শীতকাল চারদিকে ঘন কুয়াশায় ঘেরা

২১শে ফেব্রুয়ারী সংখ্যা

Milon Nayek
  • 0
  • ৩৩
শীতকাল চারদিকে ঘন কুয়াশায় ঘেরা।এমন সময় ঘুম থেকে উঠলাম বাইরে পচন্ড শীত। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলাম ৮.৩০। ও মাই গড বলে বিছানা ছেড়ে গরম পানিতে গোসল করে কলেজের ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে পরলাম। মোবাইলে জানতে পারলাম আমার সাথের সবাই চলে গেছে। পরে ভাবলাম থাক আজ আর কলেজ যাব না। বাসায় ফেরার সময় দেখলাম এক ছেলে ঠান্ডাতে কাপছে। সে এমন ভাবে বসেছে যে তার মুখ দেখা যাচ্ছে না। তবে পেছন থেকে চেনা জানা মনে হচ্ছে। সামনে গিয়ে এই যে বলে ডাকলাম। আরে একি শ্রাবণ। আমার মামার বাসার সামনে ওদের বাসা। মামা বাসা গেলে ওর সাথে দেখা হয়। প্রায় ২ বছর হচ্ছে মামা বাসা যায় না তাই ওর সাওথ দেখাও হয় না। ওর অবস্থা দেখে হোটেলে গিয়ে গরম চাচা খেতে খেতে জিজ্ঞেস করলাম তুই এখানে আর এই অবস্থাই। তুই আসার পর শুরু হল আমার দর্ূদিন।সামনে আমার এস.এস.সি পরীক্ষা ছিল।কিন্তু দু- তিনটি বই তখনো ।আমার কাছে ছিল না। আমাদের স্কুলে এই পর্যন্ত কেউ এ+ পায়নি। তাই আমি ফেল করা ছাত্রদের কাছে বই ধার নিয়ে পড়া শুরু করলাম। কিন্তু বাসার যা অবস্থা,বড় বোন আছে যার বিয়ের বয়সের পের হয়ে যাচ্ছে। সে চিন্তায় বাবার ঘুম হয় না। তাই রাতদিন বাবা আমাকে বকাবকি করে। এতবড় ডাংগর ছেলে কোন কাজের না। শুধু কাজকাম করার ভয়ে সারাদিন বই নিয়ে বসে থাকে। বাবার বকনির পর আর কি পড়াতে মন বসে।চোখের জল ঝরতে ঝরতে বাইরে বের হয়ে চলে যায়। আর ভাবে আমার পড়ার সময় যদি আমি এভাবে কাদি বা বই থেকে দূরে থাকি তাহলে আমি কিভাবে পরীক্ষায় পাস করব। মাথাটা যেন নষ্ট হয়ে যাচ্ছিলো।কোন মত করে নিজেকে শান্তনা দিলাম। আর ভাবলাম বিপদের সময় বুঝি সৃষ্টিকর্তাও মুখ ফিরিয়ে নেন। হতাশ হয়ে পড়লাম। দেখতে দেখতে চলে এল এস.এস.সি পরীক্ষা। পরীক্ষার হলে যে একটা ভাল পোশাক পরে যাবে তাও নেই। সাথের বন্ধুরাও কেউ আমাকে ভালো পাই না কারণ আমি প্রতিদিন ময়লা পোশাকের জন্য স্কুল যেত পারতাম না।তাই নিজেকে বড় একা মনে হতে লাগলো। কোন মত করে পাশের বাড়ির বন্ধুর কাছ থেকে কাপড় নিয়ে পরে পরীক্ষা দিলাম। প্রতিদিন পরীক্ষা দিয়ে এসে কাদতাম। কারণ আমি ভেবেছিলাম ভাল রেজাল্ট করলে হয়ত গরীব ঘরের ছেলে বলে অনেকে পরবতীতে পড়ার জন্য সাহায্যে করবে, কিন্তু আমি যদি খারাপ করি তাহলে তো কেউ আমাকে সাহায্যে করবে না।দু চোখে জলে ভরে গেল বুকটা যেন ফেটে যাচ্ছিল।্ তারপর পরীক্ষা শেষ হয়ে গেল।বাবা বোনের জন্য পাত্র খোজা শুরু করল। কিন্তুু বোনের বয়স বেশী হওয়ায় সবাই বেশী করে যৌতুক চাইছে যা বাবার পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। শেষ পর্যন্ত একজন মা বাবা নেই এমন এক ছেলের সাথে বোনের বিয়ে দেয়। নিজের চোখের সামনে এভাবে টাকার অভাবে বোনকে বিয়ে দেয়া যে কি কষ্ট এটা আমি ছাড়া কেউ বুঝবে না। যে পরিবার প্রতিদিন ১ কেজি চাল যোগাড় করলে ভাত খেত না হলে উপোস থাকতো সেই পরিবারের পক্ষে মেয়ে বিয়ে দেওয়া যে কত কঠিন তা বলে বুঝানোর মত নয়।শেষ পর্যন্ত বোনের বিয়েতে ৩০ হাজার টাকা সুদে ঋণ হয়ে যায়।এত অভাব আমাকে আর ভালো লাগে না প্রায় বাবার সাথে ঝগড়া হয়। বাবা বলে, পাড়া-প্রতিবেশীর সবার ছেলেরা কাজকাম করে মা বাবাকে খাওয়ায় আর তুই পায়ের উপর পা দিয়ে বাবার ঘাড়ে চড়ে খাছিস।আমাদের পাড়ার সব ছেলেরা অশিক্ষিত তাই ওরা ছোট ছোট কাজ করে ।কিন্তু আমার বিবেকে বাধা দেয়,তারপরও মাঝে মাঝে বাবার বকা খেলে মনে হয় আমার জীবনে হয়ত এই কাজই আছে । প্রতিদিন ঋণওয়ালা এসে বাবাকে ঋণ পরিশোধের জন্য হুমকি দিয়ে যায়। মনে হয় যেন ওদের কাউকে খুন করে ফেলি। কিন্তু খুন যে করব সেই সাহস তো নেই। রাতে ঘুমালে স্বপ্ন দেখি কেউ এসে আমাকে ১ লক্ষ টাকা দিয়ে যায়, বা মহান সৃষ্টিকর্তা আমাকে যাদু শক্তি দিচ্ছেন, আর কত কি।কিন্তু বাস্তবে তো ১ টাকা পাওয়া যায় না।দেখতে দেখতে এস এস সি রেজাল্ট দিল। রেজাল্ট দেখে আমি খুব কাদলাম। যে পড়ার জন্য আমার এত সংগ্রাম তাতেও সাফল্য এলো না। না না আমি ফেল করিনি ,পাস করেছি ৩.৮৮ পয়েন্টে। কিন্তু এই প্রথম আমাদের স্কুলে একটি মেয়ে এ+ এনেছে এর জন্য সবাই আমাদের গাধা বলবে , কিন্তু বিশ্বাস কর আমার ভাগ্য, বাবার বকানি, ও নিয়মিত স্কুলে না যেতে পারায় আমি হেরে গেলাম।বুঝতে পারিছ না আমার সাথেই কেন এমন হয়। মানুষ তো আর এটা বলবে না ওরা বলবে ভাল করে পড়ালেখা করেনি তাই ভালো ফল পাইনি। কিন্তু আসল কথা হল ছেলে মেয়েদের পড়ার এক পরিবেশ থাকতে হয়। আর আমাদের যা পরিবেশ তা তুই ভালো করেই জানিস। একদিন পাড়ার সবাই যেন গেল আমার বাবা ঋণ খোর মানুষ।সবাই আমাকে বলতে লাগলো তর বাবার এত ঋণ আর তুই কাজকাম করতে পারিস না। কিন্তু ওরা কি জানে এখন কাজ পাওয়া যেন সোনার হরিণ পাওয়ার মত। আশেপাশের বড় ছোট সবাইকে বললাম কাজ পেলে আমাকে বলতে। এদিকে বাড়ি থেকে শুধু কাজ করার চাপ দিচ্ছে। মাঝে মাঝে আত্দহত্যা করতে ইচ্ছা করছিল।শেষ পর্যন্ত এক লোক বলল একটি দোকানে কাজ করতে হবে শ্রীমঙ্গলে শহরে। ভেবেছিলাম কলেজে পড়বো কিন্তু তাও হল না।