পুঞ্জিভূত- মেঘপুঞ্জে- গড়েছি এক কুঞ্জ নিবাস
সময়ে ধরিত্রীর সময় ছেড়ে সেখানেই আবাস,
বাতাসের তরঙ্গ বাহনে- নিঃশব্দের বাতায়নে
অগণন ভাবুকের সাথে- বলি কথা আনমনে।
লোভ লালসা ঝরে এথা-ওথা
ওরা বলে- হৃদ ভাঙ্গার কথা,
সর্বত্র- হুড়োহুড়ি- ছুটাছুটি
দুর্বোধ্য ছলে চলে দাবাগুটি।

দেহের পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের সাথে- বিবাদ ক্ষণে ক্ষণে
কুপথে যেতে কেন ওরা আঘাত হানে এই মনে,
আমার আমি চলে যাই- শরীর ছেড়ে নির্বাসনে
যদি- পরাজিত হয় নফস- বজ্রমুষ্টি- শাসনে।
ঋণি আমি- ঋণ নিয়েছি প্রাণ
ঋণদাতার এক- ঋদ্ধ দান,
এ ঋণ আমি কেমনে শোধিব
বা কেমনে তা- পূরণ করিব!

যখন-ই পড়ে মনে- হবে দেখা আমলের খাতা
আত্মিক আমি উল্টিয়ে দেখি যত কায়িকের পাতা,
মনে হয়- হানাহানির এ ধরণী- আমার নয়
লালসার চরাচরে থেকে- অযথা সময় ক্ষয়।
আছি যতদিন- মনেতে ভয়
আমার দ্বারা কি যেন কি হয়!
হে রব, একটু হও সদয়
তোমার প্রেমে ভর এ হৃদয়।