অনেক ভেবেছি আর একদিন- পুষিয়ে নেব
সেইসব কাঁঠফাটা অপেক্ষা প্রহর, ফেটে যাওয়া ঠোঁট
সে দিন আসে নি কখনো, বাস্তবতায় অথবা স্বপ্নের জঠরে
অপেক্ষারা পেছনে পড়ে থাকে, আলোর পেছনের ছায়ার মতো
উদভ্রান্ত সময়েরা হেঁটে গেছে, হেঁটে হেঁটে সামনে দিয়েই চলে গেছে
ভুলেও পাত্তা দেয় নি, গোত্তা খাওয়া ঘুড়ির মতো নীচে পড়ে থেকেছি
ইউক্যালিপটাসের ঝরে পড়া ছালের মতো, ব্যাঙাচির মতো সাতরেছি
তবু পৃথিবীর ছিটে ফোঁটা সুখেরা আমাকে ছোঁয় নি, কাছে ডাকে নি
ইচ্ছে ছিল তোমাকে কবিতা করে হাত তালি নেব, হয়েছে ক্লিশে
কবিতা হয়ে ওঠে নি, টাইটানিকের মতো ছিঁড়ে কুঁড়ে তারপর
ডুবে গেছে পরিচিত শব্দ ভিড়ে, উপমা-উৎপ্রেক্ষার বন্ধুত্ব
পাতে নি চেনা ছন্দে আর অগোছালো শব্দের নীড়ে
তারপর.. ইচ্ছেরা দাড়িয়া বান্ধা হয়ে দৌড়েছে
ডানে বামে, বেনাপোল- সেন্ট মার্টিনস্
আজ তাই দেশান্তরী ইচ্ছেটাকে
জুড়ে দিলাম তৃতীয় বন্ধনীর বাঁকে
যদি যায় চলে যায় বেহিসেবী খেয়ালে
তবু একদিন, কোন দিন উপমার দেয়ালে
ছন্দে, গদ্যে, উৎপ্রেক্ষার নির্লোভী প্রক্ষেপণে
একটা কবিতা হবেই, ইচ্ছের দো-পেঁয়াজো ঘ্রাণে