দোকানের কাজে গেলাম সেখানে চারটি ছেলে কাজ করত। আমি যখন মহাজনকে বললাম আমি এস এস সি পাস মহাজন আমাকে অনেক আদর করত। যা ওদের সহ্য হত না, তাই ওরা আমাকে বের করার চেষ্টা করতে লাগল। আমার সাথে খারাপ ব্যবহার শুরু করল, আমাকে দিয়ে অনেক কাজ করাত। মহাজন সব সময় দোকানে থাকতেন না। আমি যখন আর ওদের সাথে পারছিলাম না তখন ১ সাপ্তাহ পর মালিককে ছাড়ার কারণ উল্লেখ করে চিঠি লেখলাম। ভাবলাম চিঠি পড়ে মহাজন হয়ত ওদের বকা দিয়ে আমাকে ডাকবে কিন্তু কপাল আমার শুকনা মরিচ,কিছুই হল না। বাড়িতে কাজ ছাড়ার জন্য অনেক গালাগালি শুনতে হয়েছে। পরে ভাবলাম কাজ করছি না বলে বাড়িতে আমার একটুও দাম নেই।মনের দুঃখে ভাবলাম বাড়ি ছেড়ে চলে যাবো। তারপর কিছুদিন পরে জানতে পারলাম আমার মা গর্ভবতী। মাথাটা যেন চক্কর দিতে শুরু করল।যে আমি আর আমার বন্ধুরা বলাবলি করতাম কেন মানুষ এত অভাবের মাঝে এত সন্তান নেয় সেই আমার ঘরেই আমারি মা বাবার এই অবস্থা।বন্ধু বান্ধাবকে মুখ দেখানোর লজ্জায় বাড়ি ছেড়ে চলে এলাম পাশের এক জেলাতে। ভাবলাম দুরে যে কাজই করি কেউ দেখবে না।পরে ঐ খানে আমাকে চালের বস্তা কাধেঁ নিয়ে দোকানে দিত হত। সারাদিন কাজ করার পর রাতে শুধু শান্তি পেতাম। এক বাস স্ট্যান্ডড ছিল সেখানে ঐ খানে ঘুমাতাম। আর কেদে কেদে ভাবতাম আমার মত জীবন যেন আর কারও না হয়। কী লাভ হল আমার এত পড়ালেখা করে।নিজের প্রতি ধিক্কার চলে এল। এর চাইতে মূর্খ থাকলেই হয়ত ভালো হত। জীবনে আমি কি পেলাম । বন্ধুদের সাথে শান্তি করে ঘুরতে পারলাম, না ঠিকমত স্কুল জীবন পার করতে পারলাম, না ঠিকমত একা বাচতে পারলাম। কোনটাই না।পাগলের সাত পাগল লাগছিল নিজেকে।প্রায় ১ বছর পর কাজ করার সময় দেখলাম এক মা তার বাচ্চার জন্য ভিক্ষা চাইছে, আর বলছে বাবা আমার বাচ্চাটকে সকাল থেকে কিছু খেতে দিতে পারিনি। একটু দয়া কর বাবা। দেখে মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল। একটা মা তার বাচ্চাকে মানুষ করার জন্য কতকিছু করে, আর সেই বাচ্চাই যদি বড় হয়ে না চিনে তাহলে কেমন লাগবে। তখন আমার মায়ের কথা ভাবলাম, খুব খারাপ লাগলো তাই ভাবলাম বাসাই ফিরে যাবো। বাচ্চার মাকে ১০০ টাকা দিয়ে সেদিন কাজ না করে বাসাই ফিরে গেলাম। মনে হচ্ছিল বাবা আমার উপর খুব রাগ করবে অনেক কিছু বলবে কিন্তু কেউ কিছু বলল না।মা আমাকে দেখে কেদে ফেলল আর বলে উঠল কিভাবে আমাদের ছেড়ে এতদিন ছিলি, কোথায় ছিলি। মায়ের কোলে ৩ মাসের এক মেয়ে বাচ্চা আমি দেখেই বুঝে গেছি এটা আমার ছোট বোন। প্রথমে খুব খারাপ লাগছিল, মায়ের কথা শুনে সব রাগ ঠান্ডা হয়ে গেল মা বলল,বাবা নাকি ভাল একটা কাজ পেয়েছে ভাল বেতন। শুনে ভাল লাগলো ভাবলাম এবার হয়ত একটু সুখের ছোয়া পাবো,। কিন্তু ভাংগা কপাল আমার। তখন আমি জিজ্ঞেস করলাম কেন শ্রাবণ এরপর কি হল? শ্রাবন বলল এরপর যা হওয়ার তাই হল আমি কলেজে র্ভতি হলাম আমার সাথের সবাই কলেজ শেষ করে ফেলেছিল। আমি অনেক কষ্টে কলেজে র্ভতি হলাম। বাবা টাকা দিলেন। কিন্তু সেদিন যখন আমি বাসাই গেলাম দেখলাম এক মহাজন এসে বাবাকে খুব গালাগালি করছে। আমি ভুলেই গিয়েছিলাম আমাদের অনেক ঋণ আছে। পাড়াপ্রতিবেশীরা বলতে শুরু করছে, একবেলা খেলে আরেকবেলা খাওযার ঠিক থাকে না বেটা কলেজে পড়তে যাই । বেটার শখ কত।