বাবা তো বাবাই ।ছায়া হয়ে পাশে থাকেন।ঝড় ঝঞ্জা সব তার উপর দিয়েই যায়, তবু তিল পরিমান তা সে কাউকে বুঝতে দেয় না।সন্তানের জন্য ত্যাগ তাঁকে নিজের কাছে মহান করে রাখে।সংসার সমুদ্রে তিনি ডুবেন আবার ভাসেন কিন্তু সন্তানকে তা আঁচ করতে দিতে চান না।এইতো বাবা!সন্তানের কষ্টে যন্ত্রনায় বাবা কতটা অস্থির থাকেন, তার জন্য তিনি কতটা টান অনুভব করেন তা শুধু বাবাই জানেন।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২ জানুয়ারী ১৯৮৩
গল্প/কবিতা: ২৩টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - বাবা (জুন ২০১৯)

টান
বাবা

সংখ্যা

মাইনুল ইসলাম আলিফ

comment ৪  favorite ২  import_contacts ৬৬
সমুদ্রে যখন ঝড় উঠে, আছড়ে পড়ে ঢেউ তীরে
ঝঞ্জাবায়ু এসে উড়িয়ে নেয় পাল।
তখনও একজন শক্ত হাতে ধরে রাখে হাল।

সমুদ্রে ডুবে, সমুদ্রেই ভাসে
পথেই আগুয়ান তবু ছিটকে পড়ে পাশে
হারানো পথের খোজে আবার ফিরে ফিরে আসে।

রোদ্দুর বালুচরে খালি পায়ে হাটতে গিয়ে
চোরাবালিতে তার আটকে যায় পা।
তবু সংযম আর শক্তি নিয়ে উঠে দাঁড়ায়, হয়না পিছপা।

কখনো সমুদ্রে নিবিড় সে কখনো উদাস
বলাকা হয়ে আকাশে উড়ে
তবু সে ভোলে না পথের সাথীরে
হাত ধরে তারে সাথে নিয়ে চলে ধীরে।

হ্যা আমি বাবার কথাই বলছি
ছায়া হয়ে যে পাশে রয় জীবনের বাকীটা পথ।
সন্তানকে যে আগলে রাখে দুহাতে।
রোদ বৃষ্টি মাথায় নিয়ে যে পথ চলে তবু
লাগতে দেয় না এতটুকু আমি সেই বাবার কথাই বলছি।

নিজে না খেয়ে যে খাবার তুলে দেয় সন্তানের মুখে
আমি সেই বাবার কথাই বলতে গিয়ে থমকে দাড়াই।
কারণ আমিও বাবা হয়ে বুঝতে শিখেছি সন্তানের যৎসামান্য অনাকাঙ্ক্ষিত যন্ত্রনায়,ক্ষুধায় অথবা বিপন্ন সময়ের কতটা কাপন বুকে জাগায় শিহরণ
কতটা অস্থিরতায় টান পড়ে হৃদয়ের চোরাগলিতে,
সে শুধু বাবাই জানে।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement