খোকন যাবে চাঁদের দেশে, সইছেনা আর তর
ফড়িং মামা নিয়ে যাবেন,
পাখায় দিয়ে ভর।

প্লেনটা অনেক পুরানো তাই, ভীষণ ভয় করে
যায়কি বলা মাঝ আকাশে,
ভেঙ্গেই যদি পড়ে।

রকেট সেতো আছে অনেক, কি দরকার তার
মাছের মতো কাটতে সাঁতার,
ইচ্ছে করে কার?
অবশেষে তাই ফড়িং মামাই, চলল নিয়ে চাঁদে
গবেষণা তার করবে খোকন,
এসে সফর বাদে।
রাত্রি যাপন করে চাঁদে, পরের কোন ডেটে
মঙ্গল গ্রহের উদ্দেশ্যে সে,
রওনা দেবে হেটে।
মঙ্গল গ্রহে থাকবে ক’দিন, সঙ্গি সাথী সহ
ইচ্ছে আছে সেখান থেকে,
আসবে ঝিনাই দহ।
ঝিনাইদহের খাল বিলে সে,হাতেই ধরবে মাছ
কারেন্ট জালের মশারী দিয়ে,
করবে ফড়িং চাষ।
চিল শকুনের জিনের সাথে, মিশিয়ে কণা চাঁদের
হাইব্রিড কোরে ফড়িং দেহের
শক্তি বাড়ায় তাদের।
সুপার সনিক ফড়িং এবার, আকাশ দিলো পাড়ি
সেইনা থেকে খোকন সোনা,
সেরা নভো’চারী।