নিজেকে খুব ছোট মনে হল। আমার এক চাচা আমাকে বুঝিয়ে বললেন, দেখ ভাতিজা মা বাবা হল দ্বিতীয় সৃষ্টির্কতা,তারা তোমাকে জন্ম দিয়েছেন।তারাও তো তোমার কাছে কিছু আশা করতে পারে, পাড়ার সব ছেলেরা তাদের মা বাবাকে আয় করে খাওয়ায়। সবাই সুখে আছে শুধু তোমার মা বাবা বাদে।তাদের তুমি সুখ দাও তাদের ঋণ মুক্ত কর।চাচার কথা শুনার পর মনে হল দুনিয়ার সবকিছু ছেড়ে দিয়।ভাবলাম যা হবার হবে, এবার আমি যে কাজেই পাবো সে কাজেই করব। মা বাবা কে বললাম। মা প্রথমে রাজি হননি পরে অবস্থার কথা দেখিয়ে রাজি করিয়েছি।তারপর অনেক কাজ খুজলাম পেলাম না। আর আমার শরীরে তেমন শক্তিও নেই যে কোন ভারী কাজ করব। শ্রীমঙ্গলে এক হোটেলে উয়েটার এর কাজ পেলাম।বেতন মাত্র ১৫০০ টাকা ভাবলাাম আপাতত এটাতেই থাকতে হবে। ৮ ঘন্টা ডিউটি। কলেজের চিনা জানা ছেলেরা মেয়েরা আসত কত যে কষ্ট করে চোখের পাতা নিচে করে কাজ করি।হয়ত এই অবস্থা দেখার পর আর কেউ আমাকে বন্ধু বলবে না।এতে আমার কিছু আসে যাই না। হয়ত আর পড়ালেখা হবে না। দেখতে দেখতে এইচ এস সি পরীক্ষা চলে এল আর মাত্র তিন মাস বাকী।এক বন্ধু বাবাকে জানায়। রাতে খাওয়ার সময় বাবা বলে কি করবি পরীক্ষা দিবি কিনা । আমি বললাম, একতো ফাষ্ট ইয়ার থেকে সেকেন্ড ইয়ারের র্ভতি ফি দেয়নি তারপর সামনে ফরম ফিলাপ এতগুলা টাকার প্রয়োজন আর সবচেয়ে বড় কথা হল আমি কিছুই পড়িনি।বাবা বলল কত টাকা লাগবে আমি বললাম ৩৫০০ টাকা। বাবা বলল এত যখন ঋণ আছে তখন আরো ঋণ করে নেয়, দেখি কি হয়।আমি ভয় পেলাম এত ঋণ বাবা কিভাবে পরিশোধ করবে। শেষ পর্যন্ত অনেক ঝামেলার পর কলেজে ফরম ফিলাপের সুযোগ পেলাম। অনেক জরিমানা দিতে হয়েছে। আমি কর্মাস নিয়ে পড়তাম, কর্মাসের সব বিষয়ে তিন মাসে পাশের উপযোগ পড়তে পারবো কিন্তু হিসাববিজ্ঞান কিভাবে পড়বো এটা তো একা একা পড়া যাই না। ঠিক করলাম ডিউটিতে যাওয়ার আগে কোনখানে প্রাইভেট পড়বো এবং মাসের বেতন থেকে ফি দেবো এরং কিছু টাকায় বই কিনবো। এক জন স্যারের সাথে সাথে যোগাযোগ করে সব কথা খুলে বললাম, তিনি সব শুনে বললেন, দেখ ১ বছরের পড়া তো আর ২,৩ মাসে হবে না আর এত ছাত্রর ভিতরে তোমাকে আমি এত সময় দিতে পারবো না তার চেয়ে বরং আমি একজন স্যারের কথা বলছি তুমি তার কাছে যাও। আমি ঐ স্যারের কাছেও গেলাম বললাম, আমার কথা তিনি বললেন দেখ এইমর্ূহতে আমি যাদের পড়াই তারা অনেকটা এগিয়ে গেছে তাদের সাথে পড়লে তোমার হবে না আর তারাও মানবে না। তুমি এক কাজ করতে পারো তোমার মত একই সমস্যা হয়েছিল আরেক ছাত্রের সে এখন আমার কাছে একা পড়ে। আমি বললাম, স্যার তাহলে আমিও একা পড়ব।