মুক্ত পথের পানে তাকিয়া থাকা এক নারী নিবৃত জল জরা নিস্পলক আঁখি, এই ভাবে চলছে চল্লিশটি বছর !!
কখনো লুকিয়া কান্না, কখনো মাজ রাতের নিঃসঙ্গতা, কখনো আচলে ডাকা ফোলা চোখ, আড়াল করেছে কত জনে জন !!
একটি রাত-ফিরে আসে বারবার, যা জীবন কে বদলে দিল চির আধার. একটি শব্ধ- চল, আমাদের সঙ্গে ক্যাম্পে চল, আমায় করলো চির নিঃসঙ্গ !!
সেই ১৯৭১ !! সি তিমির রাত্রি ! আমার সঙ্গী কে নিয়া হায়েনার দল আধারে মিলালো, আমার আর আলো দেখা হইনি ! সেই থেকে প্রতিদিনই যুদ্ধ করছি আমি প্রতিনিয়ত, কখনো নিজের সাথে নিজে, কখনো সমাজ কিংবা সংসারের প্রতিকূলতায়.
কত স্বপ্ন ছিল দুটো নতুন জীবনের সূচনায়, কত আসা বেঁধেছিলুম মনে, দূর থেকে দূর পথ চলব হাতে হাত ধরে, আমার যে আর তোমায় নিয়া পথ চলা হলো না ! তবু এতটুকু সুখ- আমার একটি সূর্য ডুবেছে, তবু ও কত সূর্য উঠেছে ঘরে ঘর, আমার স্বপ্ন বেন্গেছে, তবু ও কত স্বপ্নে জাগছে হাজার মন, তোমাক হারিয়া আধারে আমি, তুবু ও স্বাধীনতার সূর্যে আলোকিত বাংলার ঘর. এতটুকু সুখ আমার, এতটুকু সুখ আমার!!
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
মুহাম্মদ জহুরূল ইসলাম
ইতি পূর্বে আপনাকে ভোট দিয়েছিলাম. কোথায় হারিয়ে গেলেন ? বিজয়ী হয়েছেন ছবি নাই. তা কি করে গ্রহণ যোগ্য. ? তবে লেখছেন ভালো. অনেকের মতামতে বুঝলাম আপনি বিতর্কিত. লেখক কখনো পালায় না. আমারতো মনে হয় বিজয়ী হওয়ার পর স্প্লিহা বাড়ার কথা. তাহলে কি সত্যি আপনি লেখক নন ? আমি খুব কষ্ট পেলাম.
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।