কবিতায় চাই। আর ৩ নম্বর লাইনে শেষ শব্দের শেষে যদি একটা ও যোগ করি তবে কেমন হয়? আর আপনার কাছে আমার একটা চাওয়া আছে...... সামনে দেখা হোক করবো।
এ কি বললেন গো ভাই। আমার কবিতার ভাষা কঠিন। ও ভাই আমি তো আধুনিক বাংলা ভাষায় লিখছি, তাও আবার আধুনিক গদ্য কবিতা। সংস্কৃত ভাষায় লিখলে যে কি কইতেন আল্লাহই জানে। (একটু মশকরা করলাম, কিছু মনে করবেন না।) আবার আসবেন এই আধমের দুয়ারে।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“এপ্রিল ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।