স্যার বলল তুমি যদি একা পড় তাহলে তোমাকে এক ভেইজের টাকা একা দিতে হবে যেমন ধর ৪০০০ টাকা। এই কথা শুনার পর আমার মাথা নিচ হয়েগেল্। স্যার বলল এখন কোন কাজ হবে না কারণ সব টিচারের ভেইজ পূরণ আছে এবং তারা তাই নিয়েই ব্যস্ত তোমাকে নতুন করে কেউ সময় দিবে না। আমি চুপচাপ চলে এলাম। দুচোখে জল ছলছল করছিল কিছু ভালো লাগছিল না। সেদিন ডিউটিতে গেলাম না। শুধু কেদেছি আর কাদা ছাড়া কি বা আছে। আমি দেখতে পারছি টাকার অভাবে আমি ফেল করব কিন্তু কিছু করার নেই।শ্রাবণের এইসব কথা শুনারপর আমারও দুচোখে জল চলে এল।কিন্তু আমি তো এক গরিব ঘরের ছেলে।কি করব ভেবে পাচ্ছি না নিজেকে শান্তনাও দিতে পারলাম না। পরে ওকে আমি কিছু বই সাহায্যে করলাম। জানি না এবার ও এইচ এস সি পরীক্ষায় পাস করতে পারবে কিনা।নিজেকে খুব খারাপ লাগলো ভাবলাম আজ যদি আমার হাতে টাকা থাকতো তাহলে নির্ধিদায় ওকে দিয়ে দিতাম।আমার এই জ্বালাকে ভাগ করার জন্য গল্প লিখতে বসে পড়লাম। আপনারা সবাই দোয়া/ আশর্ীরবাদ করবেন যাতে শ্রাবণ তার জীবন সংগ্রামের এই পযর্ায়ে পাস হতে পারে। বুঝতে পারছি না আগে কি হবে? ওকি পাস করবে না ফেল।
শুনলাম কাহিনী শীতকালে
যখন নেই যে পাতা ডালে ডালে
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
sakil ভাল করে পড়ো আরো বেশী জানো , এরপর লেখ । শুভকামনা রইল
ভালো লাগেনি ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
খন্দকার আনিসুর রহমান জ্যোতি chesta valo aro porasuna korbe dekhbe akdin thiki likhte parbe......amnite uddog valo.........dhonnobad..tomake.......
ভালো লাগেনি ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
সালেহ মাহমুদ দোয়া করি শ্রাবন পরীক্ষায় পাশ করুক। তোমাকেও অনেক শুভেচ্ছা গল্প লেখার জন্য। লিখে যাও। আমি তোমার পাশে আছি।

১৭ জানুয়ারী - ২০১২ গল্প/কবিতা: ১ টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।

প্রতি মাসেই পুরস্কার

বিচারক ও পাঠকদের ভোটে সেরা ৩টি গল্প ও ৩টি কবিতা পুরস্কার পাবে।

লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন

  • প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।

আগামী সংখ্যার বিষয়

গল্পের বিষয় "উষ্ণতা”
কবিতার বিষয় "উষ্ণতা”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ ডিসেম্বর,২০২১