ওগো আমার প্রিয়তা,
তোমার অঞ্জনে যখন নীর বয়ে যায়
চিত্তে তখন প্রশ্ন জাগে ; তুমি কি সেই সিপ্রা স্রোতস্বিনী ?
যেখানে আমি পৌঁছুতে পারিনি !
তুমি এক মায়াবিনী ; তোমার মায়াবী দৃষ্টিতে
আমি খুঁজে পাই আমার বসুমতী-
যেখানে আমি নিত্য দিবস গড়ি।
তোমার ওষ্ঠে যখন হাসি ঝরে
মনে হয় এ যেন সুধাংশুর পূর্ণ প্রভা !
তোমার আনন এক সমর্থ প্রসূনে পরিণত হয়।
তখন আমার অধর কাঁপতেই ভাবি-
তুমি তো আমারই সুবাসিনী !
কণ্ঠে তোমার কথার মালা সাজাও যখন
সুর হয়ে তা বাজে আমার কানে
তুমি যে আমারই সুরের বীণা।
আর তাই তো সে মালা আমি পরি, আমার গলে।
ওগো ! তুমি যে আমার প্রণয়ী।
আর যখন কেবল তোমাকেই দেখি
তখন মনে হয় এ যে আমার অপত্যের জননী !
হ্যাঁ, তুমি যে আমার অপত্যেরই জননী।