লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২ অক্টোবর ১৯৮৪
গল্প/কবিতা: ২৫টি

সমন্বিত স্কোর

১.৬৩

বিচারক স্কোরঃ ০ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৬৩ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftবাংলার রূপ (এপ্রিল ২০১৪)

মেরুপ্রভা
বাংলার রূপ

সংখ্যা

মোট ভোট ১৯ প্রাপ্ত পয়েন্ট ১.৬৩

ইয়াসির আরাফাত

comment ১৮  favorite ১  import_contacts ১,১৪২
ঢুলু ঢুলু তন্দ্রার আঁচলে
কখনো ঝুমুর কখনো ত্রিতালে
চন্দ্রের সাথে রাত জাগা পাখির মত
চুপটি করে শোনা পুঁথির পুরান
রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা ......
ফুটে উঠে বাংলার রুপের অপরূপ বর্ননা ।

মাঝে মাঝে করুন সুরের ইন্দ্রজালে
কুল হারায়ে আঁখি ছলছল হয়ে উঠে
তন্দ্রা টুটে যায় খেচরের ডানা ঝাপটার শব্দে
শুরু হয় অদূরে শেয়ালের কান্না -
পারশীক , গ্রীক , পহলব , শক
কুষাণ ,হুন , তুর্কী , আফগান ,
মোঘল , ইংরেজদের বাংলার রূপ , সংস্কৃতি ধ্বংসের
কালো পরিকল্পনার ও নীল চাষ সহ বিভিন্নভাবে
স্বাধীনতায় হস্ত ক্ষেপের পুঁথি শোনে ।

গুপ্ত যুগ থেকে মুসলমান যুগ শেষে
আধুনিক সভ্যতায়
মুক্ত নিশান পেয়েও
১৯৭১ সালের পর থেকে আজ পর্যন্ত
এক দল পিচাশের আতংকে
দেখতে যাওয়া হয়না দুরন্ত কিশোরের
জঙ্গলা পুকুরে ফোটা সবুজ পদ্ম !

বাতাসের ভেসে আসে বারুদের গন্ধ
আর অধার্মিকতা ,অমানবিকতার বিষ্ঠা সাধনের
মন্ত্র প্রতিধ্বনি হয় ওং ক্লিং শ্রীং মাং চাং
ছাপান্ন হাজার বর্গ মাইল জুড়েই ?


চন্দ্র ও পদ্মের মল্লযুদ্ধে
প্রতিবন্ধকতার দাঁড় কাকদের শান্তি কামনার আর্তনাদ ,
কুঁড়িতেই বিদায় হয় চেনা অচেনা হাজারো ফুলের ।
শান্তি কামি বলাকা, পায়রাদের উড়াল নিষেধ,
অবরোধে মাছ রাঙাদের আহার বাড়ন ।
দুরন্ত শিশুর প্রকৃতির সাথে মিলেমিশে বড় হবার
পথে আজ রয়েছে কাঁটাতারের বেড়া ।
শব্দ দূষণ রোধে রাখাল ও মাঝি মোল্লার
কণ্ঠে লাগানো হচ্ছে তালা ।
উলঙ্গ দেবতাদের স্বাধীনতা ও অধিকার হরণ করেও
চন্দ্র ও পদ্ম দিচ্ছে ভাষণ
উলঙ্গ দেবতারা করবে বিচার ?
পরিবর্তনের এই মহালগ্নে
বাংলার রূপ বৈচিত্র সংস্কৃতি
আজ যেন অপসংস্কৃতির কাগজে মোড়ানো
পাঁচ টাকার বাদামের ঠোঙ্গা !

আহা আহা আহা
বাঁশের বাসির রাগিণীর সুরে
মিশে গেছে উস্কানিমুলুক মিছিলের শ্লোগান
ঢেঁকী দিয়ে ধান নয় মন ভাঙ্গানো চলছে ।
নির্মল প্রকৃতি আজ যেন হুকুমের গোলাম
স্বাধীন প্রান্তরে পরাধীনতার
লাল আভা বুকের বুকের ভেতরটা ক্ষতবিক্ষত করছে ।
বন দস্যুরা ভেঙে ফেলছে
মন ও বিবেকের পাঁজর ।
বহু প্রতিক্ষার ভরা পূর্ণিমার চাঁদ আজ কলঙ্কিনী
শক্তিহীন প্রতিমার মত ।
মরা গাঙ্গে ছোট্ট ডিঙ্গি নায়ে চন্দ্র স্নানে
যাবার সুযোগ নেই কারন আজ ১৪৪ ধারা -
গাঙচিলদের সমুদ্র স্নানের
টোল আদায়ের লগ্ন এসেছে ।
শুরু হয়েছে অস্তিত্বের শিকড় উপচে ফেলার
কাল বৈশাখীর ঝড় !
হাজারো প্রতিবন্ধকতার মাঝেও
বাংলার রূপ বৃক্ষে চাঁদের ঝলক যায় দেখা -
তাই তো নিরাশ নয় কবি
প্রকৃত মানুষ ও বাঙ্গালীর মহামিলনের
এক উজ্জ্বল নক্ষতের প্রত্যাশায় রয়
চাতক পাখির মত ।
বাংলার রূপের অপরূপ মেরুপ্রভা
ফুটিয়ে তোলে কলমের আঁচরে ।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement