ভূমন্ডলে আগমন উত্তর আমি ছোঁয়া পেয়েছি মায়ের
ছোঁয়া পেয়েছি মায়ের স্নিগ্ধ শাড়ীর সিন্ধু আঁচলের।
সমস্ত শরীর ঢেকে দিতে তোমার মায়াময় আঁচলে
শরীর ঘেঁষে আগলিয়ে রাখতে তোমার শিয়রে
মমত্বের বাহু ডোরে।

তুমি মা আমার প্রাণের ভবতারিণী, আমার হিতৈষিণী
তাকাতাম পিঁটিপিঁটি হাসতাম মিঁটিমিঁটি দেখেছি মোহিনী।
তোমার তিতিক্ষার আচ্ছাদনে আমি হয়েছি ধন্য
ঋনি আমি কেমনে পোষাব,কেমনে শোধাব
জানে ভবিতব্য।

ভবসিন্ধুর প্রতিহারী তুমি আমার চলার পথের চন্দ্রপ্রভা
নও প্রবঞ্চক নও লুন্ঠিকা,হয়ে এসেছো মোর ত্রাতা।
তোমার শাড়ীর আঁচলতো নয় যেন অন্তহীন আকাশ
লালি’ছো যেথা চন্দ্র-সূর্য,আছে সঞ্জীবনী মেঘ
প্রতিবিম্ব তুমি-বলে আবেগ।

মা-তোমার কি মনে পড়ে শৈশবের সেই আবেগি খেলা
আঁচলে মুখ ঢেকে সাজতে বউ,বলেছে নানী পরন্তবেলা।
যৌবনে স্বপ্ন হয়েছে সত্যি-রাঙ্গামুখে পরেছো রাঙ্গা শাড়ী
সেই আঁচলে অতঃপর পেঁচিয়েছো নবজাতক রত্ন
দিয়েছো পরিপূর্ণ যত্ন।।